ভুয়া ভাউচারে অর্থ আত্মসাৎ
jugantor
শিবচরে করোনাকালীন বরাদ্দ
ভুয়া ভাউচারে অর্থ আত্মসাৎ

  একেএম নাসিরুল হক, শিবচর (মাদারীপুর)  

০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশব্যাপী কোভিড-১৯ প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম চলাকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক প্রণীত মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নামে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক (টিকাদান কেন্দ্রভিত্তিক) বরাদ্দকৃত অর্থ ভুয়া বিল-ভাউচারে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তিনি করোনাকালীন শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনুকূলে ২৮ লাখ ১৬ হাজার ১৬০ টাকা বরাদ্দ হলেও সে অর্থপ্রাপ্তির কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। এমনকি করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজেও জানেন না করোনাকালীন সময়ে কোন খাত থেকে কি পরিমাণ সরকারি অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের কর্মচারীরা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন তারা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও কর্মচারীরা জানান, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ করোনাকালীন বরাদ্দকৃত ২৮ লাখ ১৬ হাজার ১৬০ টাকা অন্য কাউকে না জানিয়ে ভুয়া বিল-ভাউচারে উত্তোলন করে নিজে আত্মসাৎ করেছেন। জানা গেছে, যেহেতু দেশব্যাপী কোভিড-১৯ প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় টিকাদান কার্যক্রম চলমান। সেজন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক প্রণীত বিভাজন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক (টিকাদান কেন্দ্রভিত্তিক) বিভিন্ন উপখাতে ওই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কোভিড-১৯ প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রস্তাবে চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাজেটে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় তহবিল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালন কোডে পাঁচটি অর্থনৈতিক খাতভিত্তিক দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনুকূলে সরাসরি অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। এ খাতগুলো হলো-আপ্যায়ন, পরিবহণ, ভ্রমণ, স্বাস্থ্য বিধান সামগ্রী ও সম্মানী ভাতা। করোনাকালীন শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনুকূলে ২৮ লাখ ১৬ হাজার ১৬০ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। কিন্তু বরাদ্দকৃত ওই অর্থ শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ অন্য কাউকে অবহিত করেননি। উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে ভুয়া বিল-ভাউচার জমা দিয়ে বরাদ্দকৃত ওই টাকা তিনি উত্তোলন করেন। গত জুন মাসের শেষ সপ্তাহে সোনালী ব্যাংক শিবচর শাখা থেকে তিনি ওই টাকা উত্তোলন করেন। ওই টাকার হিসাব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো বিল রেজিস্টার বা ক্যাশ বইয়ে লিপিবদ্ধ করা হয়নি বলে জানা গেছে। এমনকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মিঠুন বিশ্বাসসহ অন্য কোনো চিকিৎসক বা কর্মচারী কেউই জানেন না। অভিযোগ ঊঠেছে, প্রায় সমুদয় টাকা তিনি নিজে বিভিন্ন খাতে খরচ দেখিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। পরে তিনি ওই টাকা তার নিজের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে জমা রাখেন। তবে এ পর্যন্ত ওই টাকার কোনো সন্ধান করতে পারেননি হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীরা। এছাড়া গত জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে শিবচর উপজেলার ৪১টি কমিউনিটি ক্লিনিকের পরিচালনা কমিটি ও সাপোর্ট কমিটির নামে সিএইচসিপি এবং ২৮৫ জন মাল্টিপারপাস হেলথ ভলান্টিয়ার (এমএইচভি) ও অন্য কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ বাবদ দুই দফায় ১৬ লাখ ৭৫ হাজার ৭২ টাকা বরাদ্দ আসে। বরাদ্দ পাওয়ার পরদিন ওই টাকার মধ্য থেকে ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা উত্তোলন করেন ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। উপজেলার ৪১টি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ না দিয়ে মাত্র ছয়টি কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মচারী এবং এমএইচভি, সিইচসিপি ও স্বাস্থ্য সহকারীসহ মোট ৫৩০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তাদের প্রত্যেককে ৫০০ টাকা করে প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হয়। ওই খাত থেকে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ ১২ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিবচর উপজেলার করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য জাতীয় সংসদের চিপ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী এমপি দক্ষিণ বহেরাতলার নবনির্মিত আবুল কাসেম উকিল মা ও শিশু চিকিৎসা কেন্দ্রকে নির্বাচিত করেন। সেখানে চিপ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী এমপি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রায় ১১ লক্ষাধিক টাকার মেশিনারিজ ও ওষুধ প্রদান করেন। এ অর্থ ও যন্ত্রপাতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্টারে তোলা হয়েছে বলে ডা. শশাংক চন্দ্র ঘোষ জানান। এছাড়া যেহেতু দক্ষিণ বহেরাতলার নবনির্মিত আবুল কাসেম উকিল মা ও শিশু চিকিৎসা কেন্দ্রটি করোনা রোগীর চিকিৎসা দেওয়া দেয়। তাই সরকারিভাবে তিন লাখ টাকা করে দুবারে ছয় লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। ওই টাকারও কোনো হদিস মেলেনি। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালন কোডে পাঁচটি অর্থনৈতিক খাতভিত্তিক টাকা বরাদ্দের কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, সরকার প্রথমে করোনা রোগীদের জন্য প্রণোদনা ঘোষণা করেছিল ঠিকই, এটা সবাই জানেন। কিন্তু প্রণোদনার কথা বলা হলেও প্রণোদনা বাবদ কোনো অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। তবে দুবারে দক্ষিণ বহেরাতলার নবনির্মিত আবুল কাসেম উকিল মা ও শিশু চিকিৎসা কেন্দ্রের নামে ছয় লাখ টাকা টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন বলে তিনি স্বীকার করেন।

শিবচরে করোনাকালীন বরাদ্দ

ভুয়া ভাউচারে অর্থ আত্মসাৎ

 একেএম নাসিরুল হক, শিবচর (মাদারীপুর) 
০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশব্যাপী কোভিড-১৯ প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম চলাকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক প্রণীত মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নামে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক (টিকাদান কেন্দ্রভিত্তিক) বরাদ্দকৃত অর্থ ভুয়া বিল-ভাউচারে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তিনি করোনাকালীন শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনুকূলে ২৮ লাখ ১৬ হাজার ১৬০ টাকা বরাদ্দ হলেও সে অর্থপ্রাপ্তির কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। এমনকি করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজেও জানেন না করোনাকালীন সময়ে কোন খাত থেকে কি পরিমাণ সরকারি অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের কর্মচারীরা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন তারা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও কর্মচারীরা জানান, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ করোনাকালীন বরাদ্দকৃত ২৮ লাখ ১৬ হাজার ১৬০ টাকা অন্য কাউকে না জানিয়ে ভুয়া বিল-ভাউচারে উত্তোলন করে নিজে আত্মসাৎ করেছেন। জানা গেছে, যেহেতু দেশব্যাপী কোভিড-১৯ প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় টিকাদান কার্যক্রম চলমান। সেজন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক প্রণীত বিভাজন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক (টিকাদান কেন্দ্রভিত্তিক) বিভিন্ন উপখাতে ওই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কোভিড-১৯ প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রস্তাবে চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাজেটে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় তহবিল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালন কোডে পাঁচটি অর্থনৈতিক খাতভিত্তিক দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনুকূলে সরাসরি অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। এ খাতগুলো হলো-আপ্যায়ন, পরিবহণ, ভ্রমণ, স্বাস্থ্য বিধান সামগ্রী ও সম্মানী ভাতা। করোনাকালীন শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনুকূলে ২৮ লাখ ১৬ হাজার ১৬০ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। কিন্তু বরাদ্দকৃত ওই অর্থ শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ অন্য কাউকে অবহিত করেননি। উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে ভুয়া বিল-ভাউচার জমা দিয়ে বরাদ্দকৃত ওই টাকা তিনি উত্তোলন করেন। গত জুন মাসের শেষ সপ্তাহে সোনালী ব্যাংক শিবচর শাখা থেকে তিনি ওই টাকা উত্তোলন করেন। ওই টাকার হিসাব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো বিল রেজিস্টার বা ক্যাশ বইয়ে লিপিবদ্ধ করা হয়নি বলে জানা গেছে। এমনকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মিঠুন বিশ্বাসসহ অন্য কোনো চিকিৎসক বা কর্মচারী কেউই জানেন না। অভিযোগ ঊঠেছে, প্রায় সমুদয় টাকা তিনি নিজে বিভিন্ন খাতে খরচ দেখিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। পরে তিনি ওই টাকা তার নিজের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে জমা রাখেন। তবে এ পর্যন্ত ওই টাকার কোনো সন্ধান করতে পারেননি হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীরা। এছাড়া গত জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে শিবচর উপজেলার ৪১টি কমিউনিটি ক্লিনিকের পরিচালনা কমিটি ও সাপোর্ট কমিটির নামে সিএইচসিপি এবং ২৮৫ জন মাল্টিপারপাস হেলথ ভলান্টিয়ার (এমএইচভি) ও অন্য কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ বাবদ দুই দফায় ১৬ লাখ ৭৫ হাজার ৭২ টাকা বরাদ্দ আসে। বরাদ্দ পাওয়ার পরদিন ওই টাকার মধ্য থেকে ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা উত্তোলন করেন ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। উপজেলার ৪১টি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ না দিয়ে মাত্র ছয়টি কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মচারী এবং এমএইচভি, সিইচসিপি ও স্বাস্থ্য সহকারীসহ মোট ৫৩০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তাদের প্রত্যেককে ৫০০ টাকা করে প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হয়। ওই খাত থেকে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ ১২ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিবচর উপজেলার করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য জাতীয় সংসদের চিপ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী এমপি দক্ষিণ বহেরাতলার নবনির্মিত আবুল কাসেম উকিল মা ও শিশু চিকিৎসা কেন্দ্রকে নির্বাচিত করেন। সেখানে চিপ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী এমপি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রায় ১১ লক্ষাধিক টাকার মেশিনারিজ ও ওষুধ প্রদান করেন। এ অর্থ ও যন্ত্রপাতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্টারে তোলা হয়েছে বলে ডা. শশাংক চন্দ্র ঘোষ জানান। এছাড়া যেহেতু দক্ষিণ বহেরাতলার নবনির্মিত আবুল কাসেম উকিল মা ও শিশু চিকিৎসা কেন্দ্রটি করোনা রোগীর চিকিৎসা দেওয়া দেয়। তাই সরকারিভাবে তিন লাখ টাকা করে দুবারে ছয় লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। ওই টাকারও কোনো হদিস মেলেনি। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালন কোডে পাঁচটি অর্থনৈতিক খাতভিত্তিক টাকা বরাদ্দের কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, সরকার প্রথমে করোনা রোগীদের জন্য প্রণোদনা ঘোষণা করেছিল ঠিকই, এটা সবাই জানেন। কিন্তু প্রণোদনার কথা বলা হলেও প্রণোদনা বাবদ কোনো অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। তবে দুবারে দক্ষিণ বহেরাতলার নবনির্মিত আবুল কাসেম উকিল মা ও শিশু চিকিৎসা কেন্দ্রের নামে ছয় লাখ টাকা টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন বলে তিনি স্বীকার করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন