চারদিন পর রহস্য উদ্ঘাটন নাতি বাবু গ্রেফতার
jugantor
মুক্তাগাছায় বৃদ্ধ হত্যা
চারদিন পর রহস্য উদ্ঘাটন নাতি বাবু গ্রেফতার

  মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

১৮ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিখোঁজের চারদিন পর উদ্ধার হওয়া বৃদ্ধ আব্দুর রশিদ (৬৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং ঘাতক বাবুকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ময়মনসিংহ। আদালতে পাঠালে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঘাতক মঞ্জুরুল ইসলাম বিজয় ওরফে বাবু (১৯) মুক্তাগাছা উপজেলার হরিপুর দেউলী গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে। জানা গেছে, নিহত আব্দুর রশিদ দীর্ঘদিন ধরে বিপত্নীক জীবনযাপন করতেন। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের কারণে অনাদরে থাকা তার নাতি মঞ্জুরুল ইসলাম বিজয় ওরফে বাবুকে কোলে পিঠে করে অতি আদরে লালন-পালন করতেন তিনি। বেয়াড়া নাতিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে প্রায় বছর খানেক আগে বাবুকে বিয়ে করিয়ে নাতি বৌ ঘরে তোলে দাদা আব্দুর রশিদ।

এদিকে উপার্জন বিহীন বেকার নাতিকে উপার্জনের তাগিদ দিলে বাবু ক্ষেপে গিয়ে তার নববধূকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেয় এবং জমি বিক্রি করে টাকা দেওয়ার জন্য আব্দুর রশিদকে উল্টো চাপ দেয়। জমি বিক্রি করে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাইলে বাবু তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। জেলা গোয়েন্দা শাখা, ময়মনসিংহ টিম আসামি বাবুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তি প্রদান করে এবং ঘটনা বর্ণনা দিয়ে বলে, ১০ অক্টোবর রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে দাদা ও নাতি এক সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ে। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রাত গভীর হলে ঘরে রাখা লোহার শাবল দিয়ে ঘুমিয়ে থাকা আব্দুর রশিদের মাথায় ও শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে। বাবু মৃত্যু নিশ্চিত করে, লাশটি শাবল দিয়ে মাটি খুঁড়ে ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দিয়ে রাখে এবং ঘরের বাহির হতে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়।

মুক্তাগাছায় বৃদ্ধ হত্যা

চারদিন পর রহস্য উদ্ঘাটন নাতি বাবু গ্রেফতার

 মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
১৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিখোঁজের চারদিন পর উদ্ধার হওয়া বৃদ্ধ আব্দুর রশিদ (৬৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং ঘাতক বাবুকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ময়মনসিংহ। আদালতে পাঠালে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঘাতক মঞ্জুরুল ইসলাম বিজয় ওরফে বাবু (১৯) মুক্তাগাছা উপজেলার হরিপুর দেউলী গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে। জানা গেছে, নিহত আব্দুর রশিদ দীর্ঘদিন ধরে বিপত্নীক জীবনযাপন করতেন। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের কারণে অনাদরে থাকা তার নাতি মঞ্জুরুল ইসলাম বিজয় ওরফে বাবুকে কোলে পিঠে করে অতি আদরে লালন-পালন করতেন তিনি। বেয়াড়া নাতিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে প্রায় বছর খানেক আগে বাবুকে বিয়ে করিয়ে নাতি বৌ ঘরে তোলে দাদা আব্দুর রশিদ।

এদিকে উপার্জন বিহীন বেকার নাতিকে উপার্জনের তাগিদ দিলে বাবু ক্ষেপে গিয়ে তার নববধূকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেয় এবং জমি বিক্রি করে টাকা দেওয়ার জন্য আব্দুর রশিদকে উল্টো চাপ দেয়। জমি বিক্রি করে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাইলে বাবু তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। জেলা গোয়েন্দা শাখা, ময়মনসিংহ টিম আসামি বাবুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তি প্রদান করে এবং ঘটনা বর্ণনা দিয়ে বলে, ১০ অক্টোবর রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে দাদা ও নাতি এক সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ে। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রাত গভীর হলে ঘরে রাখা লোহার শাবল দিয়ে ঘুমিয়ে থাকা আব্দুর রশিদের মাথায় ও শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে। বাবু মৃত্যু নিশ্চিত করে, লাশটি শাবল দিয়ে মাটি খুঁড়ে ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দিয়ে রাখে এবং ঘরের বাহির হতে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন