টেলিফোন নেই, অথচ ১১ বছরের বিল
jugantor
দশমিনা
টেলিফোন নেই, অথচ ১১ বছরের বিল

  দশমিনা দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দশমিনায় টেলিফোন ও সংযোগ না থাকার পরও দীর্ঘ বছর পর গ্রাহকদের টেলিফোন বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিটিসিএলের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ বছর টেলিফোন ব্যবহার না করার পরও ভূতুড়ে বিল দিয়ে ওই গ্রাহকদের টাকা পরিশোধের জন্য বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকরা। ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে গ্রাহকদের মাঝে। উপজেলা বণিক সমিতির সহসভাপতি আব্দুল হকের অভিযোগ, ২০১০ সালের প্রথম দিকে তিনি স্ত্রী মাকসুদা বেগমের নামে ৫৬১৬৭ নাম্বারের বিটিসিএলের একটি টেলিফোন সংযোগ নেন। সংযোগ নেওয়ার পর বিভিন্ন সমস্যার কারণে উপজেলা সদরের সবুজবাগ এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হক ওই বছরের ২ মে পর্যন্ত পাওনা বিল পরিশোধ করে বিচ্ছিন্ন করে দেন। যার ছাড়পত্র তার কাছে আছে। আব্দুল হকের অভিযোগ, দীর্ঘ বছর সংযোগ ও টেলিফোন না থাকার পরও পটুয়াখালী বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ ২০১০ সালের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ১৩ হাজার ১৮২ টাকা পরিশোধের জন্য ডাকযোগে একটি ভূতুড়ে বিল পাঠিয়ে দেন। এতে বিপাকে পড়ে যান আব্দুল হক। একই অভিযোগ করেছেন উপজেলা সদরের বাসিন্দা রমিজ মোল্লা ও বশির। তারা জানান, টেলিফোন সংযোগ না থাকার পরও হঠাৎ দীর্ঘ বছর পর পটুয়াখালী বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ চলতি বছর পর্যন্ত পাওনা দেখিয়ে হাজার হাজার টাকা টেলিফোন বিল ডাকযোগে পাঠিয়ে পরিশোধ করতে বলছেন। অথচ আমাদের সংযোগ দীর্ঘ বছর ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এ বিষয় পটুয়াখালী বিটিসিএলের প্রশাসনিক সহকারী রফিকুল ইসলাম জানান, যারা বিল পরিশোধ করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ছাড়পত্র নিয়েছেন তারা আবেদন করলে আর বিল পরিশোধ করতে হবে না।

দশমিনা

টেলিফোন নেই, অথচ ১১ বছরের বিল

 দশমিনা দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দশমিনায় টেলিফোন ও সংযোগ না থাকার পরও দীর্ঘ বছর পর গ্রাহকদের টেলিফোন বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিটিসিএলের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ বছর টেলিফোন ব্যবহার না করার পরও ভূতুড়ে বিল দিয়ে ওই গ্রাহকদের টাকা পরিশোধের জন্য বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকরা। ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে গ্রাহকদের মাঝে। উপজেলা বণিক সমিতির সহসভাপতি আব্দুল হকের অভিযোগ, ২০১০ সালের প্রথম দিকে তিনি স্ত্রী মাকসুদা বেগমের নামে ৫৬১৬৭ নাম্বারের বিটিসিএলের একটি টেলিফোন সংযোগ নেন। সংযোগ নেওয়ার পর বিভিন্ন সমস্যার কারণে উপজেলা সদরের সবুজবাগ এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হক ওই বছরের ২ মে পর্যন্ত পাওনা বিল পরিশোধ করে বিচ্ছিন্ন করে দেন। যার ছাড়পত্র তার কাছে আছে। আব্দুল হকের অভিযোগ, দীর্ঘ বছর সংযোগ ও টেলিফোন না থাকার পরও পটুয়াখালী বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ ২০১০ সালের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ১৩ হাজার ১৮২ টাকা পরিশোধের জন্য ডাকযোগে একটি ভূতুড়ে বিল পাঠিয়ে দেন। এতে বিপাকে পড়ে যান আব্দুল হক। একই অভিযোগ করেছেন উপজেলা সদরের বাসিন্দা রমিজ মোল্লা ও বশির। তারা জানান, টেলিফোন সংযোগ না থাকার পরও হঠাৎ দীর্ঘ বছর পর পটুয়াখালী বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ চলতি বছর পর্যন্ত পাওনা দেখিয়ে হাজার হাজার টাকা টেলিফোন বিল ডাকযোগে পাঠিয়ে পরিশোধ করতে বলছেন। অথচ আমাদের সংযোগ দীর্ঘ বছর ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এ বিষয় পটুয়াখালী বিটিসিএলের প্রশাসনিক সহকারী রফিকুল ইসলাম জানান, যারা বিল পরিশোধ করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ছাড়পত্র নিয়েছেন তারা আবেদন করলে আর বিল পরিশোধ করতে হবে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন