মাদারীপুর ও কলমাকান্দায় ডায়রিয়ার প্রকোপ
jugantor
মাদারীপুর ও কলমাকান্দায় ডায়রিয়ার প্রকোপ

  টেকেরহাট (মাদারীপুর) ও কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদারীপুরে আবারও ডায়রিয়ার প্রকোপ। জেলা সদর হাসপাতালেই বুধবার দুপুরের আগে ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন অন্তত ৭৫ জন রোগী। যার ৮০ শতাংশই শিশু। অতিরিক্ত রোগীর চাপে ফ্লোরেও দেখা দিয়েছে জায়গা সংকট। হিমশিম অবস্থা চিকিৎসক ও নার্সদের। বুধবার হাসপাতাল ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদারীপুর পৌরসভার কালিবাড়ি এলাকার এইচএসসি পরীক্ষার্থী তাহসিন আহম্মেদ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন জেলা সদর হাসপাতালে। আসন সংকটে বাধ্য হয়ে ব্যক্তিগত চেয়ারে বসেই তাকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এদিকে সদর উপজেলার মহিষেরচর এলাকার ষাটোর্ধ্ব হারেজ মাতুব্বর। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে এলে ঠাঁই হয় মেঝেতে। তিনদিন ধরে চলছে এ অবস্থা। হারেজ মাতুব্বর বলেন, ২৪ ঘণ্টায় দুইটা স্যালাইন দিয়েছে। ঠান্ডার মধ্যে মেঝেতে থাকতে কষ্ট হচ্ছে। রোগীর চাপ বেশি হওয়ায় চারদিকে দুর্গন্ধ বাড়ছে।

মাদারীপুর জেলা সদর হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স দুলালী রানী শিকদার জানান, প্রতিদিনই রোগীর চাপ বেড়েই চলছে। হিমশিম অবস্থা। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর জন্য আসন বরাদ্দ বাড়ালে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি মিলবে। মাদারীপুর জেলা সদর হাসপাতালের ডা. শাওলীন আফরোজা খাবার আগে ও পরে হাত ধোয়া এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

এদিকে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত এই তিনদিনে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২৪ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২২ জনই আট বছরের নিচে। বুধবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা গেছে, বিভিন্ন রোগে অসুস্থ হয়ে শিশু ওয়ার্ডে মোট ২৪ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। তারমধ্যে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ১২ জন শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আল মামুন বলেন, ঋতু পরিবর্তনের কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা রোগীর সংখ্যা বেশি। ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।

মাদারীপুর ও কলমাকান্দায় ডায়রিয়ার প্রকোপ

 টেকেরহাট (মাদারীপুর) ও কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাদারীপুরে আবারও ডায়রিয়ার প্রকোপ। জেলা সদর হাসপাতালেই বুধবার দুপুরের আগে ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন অন্তত ৭৫ জন রোগী। যার ৮০ শতাংশই শিশু। অতিরিক্ত রোগীর চাপে ফ্লোরেও দেখা দিয়েছে জায়গা সংকট। হিমশিম অবস্থা চিকিৎসক ও নার্সদের। বুধবার হাসপাতাল ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদারীপুর পৌরসভার কালিবাড়ি এলাকার এইচএসসি পরীক্ষার্থী তাহসিন আহম্মেদ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন জেলা সদর হাসপাতালে। আসন সংকটে বাধ্য হয়ে ব্যক্তিগত চেয়ারে বসেই তাকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এদিকে সদর উপজেলার মহিষেরচর এলাকার ষাটোর্ধ্ব হারেজ মাতুব্বর। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে এলে ঠাঁই হয় মেঝেতে। তিনদিন ধরে চলছে এ অবস্থা। হারেজ মাতুব্বর বলেন, ২৪ ঘণ্টায় দুইটা স্যালাইন দিয়েছে। ঠান্ডার মধ্যে মেঝেতে থাকতে কষ্ট হচ্ছে। রোগীর চাপ বেশি হওয়ায় চারদিকে দুর্গন্ধ বাড়ছে।

মাদারীপুর জেলা সদর হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স দুলালী রানী শিকদার জানান, প্রতিদিনই রোগীর চাপ বেড়েই চলছে। হিমশিম অবস্থা। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর জন্য আসন বরাদ্দ বাড়ালে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি মিলবে। মাদারীপুর জেলা সদর হাসপাতালের ডা. শাওলীন আফরোজা খাবার আগে ও পরে হাত ধোয়া এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

এদিকে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত এই তিনদিনে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২৪ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২২ জনই আট বছরের নিচে। বুধবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা গেছে, বিভিন্ন রোগে অসুস্থ হয়ে শিশু ওয়ার্ডে মোট ২৪ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। তারমধ্যে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ১২ জন শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আল মামুন বলেন, ঋতু পরিবর্তনের কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা রোগীর সংখ্যা বেশি। ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন