বাউফলে ঠিকাদারের গাফিলতিতে ভেঙে গেল বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লক
jugantor
বাউফলে ঠিকাদারের গাফিলতিতে ভেঙে গেল বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লক

  যুগান্তর প্রতিবেদন ও বাউফল প্রতিনিধি  

২৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের ১১১নং বটকাজল বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লক ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বুধবার ওই বিদ্যালয়ের নতুন একটি ভবন নির্মাণের জন্য বেড কাটার পরই ওয়াশব্লকটি ভেঙে যায়। জানা গেছে, পিইডিপি-৩ প্রকল্পের আওতায় ২০০৬ সালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই ওয়াশব্লক নির্মাণ করে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরে ওই বিদ্যালয়ে একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। দরপত্র প্রক্রিয়া শেষে ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ভবনটি নির্মাণের জন্য এন ইসলাম ট্রেডার্স নামের একটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়। ভবনটির বেজমেন্ট তৈরির জন্য বেড কাটার পর বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লকটি ভেঙে যায়। মিজানুর রহমান নামের এক অভিভাবক বলেন, ঠিকাদারের গাফিলতিতে ওয়াশব্লকটি ভেঙে গেছে। বেড কাটার সময় ওয়াশব্লকের প্রোটেকশন দিলে আর এমন অবস্থা হতো না।

প্রধান শিক্ষক সাইফুর রহমান বলেন, ওয়াশব্লকটি ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েছেন। নাজনিন নাহার তামান্না ও দিনাসহ একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, আমরা বিদ্যালয়ে এসে টয়লেট ব্যবহার করতে পারছি না। ঠিকাদারের প্রতিনিধি আবদুল হালিম বলেন, ওয়াশব্লক ভেঙে গেছে আবার সরকার করে দেবে। এটা নিয়ে এত কথার দরকার কী? নতুন ভবন নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা বাউফল এলজিইডির সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম বলেন, ওয়াশব্লক ভাঙার খবর পাইনি। পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাউফলে ঠিকাদারের গাফিলতিতে ভেঙে গেল বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লক

 যুগান্তর প্রতিবেদন ও বাউফল প্রতিনিধি 
২৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের ১১১নং বটকাজল বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লক ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বুধবার ওই বিদ্যালয়ের নতুন একটি ভবন নির্মাণের জন্য বেড কাটার পরই ওয়াশব্লকটি ভেঙে যায়। জানা গেছে, পিইডিপি-৩ প্রকল্পের আওতায় ২০০৬ সালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই ওয়াশব্লক নির্মাণ করে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরে ওই বিদ্যালয়ে একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। দরপত্র প্রক্রিয়া শেষে ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ভবনটি নির্মাণের জন্য এন ইসলাম ট্রেডার্স নামের একটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়। ভবনটির বেজমেন্ট তৈরির জন্য বেড কাটার পর বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লকটি ভেঙে যায়। মিজানুর রহমান নামের এক অভিভাবক বলেন, ঠিকাদারের গাফিলতিতে ওয়াশব্লকটি ভেঙে গেছে। বেড কাটার সময় ওয়াশব্লকের প্রোটেকশন দিলে আর এমন অবস্থা হতো না।

প্রধান শিক্ষক সাইফুর রহমান বলেন, ওয়াশব্লকটি ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েছেন। নাজনিন নাহার তামান্না ও দিনাসহ একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, আমরা বিদ্যালয়ে এসে টয়লেট ব্যবহার করতে পারছি না। ঠিকাদারের প্রতিনিধি আবদুল হালিম বলেন, ওয়াশব্লক ভেঙে গেছে আবার সরকার করে দেবে। এটা নিয়ে এত কথার দরকার কী? নতুন ভবন নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা বাউফল এলজিইডির সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম বলেন, ওয়াশব্লক ভাঙার খবর পাইনি। পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন