গঙ্গাচড়ায় ঘুষ ছাড়া প্রকল্পে সুপারিশ করেন না মৎস্য কর্মকর্তা

  গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি ২১ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

গঙ্গাচড়ায় মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে দিনদিন দালালের তৎপরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দালালদের মধ্য সবচেয়ে প্রভাবশালী আফছার আলী। তিনি উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের চর শংকরদহ গ্রামের বাসিন্দা ও গজঘণ্টা ইউনিয়নের খাঁরুভাজ বিল মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি। তার মাধ্যমেই আগাম ঘুষ নিয়ে প্রকল্পের সুপারিশ করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, গঙ্গাচড়া উপজেলায় মৎস্য চাষের জন্য ১৮টি বড়পিঠ ও ১১টি বিল রয়েছে। প্রতি অর্থবছরই মৎস্য অধিদফতর এ উপজেলার ৪-৫টি বিল ও বড়পিঠের খনন ও পাড় নির্মাণের জন্য অর্থবরাদ্দ দেয়। কিন্তু আফছার আলী খনন ও পাড় নির্মাণের বরাদ্দ পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিগুলো থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ঘুষ দেয়ার জন্য আগাম ২-৩ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। তাকে টাকা না দিলে বরাদ্দ পাওয়া যায় না বলে অনেক মৎস্যজীবী সমিতির সদস্য জানান। গঙ্গাচড়ায় চলতি অর্থবছরে ৪টি বিলের খনন ও পাড় নির্মাণের কাজ চলছে। সেই প্রকল্প কমিটিগুলোর কাছ থেকে আফছার আলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের ঘুষ দেয়ার জন্য আগাম নিয়েছেন ২-৩ লাখ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খাল খনন ও পাড় নির্মাণ প্রকল্প কমিটির অনেক সদস্য বলেন, আফছারকে আগাম ২-৩ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে আমরা কাজটি পেয়েছি। আরও ৩-৪ লাখ টাকা বিভিন্ন দফতরে দিতে হবে। তাই শতভাগ কাজ আমরা করব কীভাবে। এ বিষয়ে আফছার আলীর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বদরুজ্জামান মানিক জানান, নিয়ম মাফিক প্রকল্পে সুপারিশ করা হয়। ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আফছারকে আমি একটি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি হিসেবেই চিনি। এর বাইরে কিছু জানি না।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]il.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×