স্বামীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় বিউটিশিয়ান খুন
jugantor
স্বামীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় বিউটিশিয়ান খুন
মঠবাড়িয়ায় খুনিদের বিচার দাবি

  মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি  

১১ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মঠবাড়িয়ায় স্বামীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় বিউটিশিয়ান শাম্মী আক্তারকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছেলে সাইম আলম সোমবার রাতে ফুপু ও সৎবাবাকে আসামি করে মামলা করেছেন। পুলিশ ওই নারীর ননদ আয়শা খানম রোজি নামে এক শিক্ষিকা ও স্বামী সিরাজুল সালেকিনকে গ্রেফতার করেছে। আয়শা খানম কেএম লাতীফ ইনস্টিটিউশনের শিক্ষিকা ও বাগেরহাটের শরণখোলার রাজাপুর গ্রামের ব্যাংক কর্মকর্তা এমাদুল হকের স্ত্রী। সিরাজুল সালেকিন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের দরবেশপুর গ্রামের শেখ মোহাম্মদ আলীর ছেলে। জানা যায়, শাম্মী আক্তার কেএম লতীফ সুপার মার্কেটে দ্বিতীয় তলায় দশ বছর ধরে বিউটি পার্লারের ব্যবসা করে আসছিলেন। প্রথম স্বামী ফিরাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি মঠবাড়িয়ায় বসবাস করতেন। দুই বছর আগে বিয়ে হওয়া দ্বিতীয় স্বামী সালেকিন ঢাকায় ব্যবসা করেন। ৭ আগস্ট রোববার বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্বামী সালেকিন ও ননদ আয়েশা খানম মঠবাড়িয়ায় আসেন। গভীর রাতে শাম্মী আক্তার ঘরের মাঝের খাটে স্বামী সালেকিন ও ভাবি আয়শা খানমকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে স্বামী সালেকিন আয়শা খানমের সহযোগিতায় শাম্মী আক্তারকে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেন। ওসি মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। হত্যায় ব্যবহৃত বালিশটি জব্দ করা হয়েছে। তাদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

স্বামীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় বিউটিশিয়ান খুন

মঠবাড়িয়ায় খুনিদের বিচার দাবি
 মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি 
১১ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মঠবাড়িয়ায় স্বামীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় বিউটিশিয়ান শাম্মী আক্তারকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছেলে সাইম আলম সোমবার রাতে ফুপু ও সৎবাবাকে আসামি করে মামলা করেছেন। পুলিশ ওই নারীর ননদ আয়শা খানম রোজি নামে এক শিক্ষিকা ও স্বামী সিরাজুল সালেকিনকে গ্রেফতার করেছে। আয়শা খানম কেএম লাতীফ ইনস্টিটিউশনের শিক্ষিকা ও বাগেরহাটের শরণখোলার রাজাপুর গ্রামের ব্যাংক কর্মকর্তা এমাদুল হকের স্ত্রী। সিরাজুল সালেকিন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের দরবেশপুর গ্রামের শেখ মোহাম্মদ আলীর ছেলে। জানা যায়, শাম্মী আক্তার কেএম লতীফ সুপার মার্কেটে দ্বিতীয় তলায় দশ বছর ধরে বিউটি পার্লারের ব্যবসা করে আসছিলেন। প্রথম স্বামী ফিরাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি মঠবাড়িয়ায় বসবাস করতেন। দুই বছর আগে বিয়ে হওয়া দ্বিতীয় স্বামী সালেকিন ঢাকায় ব্যবসা করেন। ৭ আগস্ট রোববার বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্বামী সালেকিন ও ননদ আয়েশা খানম মঠবাড়িয়ায় আসেন। গভীর রাতে শাম্মী আক্তার ঘরের মাঝের খাটে স্বামী সালেকিন ও ভাবি আয়শা খানমকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে স্বামী সালেকিন আয়শা খানমের সহযোগিতায় শাম্মী আক্তারকে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেন। ওসি মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। হত্যায় ব্যবহৃত বালিশটি জব্দ করা হয়েছে। তাদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন