বাঘায় পদ্মার পেটে পাকা সড়ক হুমকিতে স্কুল
jugantor
বাঘায় পদ্মার পেটে পাকা সড়ক হুমকিতে স্কুল

  বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি  

২৯ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাঘার চরাঞ্চলে পদ্মা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে পাকা সড়ক। এছাড়া চকরাজাপুর প্রাইমারি স্কুলটি রয়েছে ভাঙনের হুমকির মুখে। চরবাসী ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে চরের মধ্যে বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। জানা যায়, বাঘা উপজেলার পদ্মার চরের মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের আজিজুল চেয়ারম্যানের আগের বাড়ি থেকে কালিদাসখালীর বাবলু শিকদারের বাড়ি পর্যন্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরয়িার আলম এমপির বিশেষ ব্যবস্থাপনায় এলজিইডির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ২০১৪-১৫ র্অথবছরে প্রায় ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে এক কিলোমিটার পাকা সড়ক নির্মাণ করা হয়েছিল। ভাঙনে সড়কটি সম্পূর্ণরূপে পদ্মা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের ১৫টি চরে প্রায় ২০ হাজার মানুষের বসবাস। ইতিমধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতায় পদ্মার মধ্যে ছয়টি চরে দুই হাজার ৪৮৬ জন গ্রাহকের জন্য ৫৪ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভাঙনের কারনে শতাধিক বিদ্যুতের খুটি উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। পদ্মায় বাঁধ না দিলে দুএক বছররে মধ্যে ১৫টি চর বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকটি স্কুল, মসজিদ, হাজার হাজার একর আমবাগান, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ বিষয়ে বাঘা উপজলো প্রকৌশলী রতন কুমার ফৌজদার বলেন, পদ্মার মধ্যে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

বাঘায় পদ্মার পেটে পাকা সড়ক হুমকিতে স্কুল

 বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি 
২৯ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাঘার চরাঞ্চলে পদ্মা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে পাকা সড়ক। এছাড়া চকরাজাপুর প্রাইমারি স্কুলটি রয়েছে ভাঙনের হুমকির মুখে। চরবাসী ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে চরের মধ্যে বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। জানা যায়, বাঘা উপজেলার পদ্মার চরের মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের আজিজুল চেয়ারম্যানের আগের বাড়ি থেকে কালিদাসখালীর বাবলু শিকদারের বাড়ি পর্যন্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরয়িার আলম এমপির বিশেষ ব্যবস্থাপনায় এলজিইডির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ২০১৪-১৫ র্অথবছরে প্রায় ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে এক কিলোমিটার পাকা সড়ক নির্মাণ করা হয়েছিল। ভাঙনে সড়কটি সম্পূর্ণরূপে পদ্মা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের ১৫টি চরে প্রায় ২০ হাজার মানুষের বসবাস। ইতিমধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতায় পদ্মার মধ্যে ছয়টি চরে দুই হাজার ৪৮৬ জন গ্রাহকের জন্য ৫৪ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভাঙনের কারনে শতাধিক বিদ্যুতের খুটি উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। পদ্মায় বাঁধ না দিলে দুএক বছররে মধ্যে ১৫টি চর বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকটি স্কুল, মসজিদ, হাজার হাজার একর আমবাগান, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ বিষয়ে বাঘা উপজলো প্রকৌশলী রতন কুমার ফৌজদার বলেন, পদ্মার মধ্যে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন