শরীয়তপুরে সার-বীজ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ
jugantor
শরীয়তপুরে সার-বীজ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

  শরীয়তপুর প্রতিনিধি  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নতমানের ধান, গম ও পাটের বীজ উৎপাদন ও বিপণন প্রকল্পে সার-বীজ বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে কৃষকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার বলছেন টিএসপি সারের মূল্য বেশি থাকায় কিছুটা সমন্বয় করা হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়নি। জানা যায়, শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলার আংগারিয়া, চন্দ্রপুর, চিকন্দী, ডোমসার, রুদ্রকরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নত মানের ধান, গম ও পাটের বীজ উৎপাদন ও বিপণন প্রকল্পে সুবিধাভোগী ৪৬৫ কৃষকের মাঝে বিভিন্ন প্রদর্শনীতে সার ও বীজ বিতরণের কথা রয়েছে। সেখানে গমের প্রদর্শনীতে প্রতি সুবিধাভোগী কৃষকের মাঝে ইউরিয়া ৪০০ কেজি, পটাশ ২০০ কেজি, ডিএপি ২৮০ কেজি, জিপসাম ১৮০ কেজি, বরন ১২ কেজিসহ বিভিন্ন সার, বীজ ও কীটনাশক বিতরণ করার কথা। সেখানে ইউরিয়া ৪০০ কেজির স্থলে দেওয়া হচ্ছে ৩০০ কেজি, দাম বৃদ্ধির অজুহাতে পটাশ ২০০ কেজির স্থলে দেওয়া হচ্ছে ১২৫ কেজি। ডিএপি ২৮০ কেজির স্থলে দেওয়া হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ কেজি, জিপসাম ১৮০ কেজির স্থলে দেওয়া হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০। প্রায় প্রতিটি প্রদর্শনীতে সার ও বীজ পরিমাণে কম দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিটি প্রদর্শনীতে ১০ জন পুরুষ কৃষক ও ৫ জন নারী কৃষক এ সুবিধা পাওয়ার কথা। তাদের উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণ করে উচ্চ ফলনশীল বীজ হিসাবে বিক্রি করার কথা। সার-বীজ কম সরবরাহের কারণে উৎপাদন চরমভাবে ব্যাহত হতে পারে। চন্দ্রপুর ইউনিয়নের বাহের চন্দ্রপুর এলাকার গম চাষী মাসুদ বেপারি বলেন, আমাদের ইউরিয়া, টিএসপিসহ সব ধরনের সার পরিমাণে ১০০ কেজি থেকে বিভিন্ন পরিমানে কম দেওয়া হয়েছে। এখানে আমাদের ফসল উৎপাদনে ব্যাহত হতে পারে। চিকন্দী ইউনিয়নের বগাদী এলাকার গম চাষী কামাল হোসেন বলেন, আমাদের টিএসপি সার কম দেওয়া হয়েছে ২০০ কেজির স্থলে ১২৫ কেজি। আর পটাশ, জিপসামসহ অন্যান্য কিছু কম দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের কাগজ না দেখিয়ে সই নেওয়া হয়েছে।

শরীয়তপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার বলেন, যেখানে টিএসপি সারের বাজেট ২৫ কেজির প্রতি বস্তা ৮০০ টাকা। সেখানে কিনতে হয়েছে ৯৫০ থেকে ৯৭০ টাকায়। বাজারে সারের মূল্য বেশি থাকায় সেখানে পরিমাণে কিছুটা কম-বেশি করে সমন্বয় করা হয়েছে। এ ছাড়া কোনো অনিয়ম করা হয়নি।

শরীয়তপুরে সার-বীজ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

 শরীয়তপুর প্রতিনিধি 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নতমানের ধান, গম ও পাটের বীজ উৎপাদন ও বিপণন প্রকল্পে সার-বীজ বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে কৃষকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার বলছেন টিএসপি সারের মূল্য বেশি থাকায় কিছুটা সমন্বয় করা হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়নি। জানা যায়, শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলার আংগারিয়া, চন্দ্রপুর, চিকন্দী, ডোমসার, রুদ্রকরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নত মানের ধান, গম ও পাটের বীজ উৎপাদন ও বিপণন প্রকল্পে সুবিধাভোগী ৪৬৫ কৃষকের মাঝে বিভিন্ন প্রদর্শনীতে সার ও বীজ বিতরণের কথা রয়েছে। সেখানে গমের প্রদর্শনীতে প্রতি সুবিধাভোগী কৃষকের মাঝে ইউরিয়া ৪০০ কেজি, পটাশ ২০০ কেজি, ডিএপি ২৮০ কেজি, জিপসাম ১৮০ কেজি, বরন ১২ কেজিসহ বিভিন্ন সার, বীজ ও কীটনাশক বিতরণ করার কথা। সেখানে ইউরিয়া ৪০০ কেজির স্থলে দেওয়া হচ্ছে ৩০০ কেজি, দাম বৃদ্ধির অজুহাতে পটাশ ২০০ কেজির স্থলে দেওয়া হচ্ছে ১২৫ কেজি। ডিএপি ২৮০ কেজির স্থলে দেওয়া হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ কেজি, জিপসাম ১৮০ কেজির স্থলে দেওয়া হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০। প্রায় প্রতিটি প্রদর্শনীতে সার ও বীজ পরিমাণে কম দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিটি প্রদর্শনীতে ১০ জন পুরুষ কৃষক ও ৫ জন নারী কৃষক এ সুবিধা পাওয়ার কথা। তাদের উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণ করে উচ্চ ফলনশীল বীজ হিসাবে বিক্রি করার কথা। সার-বীজ কম সরবরাহের কারণে উৎপাদন চরমভাবে ব্যাহত হতে পারে। চন্দ্রপুর ইউনিয়নের বাহের চন্দ্রপুর এলাকার গম চাষী মাসুদ বেপারি বলেন, আমাদের ইউরিয়া, টিএসপিসহ সব ধরনের সার পরিমাণে ১০০ কেজি থেকে বিভিন্ন পরিমানে কম দেওয়া হয়েছে। এখানে আমাদের ফসল উৎপাদনে ব্যাহত হতে পারে। চিকন্দী ইউনিয়নের বগাদী এলাকার গম চাষী কামাল হোসেন বলেন, আমাদের টিএসপি সার কম দেওয়া হয়েছে ২০০ কেজির স্থলে ১২৫ কেজি। আর পটাশ, জিপসামসহ অন্যান্য কিছু কম দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের কাগজ না দেখিয়ে সই নেওয়া হয়েছে।

শরীয়তপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার বলেন, যেখানে টিএসপি সারের বাজেট ২৫ কেজির প্রতি বস্তা ৮০০ টাকা। সেখানে কিনতে হয়েছে ৯৫০ থেকে ৯৭০ টাকায়। বাজারে সারের মূল্য বেশি থাকায় সেখানে পরিমাণে কিছুটা কম-বেশি করে সমন্বয় করা হয়েছে। এ ছাড়া কোনো অনিয়ম করা হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন