স্বামী ও ৩ সহোদরের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড
jugantor
শেরপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীর কব্জি বিচ্ছিন্ন
স্বামী ও ৩ সহোদরের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

  শেরপুর প্রতিনিধি  

০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শেরপুর সদর উপজেলার বাদাতেঘুরিয়া গ্রামের প্রান্তিক কৃষক মৃত চান মিয়ার মেয়ে কুলসুম বেগমকে যৌতুকের জন্য হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন করার দায়ে স্বামী লিটন মিয়া ও ৩ ভাইসহ ৪ সহোদরের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ডসহ ক্ষতিপূরণের আদেশ হয়েছে। মামলার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একজন আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান আসামিদের উপস্থিতিতে ওই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গুরুতর জখমের দায়ে গৃহকর্তা লিটন মিয়াকে ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ভিকটিমকে ১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। এছাড়া নির্যাতনে সহায়তা ও আঘাতের দায়ে লিটন মিয়ার সহোদর ৩ ভাই-রিপন মিয়া, উজ্জল মিয়া ও নুর ইসলামকে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য আদেশ দেওয়া হয়। আদেশ অনুযায়ী, ক্ষতিপূরণের টাকা ভিকটিম ও তার ৩ বছরের শিশু সন্তান লুৎফা পাবে। অন্যদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় লিটন মিয়ার আত্মীয় শফিকুল ইসলামকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

শেরপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীর কব্জি বিচ্ছিন্ন

স্বামী ও ৩ সহোদরের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

 শেরপুর প্রতিনিধি 
০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শেরপুর সদর উপজেলার বাদাতেঘুরিয়া গ্রামের প্রান্তিক কৃষক মৃত চান মিয়ার মেয়ে কুলসুম বেগমকে যৌতুকের জন্য হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন করার দায়ে স্বামী লিটন মিয়া ও ৩ ভাইসহ ৪ সহোদরের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ডসহ ক্ষতিপূরণের আদেশ হয়েছে। মামলার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একজন আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান আসামিদের উপস্থিতিতে ওই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গুরুতর জখমের দায়ে গৃহকর্তা লিটন মিয়াকে ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ভিকটিমকে ১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। এছাড়া নির্যাতনে সহায়তা ও আঘাতের দায়ে লিটন মিয়ার সহোদর ৩ ভাই-রিপন মিয়া, উজ্জল মিয়া ও নুর ইসলামকে ৩ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য আদেশ দেওয়া হয়। আদেশ অনুযায়ী, ক্ষতিপূরণের টাকা ভিকটিম ও তার ৩ বছরের শিশু সন্তান লুৎফা পাবে। অন্যদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় লিটন মিয়ার আত্মীয় শফিকুল ইসলামকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন