ভালুকায় সৎমেয়েকে হত্যার স্বীকারোক্তি কারাগারে বাবা
jugantor
ভালুকায় সৎমেয়েকে হত্যার স্বীকারোক্তি কারাগারে বাবা

  ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২৬ জুন ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভালুকায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত কিশোরীর লাশের পরিচয় মিলেছে। তার নাম মিনু আক্তার। সে কুড়িগ্রামের ওলিপুর থানার দীঘলআইলা গ্রামের মিলন মিয়ার মেয়ে। তার মায়ের নাম মাহমুদা বেগম। ওই ঘটনায় ওলিপুরের কাছুয়া শেখের ছেলে মিনুর সৎ বাবা শফিকুল ইসলামকে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশ শনিবার সকালে কুড়িগ্রামের নিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। গ্রেফতারকৃত শফিকুল সৎ মেয়কে শ্বাসরোধে হত্যা করার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। জানা যায়, পোশাককর্মী মাহমুদা বেগম আগের স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রায় দেড় বছর আগে ভাঙ্গাড়ি ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলামকে বিয়ে করেন। তিনি কিশোরী মিনু আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে ভালুকা উপজেলার জামিরদিয়া মাস্টারবাড়ি এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। এক পর্যায়ে শফিকুল ইসলাম ব্যবসা করার কথা বলে স্ত্রী মাহমুদা বেগমের কাছে তার আগের কর্মস্থল চট্টগ্রামের একটি কারখানায় পাওনা ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এনে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। কিন্তু, মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে মাহমুদা শফিকুলকে টাকা দেবে না বলে জানিয়ে দেন। পরে সেই টাকা আনার জন্য মাহমুদা বেগম ৭ জুন চট্টগ্রাম যান। এদিকে শফিকুল ইসলাম বন্ধু রিপনের সঙ্গে পরামর্শ করে ৮ জুন রাতে ঘুমন্ত মিনুকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ভাড়া বাসার পাশের এক জঙ্গলে ফেলে আসেন।

ভালুকায় সৎমেয়েকে হত্যার স্বীকারোক্তি কারাগারে বাবা

 ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২৬ জুন ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভালুকায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত কিশোরীর লাশের পরিচয় মিলেছে। তার নাম মিনু আক্তার। সে কুড়িগ্রামের ওলিপুর থানার দীঘলআইলা গ্রামের মিলন মিয়ার মেয়ে। তার মায়ের নাম মাহমুদা বেগম। ওই ঘটনায় ওলিপুরের কাছুয়া শেখের ছেলে মিনুর সৎ বাবা শফিকুল ইসলামকে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশ শনিবার সকালে কুড়িগ্রামের নিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। গ্রেফতারকৃত শফিকুল সৎ মেয়কে শ্বাসরোধে হত্যা করার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। জানা যায়, পোশাককর্মী মাহমুদা বেগম আগের স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রায় দেড় বছর আগে ভাঙ্গাড়ি ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলামকে বিয়ে করেন। তিনি কিশোরী মিনু আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে ভালুকা উপজেলার জামিরদিয়া মাস্টারবাড়ি এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। এক পর্যায়ে শফিকুল ইসলাম ব্যবসা করার কথা বলে স্ত্রী মাহমুদা বেগমের কাছে তার আগের কর্মস্থল চট্টগ্রামের একটি কারখানায় পাওনা ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এনে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। কিন্তু, মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে মাহমুদা শফিকুলকে টাকা দেবে না বলে জানিয়ে দেন। পরে সেই টাকা আনার জন্য মাহমুদা বেগম ৭ জুন চট্টগ্রাম যান। এদিকে শফিকুল ইসলাম বন্ধু রিপনের সঙ্গে পরামর্শ করে ৮ জুন রাতে ঘুমন্ত মিনুকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ভাড়া বাসার পাশের এক জঙ্গলে ফেলে আসেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন