জরাজীর্ণ সেতুতে উঠতে হয় ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো বেয়ে
jugantor
জরাজীর্ণ সেতুতে উঠতে হয় ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো বেয়ে
মেঘনায় দুই ইউনিয়নবাসীর দুর্ভোগ

  মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

২৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার গবিন্দপুর ও ভাওরখোলা ২টি ইউনিয়নের সংযোগস্থলে জরাজীর্ণ সেতুটিতে উঠতে হয় ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো বেয়ে।

এ কারণে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে স্কুলগামী শিশু শিক্ষার্থীসহ এলাকার হাজারো মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কাঁঠালিয়া আলিপুর নদী হয়ে মহেশখোলা রামগরে প্রবাহিত খিরাচক খালে অবস্থিত ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটির একপাশে বাঁশের সাঁকো।

গোবিন্দপুর ও ভাওরখোলা ইউনিয়নের খিরাচক খালের উপর জরাজীর্ণ পাকাব্রিজটি ভাঙ্গা পিলার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সেতুর সঙ্গে লাগানো রয়েছে লম্বা বাশের সাঁকো।

সংযোগস্থলের দুপাশে গোবিন্দপুরের সেননগর বাজার ও ভাওরখোলার খিরারচক হাট বাজার। এলাকাবাসী জানান, প্রতিদিন এ পথ দিয়ে গবিন্দপুর ইউনিয়নের, দরিকান্দি, মির্জানগর, মহেশখোলা, করিমাবাদ, আলিপুর, হিজলতলী, ভাওরখোলা ইউনিয়নের, নোয়াগাঁওসহ ১৫টি গ্রামের ২০ হাজার নারী-পুরুষের যাতায়াত।

স্কুল-কলেজে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের আসা-যাওয়ায় দুর্ভোগের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সময় মতো উপস্থিত হতে পারে না। সাঁকো দিয়ে চলাচলের সময় গর্ভবতী নারী সাঁকো থেকে পানিতে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

অর্ধেক বাঁশের সাঁকো অর্ধেক পাকাব্রিজের অভিনব দৃশ্যের কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে এলাকার প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ীদের বালুবাহী বাল্কহেড আনানেওয়ার সুবিধা করতে গিয়ে রাস্তাকেটে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছিল।

গত আগষ্টে বালুবাহী বাল্কহেড আনানেওয়ার সুবিধা করতে পাকাব্রিজ ভাঙা শুরু করলে স্থানীয় সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে পিছুহটে প্রভাবশালীরা।

সাঁকো ও সেতুটির কারণে ১২ কিলোমিটার ঘুরে ওই সেননগর বাজারে আসতে হয়। অথচ কদমতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে সড়ক পথে মাত্র ১ কিলোমিটারের দূরে বাজারটির অবস্থান।

এ ব্যাপারে মেঘনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ মিয়া রতন শিকদার যুগান্তরকে বলেন, উপজেলার খিরারচর ব্রিজটি নির্মাণের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে আশা করি খুব শিগগিরই সেতুটির মেরামত কাজ শুরু করা যাবে।

জরাজীর্ণ সেতুতে উঠতে হয় ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো বেয়ে

মেঘনায় দুই ইউনিয়নবাসীর দুর্ভোগ
 মেঘনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
২৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার গবিন্দপুর ও ভাওরখোলা ২টি ইউনিয়নের সংযোগস্থলে জরাজীর্ণ সেতুটিতে উঠতে হয় ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো বেয়ে।

এ কারণে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে স্কুলগামী শিশু শিক্ষার্থীসহ এলাকার হাজারো মানুষকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কাঁঠালিয়া আলিপুর নদী হয়ে মহেশখোলা রামগরে প্রবাহিত খিরাচক খালে অবস্থিত ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটির একপাশে বাঁশের সাঁকো।

গোবিন্দপুর ও ভাওরখোলা ইউনিয়নের খিরাচক খালের উপর জরাজীর্ণ পাকাব্রিজটি ভাঙ্গা পিলার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সেতুর সঙ্গে লাগানো রয়েছে লম্বা বাশের সাঁকো।

সংযোগস্থলের দুপাশে গোবিন্দপুরের সেননগর বাজার ও ভাওরখোলার খিরারচক হাট বাজার। এলাকাবাসী জানান, প্রতিদিন এ পথ দিয়ে গবিন্দপুর ইউনিয়নের, দরিকান্দি, মির্জানগর, মহেশখোলা, করিমাবাদ, আলিপুর, হিজলতলী, ভাওরখোলা ইউনিয়নের, নোয়াগাঁওসহ ১৫টি গ্রামের ২০ হাজার নারী-পুরুষের যাতায়াত।

স্কুল-কলেজে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের আসা-যাওয়ায় দুর্ভোগের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সময় মতো উপস্থিত হতে পারে না। সাঁকো দিয়ে চলাচলের সময় গর্ভবতী নারী সাঁকো থেকে পানিতে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

অর্ধেক বাঁশের সাঁকো অর্ধেক পাকাব্রিজের অভিনব দৃশ্যের কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে এলাকার প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ীদের বালুবাহী বাল্কহেড আনানেওয়ার সুবিধা করতে গিয়ে রাস্তাকেটে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছিল।

গত আগষ্টে বালুবাহী বাল্কহেড আনানেওয়ার সুবিধা করতে পাকাব্রিজ ভাঙা শুরু করলে স্থানীয় সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে পিছুহটে প্রভাবশালীরা।

সাঁকো ও সেতুটির কারণে ১২ কিলোমিটার ঘুরে ওই সেননগর বাজারে আসতে হয়। অথচ কদমতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে সড়ক পথে মাত্র ১ কিলোমিটারের দূরে বাজারটির অবস্থান।

এ ব্যাপারে মেঘনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ মিয়া রতন শিকদার যুগান্তরকে বলেন, উপজেলার খিরারচর ব্রিজটি নির্মাণের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে আশা করি খুব শিগগিরই সেতুটির মেরামত কাজ শুরু করা যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন