চুয়াডাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ
jugantor
চুয়াডাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি  

২২ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গা শহরের পলাশপাড়ার শ্বশুরবাড়ি থেকে শুক্রবার রাতে মনিশা আক্তার মিমি নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মনিশা আক্তার ওই পাড়ার সৌদি প্রবাসী লিটন হোসেনের স্ত্রী। মনিশার বাবার বাড়ি কুষ্টিয়ায়।

নিহত মিমির বাবা বিল্লাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, জামাই লিটন সৌদি আরবে থাকার কারণে মিমি (২৬) তার ছেলে ও শাশুড়ির সঙ্গে থাকত। মাঝেমধ্যে তার শাশুড়ি ও ননদ আমার মেয়েকে নির্যাতন করত। আমার মেয়ে নামাজি ছিল। সে আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছিল বলে আমার ধারণা। মিমির ছেলে মাহিম বলেছে, দাদি রোমেছা বেগম ও ফুফু রিক্তা প্রায়ই আমার আম্মুর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করত। মাঝেমধ্যে মারধরও করত। শুক্রবার সন্ধ্যার পর আমি বাইরে ছিলাম। রাত ৮টার দিকে বাড়ি ফিরে দেখি আম্মুকে সবাই হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে।

মিমির শাশুড়ি রোমেছা বেগম বলেন, আমাদের সঙ্গে মিমির খুবই ভালো সম্পর্ক ছিল। সে বেশ কয়েক মাস অসুস্থ ছিল। আমরা তাকে কখনো নির্যাতন করিনি। সন্ধ্যার পর নিজ ঘরে মিমিকে ঝুলতে দেখি আমি। পরে চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ বলেন, লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানতে পারব। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ

 চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি 
২২ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গা শহরের পলাশপাড়ার শ্বশুরবাড়ি থেকে শুক্রবার রাতে মনিশা আক্তার মিমি নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মনিশা আক্তার ওই পাড়ার সৌদি প্রবাসী লিটন হোসেনের স্ত্রী। মনিশার বাবার বাড়ি কুষ্টিয়ায়।

নিহত মিমির বাবা বিল্লাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, জামাই লিটন সৌদি আরবে থাকার কারণে মিমি (২৬) তার ছেলে ও শাশুড়ির সঙ্গে থাকত। মাঝেমধ্যে তার শাশুড়ি ও ননদ আমার মেয়েকে নির্যাতন করত। আমার মেয়ে নামাজি ছিল। সে আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছিল বলে আমার ধারণা। মিমির ছেলে মাহিম বলেছে, দাদি রোমেছা বেগম ও ফুফু রিক্তা প্রায়ই আমার আম্মুর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করত। মাঝেমধ্যে মারধরও করত। শুক্রবার সন্ধ্যার পর আমি বাইরে ছিলাম। রাত ৮টার দিকে বাড়ি ফিরে দেখি আম্মুকে সবাই হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে।

মিমির শাশুড়ি রোমেছা বেগম বলেন, আমাদের সঙ্গে মিমির খুবই ভালো সম্পর্ক ছিল। সে বেশ কয়েক মাস অসুস্থ ছিল। আমরা তাকে কখনো নির্যাতন করিনি। সন্ধ্যার পর নিজ ঘরে মিমিকে ঝুলতে দেখি আমি। পরে চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ বলেন, লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানতে পারব। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন