পটুয়াখালীতে ছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ের অভিযোগ
jugantor
পটুয়াখালীতে ছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ের অভিযোগ

  পটুয়াখালী ও দক্ষিণ প্রতিনিধি  

১৯ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ছাত্র নাজমুল আকনকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৩ অক্টোবর নাজমুল বাদী হয়ে পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন। মামলায় ইশরাত জাহান পাখি নামে এক তরুণীসহ আরও অজ্ঞত ৬-৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পটুয়াখালী সদর থানাকে এজাহার নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে নাজমুলকে জোরপূর্বক বিয়ে করার একটি ভিডিওচিত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। আর মামলার পর ১৫ অক্টোবর দুপুরে ওই তরুণী নিজেকে নাজমুলের স্ত্রী দাবি করে তার বাবার বাড়ি মির্জাগঞ্জে অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় পুরো মির্জাগঞ্জ এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নাজমুল মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের জালাল আকনের ছেলে এবং স্ত্রীর দাবিদার ইশরাত জাহান পাখি একই উপজেলার গাজিপুর গ্রামের মো. আউয়ালের মেয়ে। ইশরাত জাহান পাখি বলেন, নাজমুলের সঙ্গে তার দীর্ঘ দুই বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং নাজমুল নিজ ইচ্ছায় বিয়ে করেছেন। অপহরণ কিংবা জোরপূর্বক বিয়ে করার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ কারণে বর্তমানে তিনি নাজমুলের বাড়িতে অবস্থান করছেন। পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, আদালতের নির্দেশে মামলা এজাহার করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পটুয়াখালীতে ছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ের অভিযোগ

 পটুয়াখালী ও দক্ষিণ প্রতিনিধি 
১৯ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ছাত্র নাজমুল আকনকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৩ অক্টোবর নাজমুল বাদী হয়ে পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন। মামলায় ইশরাত জাহান পাখি নামে এক তরুণীসহ আরও অজ্ঞত ৬-৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পটুয়াখালী সদর থানাকে এজাহার নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে নাজমুলকে জোরপূর্বক বিয়ে করার একটি ভিডিওচিত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। আর মামলার পর ১৫ অক্টোবর দুপুরে ওই তরুণী নিজেকে নাজমুলের স্ত্রী দাবি করে তার বাবার বাড়ি মির্জাগঞ্জে অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় পুরো মির্জাগঞ্জ এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নাজমুল মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের জালাল আকনের ছেলে এবং স্ত্রীর দাবিদার ইশরাত জাহান পাখি একই উপজেলার গাজিপুর গ্রামের মো. আউয়ালের মেয়ে। ইশরাত জাহান পাখি বলেন, নাজমুলের সঙ্গে তার দীর্ঘ দুই বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং নাজমুল নিজ ইচ্ছায় বিয়ে করেছেন। অপহরণ কিংবা জোরপূর্বক বিয়ে করার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ কারণে বর্তমানে তিনি নাজমুলের বাড়িতে অবস্থান করছেন। পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, আদালতের নির্দেশে মামলা এজাহার করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন