আগৈলঝাড়ায় স্ত্রীর আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় স্বামী গ্রেফতার
jugantor
আগৈলঝাড়ায় স্ত্রীর আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় স্বামী গ্রেফতার

  আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি  

০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগৈলঝাড়ায় স্বামীর প্ররোচনায় মঙ্গলবার রাতে দুই সন্তানের জননীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী রনি সিকদার ওরফে ফিরোজকে ওই রাতেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতকে বুধবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। থানা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বারপাইক গ্রামের এনায়েত শাহ’র মেয়ে মারজানের (২৪) সঙ্গে গত পাঁচবছর আগে ঝালকাঠি সদর থানার কিস্তিকাঠী গ্রামের মন্নান সিকদারের ছেলে রনি ওরফে ফিরোজ সিকদারের (৩২) বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের আড়াই বছর ও আট মাসের মেয়ে ও ছেলে রয়েছে। সম্প্রতি মারজান জানতে পারে, ফিরোজের পূর্বেও বিয়ে রয়েছে। পূর্বে বিয়ের বিষয়টি নিয়ে কথা বললে প্রায়ই ফিরোজ মারজানকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় মারজান ২১ নভেম্বর স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি চলে আসে। ফিরোজ শ্বশুরবাড়িতে এলে মঙ্গলবার রাতেও মারজান ও ফিরোজের মধ্যে তুমুল ঝগড়ার জের ধরে মারজানকে আত্মহত্যার প্ররোচনায় উৎসাহ দিলে গভীর রাতে মারজান ঘরের আড়ার সঙ্গে গলার ওড়না দিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। স্বজনরা ঝুলন্ত অবস্থায় মারজানের লাশ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই অভিযুক্ত ফিরোজকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় বুধবার সকালে এনায়েত শাহ বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই মামলায় ফিরোজকে গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার সকালে আদালতে প্রেরণ করেছে। মারজানের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

আগৈলঝাড়ায় স্ত্রীর আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় স্বামী গ্রেফতার

 আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি 
০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগৈলঝাড়ায় স্বামীর প্ররোচনায় মঙ্গলবার রাতে দুই সন্তানের জননীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী রনি সিকদার ওরফে ফিরোজকে ওই রাতেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতকে বুধবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। থানা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বারপাইক গ্রামের এনায়েত শাহ’র মেয়ে মারজানের (২৪) সঙ্গে গত পাঁচবছর আগে ঝালকাঠি সদর থানার কিস্তিকাঠী গ্রামের মন্নান সিকদারের ছেলে রনি ওরফে ফিরোজ সিকদারের (৩২) বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের আড়াই বছর ও আট মাসের মেয়ে ও ছেলে রয়েছে। সম্প্রতি মারজান জানতে পারে, ফিরোজের পূর্বেও বিয়ে রয়েছে। পূর্বে বিয়ের বিষয়টি নিয়ে কথা বললে প্রায়ই ফিরোজ মারজানকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় মারজান ২১ নভেম্বর স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি চলে আসে। ফিরোজ শ্বশুরবাড়িতে এলে মঙ্গলবার রাতেও মারজান ও ফিরোজের মধ্যে তুমুল ঝগড়ার জের ধরে মারজানকে আত্মহত্যার প্ররোচনায় উৎসাহ দিলে গভীর রাতে মারজান ঘরের আড়ার সঙ্গে গলার ওড়না দিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। স্বজনরা ঝুলন্ত অবস্থায় মারজানের লাশ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই অভিযুক্ত ফিরোজকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় বুধবার সকালে এনায়েত শাহ বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই মামলায় ফিরোজকে গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার সকালে আদালতে প্রেরণ করেছে। মারজানের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন