মডেল ওয়ার্ড উপহার দেয়ার অঙ্গীকার
jugantor
ডিএসসিসি কাউন্সিলর নির্বাচন ২০২০: সংরক্ষিত ওয়ার্ড ২৩, ২৪ ও ২৫
মডেল ওয়ার্ড উপহার দেয়ার অঙ্গীকার

  মো. খোরশেদ আলম শিকদার  

৩০ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সংরক্ষিত ২৩, ২৪ ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরা কর্মস্থলে বেতনবৈষম্য দূর করতে চান। গর্ভবতী দিনমজুরের ভাতা চালু করারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সুবিধাবঞ্চিত নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চান কয়েকজন প্রার্থী। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা সহজ করার অঙ্গীকার করেন তারা।

ডিএসসিসি সংরক্ষিত ওয়ার্ড-২৩ : ৬৪, ৬৫ ও ৬৬ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ সংরক্ষিত ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৭৫৪ জন। এই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন ৩ জন। প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী সাবেক কাউন্সিলর ইঞ্জিনিয়ার মনিরা চৌধুরী (আনারস), স্বতন্ত্র প্রার্থী তানভীর জাহান শিরীন (বই), নিলুফা ইয়াসমিন লাকী (মোবাইল)।

ইঞ্জিনিয়ার মনিরা চৌধুরী বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। দুইবার মাতুয়াইল ইউপির সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলাম ও ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর। আমার কাছে কেউ কোনো কাজের জন্য এসে ফেরত যায়নি। আমি বাসিন্দাদের পরীক্ষিত কাউন্সিলর; যার ফলে নির্বাচন এলে আমাকে তাদের মূল্যবান ভোট দিতে কৃপণতা বা দ্বিধা করেন না। আমি আশাবাদী এবারও তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন। পুনরায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে মাদকমুক্ত সুন্দর, নিরাপদ পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক ওয়ার্ড উপহার দেব।

ডিএসসিসি সংরক্ষিত ওয়ার্ড-২৪ : ৬১, ৬২ ও ৬৩ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই ওয়ার্ড। সংরক্ষিত এই ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ২২ হাজার ৪৬০ জন। সংরক্ষিত ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন- ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুব মহিলা লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আওয়ামী সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ফারহানা ইয়াসমিন কুয়াশা (চশমা), বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সালেহা আক্তার (বই), স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ সামসুন্নাহার হক লাকী (আনারস), হোসনেয়ারা হেনা (মোবাইল)।

ফারহানা ইয়াসমিন কুয়াশা বলেন, আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে কাজ করব। বিশেষ করে নারীদের বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা পেতে এবং সুবিধাবঞ্চিত নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করব। মাদকমুক্ত ওয়ার্ড গড়তে পাড়া-মহল্লায় মাদকমুক্ত কমিটি করে মাদকমুক্ত ওয়ার্ড উপহার দেব।

শেখ সামসুন্নাহার হক লাকী বলেন, ওয়ার্ড এলাকার প্রতিটি অলিগলি পরিষ্কার রাখব, এলইডি লাইট স্থাপন, শিশু-কিশোরদের বিনোদনের জন্য খেলার মাঠ, মশক নিধন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, নারীদের নিরাপত্তায় এবং ছিন্নমূল শিশুদের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করব।

সালেহা আক্তার বলেন, বাসিন্দাদের ব্যাপক সারা পাচ্ছি। সুষ্ঠু ভোট হলে আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হব ইনশাআল্লাহ। আর নির্বাচিত হলে নারীদের সুরক্ষায় কাজ করব।

ডিএসসিসি সংরক্ষিত ওয়ার্ড-২৫ : ৫৮, ৫৯ ও ৬০ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫ হাজার ৮২৫ জন। সংরক্ষিত ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন ৩ জন। তারা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী শ্যামপুর ইউপির সাবেক মেম্বার বর্তমান কাউন্সিলর সুলতানা আহমেদ লিপি (চশমা), আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাহিদা বেগম (আনারস), বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী চায়না আক্তার (বই)।

সুলতানা আহমেদ লিপি বলেন, আমার বাবা মরহুম আবদুল খালেক মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি শ্যামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি। আমার শ্বশুর মরহুম সিরাজ আহমেদ শ্যামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। আমার স্বামী আবদুল আজিজ বৃহত্তম ডেমরা থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বর্তমানে কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমার পরিবার বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

সাহিদা বেগম বলেন, ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ, মশক নিধন, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা পেতে কাজ করব।

 

ডিএসসিসি কাউন্সিলর নির্বাচন ২০২০: সংরক্ষিত ওয়ার্ড ২৩, ২৪ ও ২৫

মডেল ওয়ার্ড উপহার দেয়ার অঙ্গীকার

 মো. খোরশেদ আলম শিকদার  
৩০ জানুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সংরক্ষিত ২৩, ২৪ ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরা কর্মস্থলে বেতনবৈষম্য দূর করতে চান। গর্ভবতী দিনমজুরের ভাতা চালু করারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সুবিধাবঞ্চিত নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চান কয়েকজন প্রার্থী। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা সহজ করার অঙ্গীকার করেন তারা।

ডিএসসিসি সংরক্ষিত ওয়ার্ড-২৩ : ৬৪, ৬৫ ও ৬৬ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ সংরক্ষিত ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৭৫৪ জন। এই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন ৩ জন। প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী সাবেক কাউন্সিলর ইঞ্জিনিয়ার মনিরা চৌধুরী (আনারস), স্বতন্ত্র প্রার্থী তানভীর জাহান শিরীন (বই), নিলুফা ইয়াসমিন লাকী (মোবাইল)।

ইঞ্জিনিয়ার মনিরা চৌধুরী বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। দুইবার মাতুয়াইল ইউপির সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মেম্বার ছিলাম ও ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর। আমার কাছে কেউ কোনো কাজের জন্য এসে ফেরত যায়নি। আমি বাসিন্দাদের পরীক্ষিত কাউন্সিলর; যার ফলে নির্বাচন এলে আমাকে তাদের মূল্যবান ভোট দিতে কৃপণতা বা দ্বিধা করেন না। আমি আশাবাদী এবারও তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন। পুনরায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে মাদকমুক্ত সুন্দর, নিরাপদ পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক ওয়ার্ড উপহার দেব।

ডিএসসিসি সংরক্ষিত ওয়ার্ড-২৪ : ৬১, ৬২ ও ৬৩ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই ওয়ার্ড। সংরক্ষিত এই ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ২২ হাজার ৪৬০ জন। সংরক্ষিত ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন- ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুব মহিলা লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আওয়ামী সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ফারহানা ইয়াসমিন কুয়াশা (চশমা), বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সালেহা আক্তার (বই), স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ সামসুন্নাহার হক লাকী (আনারস), হোসনেয়ারা হেনা (মোবাইল)।

ফারহানা ইয়াসমিন কুয়াশা বলেন, আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে কাজ করব। বিশেষ করে নারীদের বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা পেতে এবং সুবিধাবঞ্চিত নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করব। মাদকমুক্ত ওয়ার্ড গড়তে পাড়া-মহল্লায় মাদকমুক্ত কমিটি করে মাদকমুক্ত ওয়ার্ড উপহার দেব।

শেখ সামসুন্নাহার হক লাকী বলেন, ওয়ার্ড এলাকার প্রতিটি অলিগলি পরিষ্কার রাখব, এলইডি লাইট স্থাপন, শিশু-কিশোরদের বিনোদনের জন্য খেলার মাঠ, মশক নিধন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, নারীদের নিরাপত্তায় এবং ছিন্নমূল শিশুদের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করব।

সালেহা আক্তার বলেন, বাসিন্দাদের ব্যাপক সারা পাচ্ছি। সুষ্ঠু ভোট হলে আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হব ইনশাআল্লাহ। আর নির্বাচিত হলে নারীদের সুরক্ষায় কাজ করব।

ডিএসসিসি সংরক্ষিত ওয়ার্ড-২৫ : ৫৮, ৫৯ ও ৬০ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫ হাজার ৮২৫ জন। সংরক্ষিত ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন ৩ জন। তারা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী শ্যামপুর ইউপির সাবেক মেম্বার বর্তমান কাউন্সিলর সুলতানা আহমেদ লিপি (চশমা), আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাহিদা বেগম (আনারস), বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী চায়না আক্তার (বই)।

সুলতানা আহমেদ লিপি বলেন, আমার বাবা মরহুম আবদুল খালেক মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি শ্যামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি। আমার শ্বশুর মরহুম সিরাজ আহমেদ শ্যামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। আমার স্বামী আবদুল আজিজ বৃহত্তম ডেমরা থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বর্তমানে কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমার পরিবার বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

সাহিদা বেগম বলেন, ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ, মশক নিধন, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা পেতে কাজ করব।