ফরম পূরণের অর্থ প্রধান শিক্ষকের পকেটে
jugantor
দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুল
ফরম পূরণের অর্থ প্রধান শিক্ষকের পকেটে

  গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি  

১৮ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার ওই বিদ্যালয়ের ৭০ জন পরীক্ষার্থী গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। জানা গেছে, গত বছর সব বিষয়ে ফরম পূরণ করা হলেও করোনার কারণে মাত্র ৩টি বিষয়ে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। যে সব বিষয়ে পরীক্ষা হয়নি, সেই সব বিষয়ে আদায়কৃত অর্থ শিক্ষার্থীদের ফেরত দেওয়ার জন্য সম্প্রতি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের কাছে ফেরত দেয় শিক্ষা অধিদপ্তর। কিন্তু আক্কাস আলী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন সেই টাকা ফেরত দেননি বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের পুরাতন একটি ঘর বিক্রি করে ৫২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থী মো. জনি প্রামাণিক জানান, আমরা কয়েকজন টাকা চাইতে গেলে স্যার আমাদেরকে অপমান করে তাড়িয়ে দেন। তিনি আমাদের বলেন, বিদ্যালয়ের বেতন বাবদ ওই টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন আমাদেরকে প্রশংসাপত্র দেওয়ার সময় আরও ২০০ টাকা করে আদায় করেন। সেইসঙ্গে তিনি প্রশংসাপত্র আটকে রেখে বোর্ডের টাকা প্রাপ্তির খাতায় স্বাক্ষর আদায় করে নেন।

এদিকে নদীভাঙন কবলিত বিদ্যালয় দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুল। নদীভাঙনের কারণে বিদ্যালয়টি কয়েক বছর আগে বর্তমান স্থানে স্থানান্তর করা হয়। আগের স্থানে থাকা স্কুলঘরটি বিক্রি করে সেই টাকাও প্রধান শিক্ষক আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন। এসব বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন জানান, শিক্ষার্থীরা করোনাকালীন ২ বছরের মতো বেতন দেয়নি। তাদের অনুমতি সাপেক্ষেই বকেয়া বেতন বাবদ ফরম পূরণের ওই টাকা কেটে রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের টাকা আমার কাছে আছে, কেউ যদি ফেরত চায় দিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া বিদ্যালয়ের ঘর বিক্রির ব্যাপারে তিনি জানান, ঘর বিক্রির টাকা বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতি মরহুম নুরুল ইসলাম মণ্ডলের কাছে ছিল। তিনি ওই টাকা স্কুল ফান্ডে জমা দেননি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আজিজুল হক খান মামুন জানান, অভিযোগটি তদন্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুল

ফরম পূরণের অর্থ প্রধান শিক্ষকের পকেটে

 গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 
১৮ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার ওই বিদ্যালয়ের ৭০ জন পরীক্ষার্থী গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। জানা গেছে, গত বছর সব বিষয়ে ফরম পূরণ করা হলেও করোনার কারণে মাত্র ৩টি বিষয়ে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। যে সব বিষয়ে পরীক্ষা হয়নি, সেই সব বিষয়ে আদায়কৃত অর্থ শিক্ষার্থীদের ফেরত দেওয়ার জন্য সম্প্রতি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের কাছে ফেরত দেয় শিক্ষা অধিদপ্তর। কিন্তু আক্কাস আলী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন সেই টাকা ফেরত দেননি বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের পুরাতন একটি ঘর বিক্রি করে ৫২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থী মো. জনি প্রামাণিক জানান, আমরা কয়েকজন টাকা চাইতে গেলে স্যার আমাদেরকে অপমান করে তাড়িয়ে দেন। তিনি আমাদের বলেন, বিদ্যালয়ের বেতন বাবদ ওই টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন আমাদেরকে প্রশংসাপত্র দেওয়ার সময় আরও ২০০ টাকা করে আদায় করেন। সেইসঙ্গে তিনি প্রশংসাপত্র আটকে রেখে বোর্ডের টাকা প্রাপ্তির খাতায় স্বাক্ষর আদায় করে নেন।

এদিকে নদীভাঙন কবলিত বিদ্যালয় দৌলতদিয়া আক্কাছ আলী হাইস্কুল। নদীভাঙনের কারণে বিদ্যালয়টি কয়েক বছর আগে বর্তমান স্থানে স্থানান্তর করা হয়। আগের স্থানে থাকা স্কুলঘরটি বিক্রি করে সেই টাকাও প্রধান শিক্ষক আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন। এসব বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন জানান, শিক্ষার্থীরা করোনাকালীন ২ বছরের মতো বেতন দেয়নি। তাদের অনুমতি সাপেক্ষেই বকেয়া বেতন বাবদ ফরম পূরণের ওই টাকা কেটে রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের টাকা আমার কাছে আছে, কেউ যদি ফেরত চায় দিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া বিদ্যালয়ের ঘর বিক্রির ব্যাপারে তিনি জানান, ঘর বিক্রির টাকা বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতি মরহুম নুরুল ইসলাম মণ্ডলের কাছে ছিল। তিনি ওই টাকা স্কুল ফান্ডে জমা দেননি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আজিজুল হক খান মামুন জানান, অভিযোগটি তদন্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন