তাহিরপুরে সালিশিদের ভয়ে যুবকের আত্মহত্যা
jugantor
তাহিরপুরে সালিশিদের ভয়ে যুবকের আত্মহত্যা

  যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর  

১৯ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ডাকা সালিশিদের ভয়ে সালিশ বৈঠকের একদিন পূর্বেই সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শাহীন আলম নামে এক যুবক গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। সোমবার দুপুরে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। শাহীন উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের সীমান্ত গ্রাম বুরুঙ্গা ছড়ার ফরিদ উদ্দিনের জ্যেষ্ঠ সন্তান। সোমবার সন্ধ্যায় তাহিরপুর থানার এসআই নাজমুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সোমবার সন্ধায় শাহীনের বাবা বুরুঙ্গা ছড়ার বাসিন্দা ফরিদ উদ্দিন জানান, আমার বড় ছেলে শাহীন আলমের সঙ্গে গত এক বছর পূর্বে পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের বিন্নারবন হাফানিয়া গ্রামের ইউনুছ মিয়ার মেয়ে নার্গিস বেগমের বিয়ে হয়। আমার স্ত্রীর সঙ্গে প্রায় তিন মাস পূর্বে ঝগড়াঝাঁটি করে পুত্রবধূ তার বাবার বাড়ি চলে যায়। এরপর শাহীনের শ্বশুর ইউনুছ মিয়া তার অপর মেয়ের জামাই আব্দুস ছাক্তার মিয়া নিজ গ্রাম বিন্নারবন হাফানিয়ার ও মেয়ের জামাতা বুরুঙ্গাছড়া গ্রামের কয়েকজন নিয়ে সোমবার সকাল ১০টায় জামাতা শাহীনের বাড়িতেই সালিশ বৈঠকের আয়োজন করান।

এদিকে রোববার রাত ৩টার দিকে শাহীনের বাড়িতে যান গ্রামের আব্দুল হান্নান নামে এক সালিশি। তিনি শাহীনকে সোমবারের ডাকা সালিশ বৈঠকে সালিশিদের কাছে স্ত্রীকে নিয়ে ফের সংসার করার কথা বলার পরামর্শ দিয়ে রাতেই ফিরে আসেন। এরপর সালিশিদের ভয়ে ভোর সাড়ে ৪টা হতে সাড়ে ৬টার মধ্যে বসতঘরের নিজ শয়নকক্ষে শাহীন শয়নকক্ষের আড়ার সঙ্গে দড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।

তাহিরপুরে সালিশিদের ভয়ে যুবকের আত্মহত্যা

 যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর 
১৯ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ডাকা সালিশিদের ভয়ে সালিশ বৈঠকের একদিন পূর্বেই সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শাহীন আলম নামে এক যুবক গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। সোমবার দুপুরে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। শাহীন উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের সীমান্ত গ্রাম বুরুঙ্গা ছড়ার ফরিদ উদ্দিনের জ্যেষ্ঠ সন্তান। সোমবার সন্ধ্যায় তাহিরপুর থানার এসআই নাজমুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সোমবার সন্ধায় শাহীনের বাবা বুরুঙ্গা ছড়ার বাসিন্দা ফরিদ উদ্দিন জানান, আমার বড় ছেলে শাহীন আলমের সঙ্গে গত এক বছর পূর্বে পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের বিন্নারবন হাফানিয়া গ্রামের ইউনুছ মিয়ার মেয়ে নার্গিস বেগমের বিয়ে হয়। আমার স্ত্রীর সঙ্গে প্রায় তিন মাস পূর্বে ঝগড়াঝাঁটি করে পুত্রবধূ তার বাবার বাড়ি চলে যায়। এরপর শাহীনের শ্বশুর ইউনুছ মিয়া তার অপর মেয়ের জামাই আব্দুস ছাক্তার মিয়া নিজ গ্রাম বিন্নারবন হাফানিয়ার ও মেয়ের জামাতা বুরুঙ্গাছড়া গ্রামের কয়েকজন নিয়ে সোমবার সকাল ১০টায় জামাতা শাহীনের বাড়িতেই সালিশ বৈঠকের আয়োজন করান।

এদিকে রোববার রাত ৩টার দিকে শাহীনের বাড়িতে যান গ্রামের আব্দুল হান্নান নামে এক সালিশি। তিনি শাহীনকে সোমবারের ডাকা সালিশ বৈঠকে সালিশিদের কাছে স্ত্রীকে নিয়ে ফের সংসার করার কথা বলার পরামর্শ দিয়ে রাতেই ফিরে আসেন। এরপর সালিশিদের ভয়ে ভোর সাড়ে ৪টা হতে সাড়ে ৬টার মধ্যে বসতঘরের নিজ শয়নকক্ষে শাহীন শয়নকক্ষের আড়ার সঙ্গে দড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন