কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি
jugantor
কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি

   

৩১ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ডিএনসিসি ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড

বাসযোগ্য আধুনিক ওয়ার্ড গড়ে তুলব

-তৈমুর রেজা খোকন

শান্তিনগর প্রতিনিধি

মাদকমুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চান ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩৬নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী তৈমুর রেজা খোকন (ঘুড়ি)। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্ত করতে চান তিনি।

তৈমুর রেজা খোকন যুগান্তরকে বলেন, আমি আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছি। বিগত দিনে আমার উন্নয়নমূলক কাজ থেকে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ উপকৃত হয়েছে। আমি শতভাগ আশাবাদী এবারও বিজয়ী হব। কেন না, আমার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের চাঁদাবজি, টেন্ডারবাজি ও জমি দখলের অভিযোগ নেই। আমি বিগত দিনে কাউন্সিলর থাকাবস্থায় এ এলাকার জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করেছি। কেউ আমার কাছ থেকে খালি হাতে ফিরে যায়নি। তাই সর্বস্তরের জনগণ আমার পক্ষে রয়েছে।

ওয়ার্ডের উন্নয়ন সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি ওয়ার্ডের সব ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ অব্যাহত রেখেছি। পুনরায় নির্বাচিত হলে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। মুধবাগ খেলার মাঠ খেলাধুলার জন্য উপযোগী ছিল না। সেই মাঠে বালি ভরাট করে সংস্কার করেছি। এখন প্রতিদিন খেলাধুলা হয়।

ডিএনসিসি ১৯ নম্বর ওয়ার্ড

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই

-হাজী মো. মফিজুর রহমান

যুগান্তর রিপোর্ট

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হাজী মো. মফিজুর রহমান (টিফিন ক্যারিয়ার)। অভিজাত গুলশান, বনানী, বিটিসিএল কলোনি ও কড়াইল আদর্শ নগর নিয়ে ১৯ নম্বর ওয়ার্ড। তিনি বলেন, আমি কাউন্সিলর থাকা অবস্থায় এই ওয়ার্ডে যে উন্নয়ন করেছি তার প্রতিদান হিসেবে এই ওয়ার্ডের জনগণ এখন আমার পক্ষে। এই ওয়ার্ডকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত করতে পেরেছি। রাস্তা, ফুটপাত ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য রাস্তায় গেট ও সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। আবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে যানজট নিরসনে বহুতল বিশিষ্ট পার্কিং নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে। ফায়ার সার্ভিসের সাব-স্টেশন স্থাপন করা, কড়াইল বস্তিসহ গুলশান-বনানী এলাকাকে পুরোপুরি মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করা, লেক সংস্কারের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রেখে মশকমুক্ত ও ডেঙ্গুমুক্ত এলাকা নিশ্চিত করা। খেলার মাঠ ও পার্কগুলোকে আরও আধুনিককরণ করা, গ্রিন ঢাকা ক্লিন ঢাকা-এর ধারাবাহিকতায় পর্যাপ্ত বৃক্ষরোপণ করা।

ডিএনসিসি ৪২

অতীতের উন্নয়নই আমার জয়ের ভিত্তি রচিত করবে

-জাহাঙ্গীর আলম

ভাটারা প্রতিনিধি

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, ২০১১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলাম। আমি আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির শতভাগ বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছি, যা সবার কাছে দৃশ্যমান। যুবসমাজকে মাদক ও অসামাজিক কার্যক্রম থেকে সরিয়ে এনে খেলাধুলার জন্য স্টেডিয়াম নির্মাণ করেছি। যেখানে প্রতি বছর চেয়ারম্যান গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছি। তাছাড়া প্রতি বছর বালু নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচের আয়োজন করেছি। দৃষ্টিনন্দন ৩০ ফুট রাস্তা, ১০০ ফুট রাস্তার সংস্কার কাজ সফলভাবে সমাপ্ত করেছি।

অনেক ব্রিজ নির্মাণ করেছি। নাগরিক সব সুযোগ-সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি। ঈদগাহ, কবরস্থান ব্যাপক সংস্কার করে আধুনিকায়ন করে ওয়াকওয়ের ব্যবস্থা করেছি। বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানে স্বল্প খরচে স্পট মিটারের ব্যবস্থা করেছি। সারা বেরাইদে নতুন গ্যাস সংযোগের ব্যবস্থা করেছি। বেরাইদবাসীর স্বপ্নের বিকল্প রাস্তা তৈরি এবং বিভিন্ন রাস্তাঘাট সিসি ঢালাই দিয়ে উন্নয়ন সাধন করেছি।

কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি

  
৩১ জানুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ডিএনসিসি ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড

বাসযোগ্য আধুনিক ওয়ার্ড গড়ে তুলব

-তৈমুর রেজা খোকন

শান্তিনগর প্রতিনিধি

মাদকমুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চান ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩৬নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী তৈমুর রেজা খোকন (ঘুড়ি)। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্ত করতে চান তিনি।

তৈমুর রেজা খোকন যুগান্তরকে বলেন, আমি আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছি। বিগত দিনে আমার উন্নয়নমূলক কাজ থেকে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ উপকৃত হয়েছে। আমি শতভাগ আশাবাদী এবারও বিজয়ী হব। কেন না, আমার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের চাঁদাবজি, টেন্ডারবাজি ও জমি দখলের অভিযোগ নেই। আমি বিগত দিনে কাউন্সিলর থাকাবস্থায় এ এলাকার জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করেছি। কেউ আমার কাছ থেকে খালি হাতে ফিরে যায়নি। তাই সর্বস্তরের জনগণ আমার পক্ষে রয়েছে।

ওয়ার্ডের উন্নয়ন সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি ওয়ার্ডের সব ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ অব্যাহত রেখেছি। পুনরায় নির্বাচিত হলে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। মুধবাগ খেলার মাঠ খেলাধুলার জন্য উপযোগী ছিল না। সেই মাঠে বালি ভরাট করে সংস্কার করেছি। এখন প্রতিদিন খেলাধুলা হয়।

ডিএনসিসি ১৯ নম্বর ওয়ার্ড

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই

-হাজী মো. মফিজুর রহমান

যুগান্তর রিপোর্ট

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হাজী মো. মফিজুর রহমান (টিফিন ক্যারিয়ার)। অভিজাত গুলশান, বনানী, বিটিসিএল কলোনি ও কড়াইল আদর্শ নগর নিয়ে ১৯ নম্বর ওয়ার্ড। তিনি বলেন, আমি কাউন্সিলর থাকা অবস্থায় এই ওয়ার্ডে যে উন্নয়ন করেছি তার প্রতিদান হিসেবে এই ওয়ার্ডের জনগণ এখন আমার পক্ষে। এই ওয়ার্ডকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত করতে পেরেছি। রাস্তা, ফুটপাত ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য রাস্তায় গেট ও সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। আবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে যানজট নিরসনে বহুতল বিশিষ্ট পার্কিং নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে। ফায়ার সার্ভিসের সাব-স্টেশন স্থাপন করা, কড়াইল বস্তিসহ গুলশান-বনানী এলাকাকে পুরোপুরি মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করা, লেক সংস্কারের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রেখে মশকমুক্ত ও ডেঙ্গুমুক্ত এলাকা নিশ্চিত করা। খেলার মাঠ ও পার্কগুলোকে আরও আধুনিককরণ করা, গ্রিন ঢাকা ক্লিন ঢাকা-এর ধারাবাহিকতায় পর্যাপ্ত বৃক্ষরোপণ করা।

ডিএনসিসি ৪২

অতীতের উন্নয়নই আমার জয়ের ভিত্তি রচিত করবে

-জাহাঙ্গীর আলম

ভাটারা প্রতিনিধি

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, ২০১১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলাম। আমি আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির শতভাগ বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছি, যা সবার কাছে দৃশ্যমান। যুবসমাজকে মাদক ও অসামাজিক কার্যক্রম থেকে সরিয়ে এনে খেলাধুলার জন্য স্টেডিয়াম নির্মাণ করেছি। যেখানে প্রতি বছর চেয়ারম্যান গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছি। তাছাড়া প্রতি বছর বালু নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচের আয়োজন করেছি। দৃষ্টিনন্দন ৩০ ফুট রাস্তা, ১০০ ফুট রাস্তার সংস্কার কাজ সফলভাবে সমাপ্ত করেছি।

অনেক ব্রিজ নির্মাণ করেছি। নাগরিক সব সুযোগ-সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি। ঈদগাহ, কবরস্থান ব্যাপক সংস্কার করে আধুনিকায়ন করে ওয়াকওয়ের ব্যবস্থা করেছি। বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানে স্বল্প খরচে স্পট মিটারের ব্যবস্থা করেছি। সারা বেরাইদে নতুন গ্যাস সংযোগের ব্যবস্থা করেছি। বেরাইদবাসীর স্বপ্নের বিকল্প রাস্তা তৈরি এবং বিভিন্ন রাস্তাঘাট সিসি ঢালাই দিয়ে উন্নয়ন সাধন করেছি।