টিউবওয়েল বিকল, হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সুপেয় পানির সংকট
jugantor
টিউবওয়েল বিকল, হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সুপেয় পানির সংকট

  হবিগঞ্জ প্রতিনিধি  

০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের ৪টির মধ্যে ৩টি টিউবওয়েলের মধ্যে ৩টিই বিকল হয়ে পড়ে আছে। সচল টিউবওয়েলটিতেও আয়রনের পরিমাণ বেশি। ফলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। রোগী ও তাদের স্বজনদের অনেককেই ট্যাংকিতে জমানো নোংরা পানি ব্যবহার করতে দেখা গেছে। আবার অনেকেই পানি কিনে নিয়ে ব্যবহার করছেন। তবে টিউবওয়েলগুলো সংস্কার করতে একাধিকবার গণপূর্ত বিভাগে লেখা হয়েছে বলে দাবি করেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আমিনুল হক সরকার।

তার মতে, হাসপাতালের ২টি টিউবওয়েল সম্পূর্ণ বিকল। এগুলো মেরামত করার জন্য গণপূর্ত বিভাগকে একাধিকবার চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও সারা মেলেনি। তিনি বলেন, হাসপাতালে প্রতিদিন রোগী থাকে কমপক্ষে ৩শ’। তাদের সঙ্গে স্বজন থাকে আরও অন্তত ২ জন করে। সে হিসেবে রোগী ও স্বজন মিলিয়ে অন্তত ৯শ’ থেকে ১ হাজার মানুষ থাকে। তাদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা ইচ্ছে করলেই আমাদের করা সম্ভব নয়। টিউবওয়েলগুলোও আমরা চাইলেই মেরামত করতে পারি না। গণপূর্ত বিভাগ এগুলো করে দেয়। তবে আশা করছি দ্রুত এগুলোর সমাধান হবে।

এ ব্যাপারে কথা বলতে গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রিপন দেব জানান, হাসপাতালের টিউবওয়েল নষ্টগুলো ইতিপূর্বে মেরামত করে দেওয়া হয়েছিল। এগুলো আবারও নষ্ট হয়ে গেছে কি-না তা খবর নিয়ে দেখছি।

হাসপাতালে আসা লাখাই উপজেলার বামৈ ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা বাদল জানান, ১৬ নভেম্বর তার ভাইকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তখন থেকেই হাসপাতালের টিউবওয়েলের পানি ব্যবহার করছেন। হাসপাতালের একটি টিউবওয়েল সচল থাকলে এর পানি অনেকটা নোংরা। বাধ্য হয়েই তা ব্যবহার করতে হচ্ছে।

জানা যায়, প্রায় ২১ লাখ জনসংখ্যার বাস এ জেলায়। এ বিপুল জনসংখ্যার চিকিৎসার একমাত্র ভরসাস্থল জেলা আধুনিক সদর হাসপাতাল। এখানে মোট ৪টি টিউবওয়েল রয়েছে। এর মধ্যে ১টি চুরি হয়ে গেছে। আরও ২টি বিকল অবস্থায় রয়েছে।

টিউবওয়েল বিকল, হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সুপেয় পানির সংকট

 হবিগঞ্জ প্রতিনিধি 
০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের ৪টির মধ্যে ৩টি টিউবওয়েলের মধ্যে ৩টিই বিকল হয়ে পড়ে আছে। সচল টিউবওয়েলটিতেও আয়রনের পরিমাণ বেশি। ফলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। রোগী ও তাদের স্বজনদের অনেককেই ট্যাংকিতে জমানো নোংরা পানি ব্যবহার করতে দেখা গেছে। আবার অনেকেই পানি কিনে নিয়ে ব্যবহার করছেন। তবে টিউবওয়েলগুলো সংস্কার করতে একাধিকবার গণপূর্ত বিভাগে লেখা হয়েছে বলে দাবি করেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ আমিনুল হক সরকার।

তার মতে, হাসপাতালের ২টি টিউবওয়েল সম্পূর্ণ বিকল। এগুলো মেরামত করার জন্য গণপূর্ত বিভাগকে একাধিকবার চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও সারা মেলেনি। তিনি বলেন, হাসপাতালে প্রতিদিন রোগী থাকে কমপক্ষে ৩শ’। তাদের সঙ্গে স্বজন থাকে আরও অন্তত ২ জন করে। সে হিসেবে রোগী ও স্বজন মিলিয়ে অন্তত ৯শ’ থেকে ১ হাজার মানুষ থাকে। তাদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা ইচ্ছে করলেই আমাদের করা সম্ভব নয়। টিউবওয়েলগুলোও আমরা চাইলেই মেরামত করতে পারি না। গণপূর্ত বিভাগ এগুলো করে দেয়। তবে আশা করছি দ্রুত এগুলোর সমাধান হবে।

এ ব্যাপারে কথা বলতে গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রিপন দেব জানান, হাসপাতালের টিউবওয়েল নষ্টগুলো ইতিপূর্বে মেরামত করে দেওয়া হয়েছিল। এগুলো আবারও নষ্ট হয়ে গেছে কি-না তা খবর নিয়ে দেখছি।

হাসপাতালে আসা লাখাই উপজেলার বামৈ ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা বাদল জানান, ১৬ নভেম্বর তার ভাইকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তখন থেকেই হাসপাতালের টিউবওয়েলের পানি ব্যবহার করছেন। হাসপাতালের একটি টিউবওয়েল সচল থাকলে এর পানি অনেকটা নোংরা। বাধ্য হয়েই তা ব্যবহার করতে হচ্ছে।

জানা যায়, প্রায় ২১ লাখ জনসংখ্যার বাস এ জেলায়। এ বিপুল জনসংখ্যার চিকিৎসার একমাত্র ভরসাস্থল জেলা আধুনিক সদর হাসপাতাল। এখানে মোট ৪টি টিউবওয়েল রয়েছে। এর মধ্যে ১টি চুরি হয়ে গেছে। আরও ২টি বিকল অবস্থায় রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন