বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে

নির্যাতনের অভিযোগ সত্ত্বেও চরভদ্রাসনে কনস্টেবলের পদোন্নতি

  চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি ২২ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সদর ইউনিয়নের কামারডাঙ্গী গ্রামের মেয়ে বেদেনা রাণীর সঙ্গে ২০০৪ সালে পার্শ্ববতী নগরকান্দা উপজেলার সাকরাইল গ্রামের পুলিশ সদস্য তপন কুমার মণ্ডলের বিয়ে হয়। বিয়ের পরদিন থেকে ১৪ বছর ধরে স্ত্রীকে নির্যাতন করে ভিটে ছাড়া করে রেখেছেন তিনি। সংশ্লিষ্ট পুলিশি দফতরে তার বিরুদ্ধে এমন পাহাড়সম অভিযোগের পরও পদোন্নতি পেয়ে এখন খুলনার ডুমুরিয়া থানায় এএসআই পদে চাকরি করছেন। পুলিশের স্ত্রী বেদেনা রাণী তার ওপর বর্বর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ধরে আইজিপি, ডিআইজি, সিকিউরিটি সেল, পুলিশ সদর দফতর ঢাকা, ডিআইজি রেঞ্জ চট্টগ্রাম, পুলিশ সুপার রাঙ্গামাটি, পুলিশ সুপার খুলনা, পুলিশ সুপার ফরিদপুর ও পুলিশ সুপার গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন দফতরে দফায় দফায় লিখিত অভিযোগ করেও কোনো ফল পাননি বলে সোমবার চরম হতাশা ব্যক্ত করেছেন। স্ত্রী বেদেনা রানী জানান, বিয়ের পরের দিন থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে স্বামীর ভিটে ছাড়তে বাধ্য হয়েছি। হতদরিদ্র পিতার একখণ্ড জমি বিক্রি করে যৌতুক হিসেবে নগদ সাড়ে তিন লাখ টাকা শ্বশুরের হাতে তুলে দেয়ার পরও স্বামীর সংসারে ঠাঁই পাইনি। এরপর ১৪ বছর ধরে পুলিশের বিভিন্ন দফতরে বহুবার ডিপার্টমেন্টাল মামলা করেছি এবং অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হওয়ার পরও অশুভ শক্তির ছায়ায় স্বামী তপন কুমার মণ্ডল বেঁচে যাচ্ছে। খুলনা ডুমুরিয়া থানায় কর্তব্যরত এএসআই তপন কুমার মণ্ডলকে মুঠোফেনে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, পুলিশ ডিপার্টমেন্টের এমন কোনো দফতর নেই যেখানে বেদেনা রাণী আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেনি। বেদেনা রাণী বহু চেষ্টা করেছে কিন্তু সে আমার কিছুই করতে পারেনি। আমি কনস্টেবল থেকে এএসআই হয়েছি। একদিন ওসি হব।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.