বাউফলে নাম পরিবর্তন করে নারীর বিরুদ্ধে চাকরির অভিযোগ
jugantor
বাউফলে নাম পরিবর্তন করে নারীর বিরুদ্ধে চাকরির অভিযোগ

  পটুয়াখালী প্রতিনিধি  

২৯ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পটুয়াখীর বাউফলে সরকারি চাকরি করার জন্য তথ্য গোপন রেখে প্রকৃত নাম পরিবর্তন ও বয়স কমিয়ে ভোটার নিবন্ধিত হয়ে এক মহিলার সরকারি চাকরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ পেয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান বাদী হয়ে বাউফল থানায় মামলা করেছেন।

মামলার লিখিত অভিযোগে বলা হয়, বাউফলের কাছিপাড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পাকডাল এলাকার মো. আলী আজম হাওলাদারের মেয়ে মোসা. লাকী আক্তার নামে ২০০৭ সালে প্রথমবার ভোটার নিবন্ধিত হয়। পরবর্তীতে তথ্য গোপন করে জাল-জালিয়াতি, প্রতারণা ও মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট কাছিপাড়া ইউনিয়ন ভোটার নিবন্ধন কেন্দ্রে সানিয়া নামে ২য় বার ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন। নির্বাচন কমিশন যাচাইয়ে মোসা. লাকী আক্তার/সামিয়া দ্বৈত ভোটার হিসাবে শনাক্ত হন এবং তদন্ত প্রতিবেদনটি জ্যেষ্ঠ সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে প্রেরণ করেন। এ তদন্ত প্রতিবেদনে বিবাদী নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। লাকী আক্তার ২০১৮ সালে পরিবারকল্যাণ সহকারী হিসাবে চাকরিতে যোগ দেন। কাছিপাড়া পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো. সাইফুদ্দিন আহমেদ জানান, মামলার পর থেকেই কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।

পটুয়াখালী জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের উপ-পরিচালক জানান, ঘটনা অবহিত হয়ে তাকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কাছিপাড়া ইউনিয়ন পরিদর্শক মো. সাইফুদ্দিন আহমেদ জানান, লাকী আক্তার মামলা হওয়ার পর থেকে অনুপস্থিত রয়েছেন। বাউফল থানার ওসি জানান, মামলার তদন্ত কাজ চলছে।

বাউফলে নাম পরিবর্তন করে নারীর বিরুদ্ধে চাকরির অভিযোগ

 পটুয়াখালী প্রতিনিধি 
২৯ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পটুয়াখীর বাউফলে সরকারি চাকরি করার জন্য তথ্য গোপন রেখে প্রকৃত নাম পরিবর্তন ও বয়স কমিয়ে ভোটার নিবন্ধিত হয়ে এক মহিলার সরকারি চাকরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ পেয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান বাদী হয়ে বাউফল থানায় মামলা করেছেন।

মামলার লিখিত অভিযোগে বলা হয়, বাউফলের কাছিপাড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পাকডাল এলাকার মো. আলী আজম হাওলাদারের মেয়ে মোসা. লাকী আক্তার নামে ২০০৭ সালে প্রথমবার ভোটার নিবন্ধিত হয়। পরবর্তীতে তথ্য গোপন করে জাল-জালিয়াতি, প্রতারণা ও মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট কাছিপাড়া ইউনিয়ন ভোটার নিবন্ধন কেন্দ্রে সানিয়া নামে ২য় বার ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন। নির্বাচন কমিশন যাচাইয়ে মোসা. লাকী আক্তার/সামিয়া দ্বৈত ভোটার হিসাবে শনাক্ত হন এবং তদন্ত প্রতিবেদনটি জ্যেষ্ঠ সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে প্রেরণ করেন। এ তদন্ত প্রতিবেদনে বিবাদী নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। লাকী আক্তার ২০১৮ সালে পরিবারকল্যাণ সহকারী হিসাবে চাকরিতে যোগ দেন। কাছিপাড়া পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো. সাইফুদ্দিন আহমেদ জানান, মামলার পর থেকেই কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।

পটুয়াখালী জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের উপ-পরিচালক জানান, ঘটনা অবহিত হয়ে তাকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কাছিপাড়া ইউনিয়ন পরিদর্শক মো. সাইফুদ্দিন আহমেদ জানান, লাকী আক্তার মামলা হওয়ার পর থেকে অনুপস্থিত রয়েছেন। বাউফল থানার ওসি জানান, মামলার তদন্ত কাজ চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন