টিআর-কাবিখা এলজিএসপি প্রকল্প

সুবর্ণচরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

  স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী ২২ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর ইউপি চেয়ারম্যান তরিক উল্লাহসহ পাঁচ প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গত পাঁচ বছরে সরকারি বরাদ্দের টিআর, কাবিখা, এলজিএসপি ও হতদরিদ্রের কর্মসংস্থান প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওই ইউপির সংরক্ষিত ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য নাছিমা আক্তার, সাবেক ইউপি সদস্য ছিদ্দিক উল্লাহ, জয়নাল আবেদিন, সালাহ উদ্দিন ও আবুল কালাম ইউপি চেয়ারম্যানসহ পাঁচ প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক, দুদক চেয়ারম্যান ও সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী বরববর গত বছরের ১১ অক্টোবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা দুদকের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান দফায় দফায় সরেজমিন তদন্ত করেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় তিনি ওই ইউপি চেয়ারম্যানসহ পাঁচ প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলা করতে ঢাকায় দুদক চেয়ারম্যানের কাছে প্রেরণ করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, চরজব্বর ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে স্থানীয় সরকার ২০১২-১৩ অর্থবছরে জলবায়ুর ৯৬ লাখ টাকা, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে একই প্রকল্পে ৯২ লাখ টাকা, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এলজিএসপির ৪৭ লাখ টাকা, ২০১৩ সালে হতদরিদ্রদের ১০০ দিনের কর্মসংস্থানের ২২ লাখ টাকা, ২০১৬ সালের ৩০ জুন বিজিবির ৩০ টন চাল বিক্রি, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কাবিখার ৫০ টন গম ও টিআরের ৩০ টন চালের বিপরীতে নামমাত্র কাজ করে ইউপি চেয়ারম্যানসহ পাঁচ প্রকল্প কর্মকর্তারা আত্মসাৎ করেন। একই সময় চেয়ারম্যানসহ ওই ৫ কর্মকর্তা আবুল হোসেন সরকারের মসজিদে সোলারের জন্য ২ টন চাল, কালামের মসজিদের একই প্রকল্পে ৭ টন গম, খুরশীদ মসজিদের জন্য ২ টন চাল, আহম্মদ উল্লাহ মসজিদে ৩ টন চাল, হোগলা মসজিদে ২ টন চাল ও পশ্চিম চরজব্বর ভুয়া মন্দিরের নামে ২ টন চাল উপজেলা থেকে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান তরিক উল্লাহ জানান, ‘টিআর কাবিখা, এলজিএসপি ও হতদরিদ্রদের কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দের টাকায় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দৃশ্যমান কাজ করা হয়েছে। আমিসহ পাঁচ প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে সে বিষয়ে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক তদন্ত করেছেন। ওই প্রকল্পের উদ্বৃত্ত ৪ লাখ ২৮ হাজার ৬১৪ টাকা দুদক চেয়ারম্যানের কাছে ফেরত দেয়া হয়েছে। এরপরও আমিসহ প্রকল্প কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কর্মকর্তারা মামলা করলে আইনিভাবে জবাব দেয়া হবে। অপর প্রকল্প কর্মকর্তাদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter