বাক্স খুলতেই পুলিশের দিকে ফণা তুলল বিষধর সাপ
jugantor
ভৈরবে গাড়িতে তল্লাশি
বাক্স খুলতেই পুলিশের দিকে ফণা তুলল বিষধর সাপ

  ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৭ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভৈরবে হাইওয়ের টহল পুলিশ মাদক থাকার সন্দেহে একটি গাড়ি তল্লাশীর জন্য থামাতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু চালক গাড়িটি না থামিয়ে দ্রুত চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ গাড়িটিকে ধাওয়া করে আটক করে। পরে পুলিশ তল্লাশি করতে গেলে গাড়িতে থাকা বাক্সের ঢালা খুলতেই পুলিশের দিকে ফণা তুলে কয়েকটি সাপ। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভৈরবের অদূরে ঢাকা-সিলেট মহসড়কের জগন্নাথপুর এলাকায়। খবর পেয়ে ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। ওসি কৌশলে সাপগুলো ঢালাই ভরে গাড়িটি থানায় নিয়ে যান। ঘটনার সময় চালক মাসুদ রানা ছাড়া গাড়িতে কেউ ছিল না। মাসুদ সাভারের আশুলিয়া এলাকার খেজুরটুকু গ্রামের খোরশেদ মিয়ার ছেলে। সাপসহ তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

খবর পেয়ে বুধবার সকালে বন অধিদপ্তরের সরীসৃপবিদ মো. সোহেল রানা ভৈরব হাইওয়ে থানায় আসেন। তিনি জানান, সাতটি সাপের মধ্য চারটি সাপ খৈয়া গোখরা এবং সাপগুলো বিষধর। এসব সাপ সাধারণত জঙ্গলে থাকে। এই সাপ কামড় দিলে সঙ্গে সঙ্গে মানুষ মারা যায়। অপর দুটি দাঁড়াশ ও একটি পদ্ম গোখরা সাপ। ভৈরব থানার ওসি মো. মোজাম্মেল হক জানান, সাপগুলো পাচারের জন্য সিলেট থেকে ঢাকা নিচ্ছিল। কারা সাপের মালিক চালক বলতে পারেননি।

ভৈরবে গাড়িতে তল্লাশি

বাক্স খুলতেই পুলিশের দিকে ফণা তুলল বিষধর সাপ

 ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৭ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভৈরবে হাইওয়ের টহল পুলিশ মাদক থাকার সন্দেহে একটি গাড়ি তল্লাশীর জন্য থামাতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু চালক গাড়িটি না থামিয়ে দ্রুত চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ গাড়িটিকে ধাওয়া করে আটক করে। পরে পুলিশ তল্লাশি করতে গেলে গাড়িতে থাকা বাক্সের ঢালা খুলতেই পুলিশের দিকে ফণা তুলে কয়েকটি সাপ। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভৈরবের অদূরে ঢাকা-সিলেট মহসড়কের জগন্নাথপুর এলাকায়। খবর পেয়ে ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। ওসি কৌশলে সাপগুলো ঢালাই ভরে গাড়িটি থানায় নিয়ে যান। ঘটনার সময় চালক মাসুদ রানা ছাড়া গাড়িতে কেউ ছিল না। মাসুদ সাভারের আশুলিয়া এলাকার খেজুরটুকু গ্রামের খোরশেদ মিয়ার ছেলে। সাপসহ তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

খবর পেয়ে বুধবার সকালে বন অধিদপ্তরের সরীসৃপবিদ মো. সোহেল রানা ভৈরব হাইওয়ে থানায় আসেন। তিনি জানান, সাতটি সাপের মধ্য চারটি সাপ খৈয়া গোখরা এবং সাপগুলো বিষধর। এসব সাপ সাধারণত জঙ্গলে থাকে। এই সাপ কামড় দিলে সঙ্গে সঙ্গে মানুষ মারা যায়। অপর দুটি দাঁড়াশ ও একটি পদ্ম গোখরা সাপ। ভৈরব থানার ওসি মো. মোজাম্মেল হক জানান, সাপগুলো পাচারের জন্য সিলেট থেকে ঢাকা নিচ্ছিল। কারা সাপের মালিক চালক বলতে পারেননি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন