মোহনগঞ্জ হাসপাতালে শিশুর সঙ্গে অমানবিক আচরণের অভিযোগ
jugantor
মোহনগঞ্জ হাসপাতালে শিশুর সঙ্গে অমানবিক আচরণের অভিযোগ

  মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

২৭ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মোহনগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নেবুলাইজ দিতে গিয়ে অমানবিক ও নিষ্ঠুর আচরণের শিকার হয়েছে এক শিশু। জন্ম থেকেই শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশু সানিয়ার প্রতি দয়া-মায়াহীনভাবে ধমক দিয়ে জরুরি বিভাগ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বনগাঁও (ফকিরবাড়ী) গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী হারুন চৌধুরী জানান, তার মেয়ে সানিয়া (১১) জন্ম থেকেই শ্বাসকষ্টে ভুগছে। ভালো ডাক্তার দেখানোর জন্য শুক্রবার শিশু সানিয়াকে সঙ্গে নিয়ে তিনি মোহনগঞ্জ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। তখন জরুরি বিভাগের ডিউটিরতদের কথায় নেবুলাইজ করার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ দোকান থেকে কিনে আনেন। পরে জরুরি বিভাগ থেকে বলা হয় প্রাইভেট রোগীর চিকিৎসা এখানে হবে না। এখানে নেবুলাইজ হবে না বলে তীব্র শ্বাসকষ্টে থাকা শিশু সানিয়াসহ তার বাবা-মাকে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে তিনি কোনো উপায়ন্তর না দেখে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে গিয়ে শিশুটিকে নেবুলাইজ দেন। ভুক্তভোগী হারুন চৌধুরী জানান, আমি ২৩ কিলোমিটার দূর থেকে এসে সরকারি হাসপাতালে নেবুলাইজ দিতে পারলাম না।

মোহনগঞ্জ হাসপাতালে শিশুর সঙ্গে অমানবিক আচরণের অভিযোগ

 মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
২৭ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মোহনগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে নেবুলাইজ দিতে গিয়ে অমানবিক ও নিষ্ঠুর আচরণের শিকার হয়েছে এক শিশু। জন্ম থেকেই শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশু সানিয়ার প্রতি দয়া-মায়াহীনভাবে ধমক দিয়ে জরুরি বিভাগ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বনগাঁও (ফকিরবাড়ী) গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী হারুন চৌধুরী জানান, তার মেয়ে সানিয়া (১১) জন্ম থেকেই শ্বাসকষ্টে ভুগছে। ভালো ডাক্তার দেখানোর জন্য শুক্রবার শিশু সানিয়াকে সঙ্গে নিয়ে তিনি মোহনগঞ্জ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। তখন জরুরি বিভাগের ডিউটিরতদের কথায় নেবুলাইজ করার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ দোকান থেকে কিনে আনেন। পরে জরুরি বিভাগ থেকে বলা হয় প্রাইভেট রোগীর চিকিৎসা এখানে হবে না। এখানে নেবুলাইজ হবে না বলে তীব্র শ্বাসকষ্টে থাকা শিশু সানিয়াসহ তার বাবা-মাকে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে তিনি কোনো উপায়ন্তর না দেখে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে গিয়ে শিশুটিকে নেবুলাইজ দেন। ভুক্তভোগী হারুন চৌধুরী জানান, আমি ২৩ কিলোমিটার দূর থেকে এসে সরকারি হাসপাতালে নেবুলাইজ দিতে পারলাম না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন