মুলাদীতে মাছ ছিনিয়ে নেওয়ায় জেলেদের হামলা
jugantor
মুলাদীতে মাছ ছিনিয়ে নেওয়ায় জেলেদের হামলা

  মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি  

২৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মুলাদীতে অভিযানের নামে মাছ ও জাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) ওপর হামলা চালিয়েছে জেলেরা। উপজেলার জয়ন্তী নদীর সফিপুর ইউনিয়নের চরমালিয়া এলাকায় শুক্রবার বেলা ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিংবা মৎস্য কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়াই মা ইলিশ রক্ষার নামে ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশরা অভিযান চালায় বলে অভিযোগ করেছেন জেলেরা।

চরমালিয়া গ্রামের জেলে সাইফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালে সফিপুর ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান রাকিব সরদার ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম, মিরাজ হোসেন, ইমরান হোসেন, দফাদার সাইদুর রহমানসহ ৫ জন অভিযানের নামে জয়ন্তী নদীতে নামে। প্রশাসনের উপস্থিতি ছাড়াই ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশরা জেলেদের কাছ থেকে মাছ নিয়ে যায়। বিষয়টি জেলেরা মেনে নিতে না পেরে বেলা ১টার দিকে চরমালিয়া গ্রামের মনির মল্লিকের মাছের আড়ত এলাকা ঘিরে ফেলে। এ সময় জেলেরা ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে গ্রাম পুলিশ ও ইউপি সদস্য দ্রুত সটকে পড়েন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুব্রত গোস্বামী, মা ইলিশ রক্ষায় জনপ্রতিনিধি কিংবা গ্রাম পুলিশের অভিযান পরিচালনার সুযোগ নেই। তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা কিংবা থানা পুলিশকে সহযোগিতা করতে পারে। ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ কী কারণে অভিযান চালিয়েছে তা আমার জানা নাই।

মুলাদীতে মাছ ছিনিয়ে নেওয়ায় জেলেদের হামলা

 মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি 
২৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মুলাদীতে অভিযানের নামে মাছ ও জাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) ওপর হামলা চালিয়েছে জেলেরা। উপজেলার জয়ন্তী নদীর সফিপুর ইউনিয়নের চরমালিয়া এলাকায় শুক্রবার বেলা ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিংবা মৎস্য কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়াই মা ইলিশ রক্ষার নামে ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশরা অভিযান চালায় বলে অভিযোগ করেছেন জেলেরা।

চরমালিয়া গ্রামের জেলে সাইফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালে সফিপুর ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান রাকিব সরদার ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম, মিরাজ হোসেন, ইমরান হোসেন, দফাদার সাইদুর রহমানসহ ৫ জন অভিযানের নামে জয়ন্তী নদীতে নামে। প্রশাসনের উপস্থিতি ছাড়াই ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশরা জেলেদের কাছ থেকে মাছ নিয়ে যায়। বিষয়টি জেলেরা মেনে নিতে না পেরে বেলা ১টার দিকে চরমালিয়া গ্রামের মনির মল্লিকের মাছের আড়ত এলাকা ঘিরে ফেলে। এ সময় জেলেরা ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে গ্রাম পুলিশ ও ইউপি সদস্য দ্রুত সটকে পড়েন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুব্রত গোস্বামী, মা ইলিশ রক্ষায় জনপ্রতিনিধি কিংবা গ্রাম পুলিশের অভিযান পরিচালনার সুযোগ নেই। তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা কিংবা থানা পুলিশকে সহযোগিতা করতে পারে। ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ কী কারণে অভিযান চালিয়েছে তা আমার জানা নাই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন