অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজলাবাসী

চারপাশে ময়লা-আবর্জনা খোলা শৌচাগার * বিশুদ্ধ পানির অভাব

  দনিয়া প্রতিনিধি ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

অস্বাস্থ্যকর

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নব সম্পৃক্ত ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের (সাবেক মাতুয়াইল ইউপির ১নং ওয়ার্ড) কাজলার বাসিন্দারা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করছেন।

চারপাশে ময়লা-আবর্জনা, খোলা শৌচাগার, ডোবা, নর্দমার দুর্গন্ধময় পানি, মশার উপদ্রব, বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব, বিশুদ্ধ পানির অভাবসহ নানা প্রতিকূলতার মধ্যে বসবাস করছেন তারা। এতেই তাদের দুর্ভোগের শেষ নয়। নেই পর্যাপ্ত সড়ক, খেলার মাঠ, কমিউিনিটি সেন্টার ও স্বাস্থ্য কেন্দ্র। চলছে মাদকসেবীদের রাজত্ব।

ময়লা ফেলানোর নির্ধারিত স্থান নেই। এজন্য যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। কাজলা বাবুলের রিকশার গ্যারেজের আশপাশে রয়েছে খোলা শৌচাগার। জানা যায়, অপরিকল্পিত ঘিঞ্জি পরিবেশে গাদাগাদি করে নির্মাণ করা হয়েছে অসংখ্য বাড়িঘর।

এলাকাটি ডিএসসিসির আওতায় এলেও পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করা হয়নি। এখনও কার্যক্রম চালায় মাতুয়াইল ইউনিয়ন। যার ফলে অবহেলিত অবস্থায় বসবাস করছে কাজলার বাসিন্দারা।

মশার উপদ্রবে সারাক্ষণ কয়েল জ্বালিয়েও রক্ষা পাওয়া যায় না। মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। খোলা শৌচাগার আর নর্দমার দুর্গন্ধেও অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। খেলার মাঠ না থাকায় শিশু-কিশোররা লুডু, মার্বেল, তাস খেলায় জড়িয়ে পড়েছে। এমনকি মাদক সেবনে আসক্ত হয়ে পড়ছে।

এলাকার একমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা কাজলা স্কুল রোড। এ রাস্তাও ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ডিএসসিসির ড্রেন ও সড়ক উন্নয়নের ধীরগতিতে কাজ চলায় স্কুলগামী শিক্ষার্থীসহ বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বাসাবাড়ির মালামাল স্থানান্তর, বাড়ি নির্মাণ সামগ্রীসহ ভারি মালামাল আনা-নেয়া করতে পারছে না। কাজলা এলাকার বাসিন্দা আইনজীবী ফখরুল হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ময়লার দুর্গন্ধে দম বন্ধ হয়ে যায়। মশার উপদ্রবও চরম আকার ধারণ করেছে।

মাতুয়াইল ইউপির ১নং ওয়ার্ডের (কাজলা ওয়ার্ড) মেম্বার মো. আলী আহম্মেদ যুগান্তরকে বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার ও সড়কবাতি স্থাপনের কাজ করছে ডিএসসিসি। ঠিকাদাররা খামখেয়ালিপনায় কাজ করায় দুর্ভোগ শেষ হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, এলাকার বাসিন্দাদের বর্জ্য ফেলানোর নির্ধারিত স্থান না থাকায় যত্রতত্র বর্জ্য ফেলছে। এতে মশা ও মাছির উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। বাড়িঘর নির্মাণ হলেও বহু স্থানে সড়ক হয়নি। যার ফলে বাড়িঘরে যেতে বাঁশের সাঁকো ও নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হয়।

ডিএসসিসি অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুল হক যুগান্তরকে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদগুলো সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার পর রাস্তা, ড্রেন ও সড়কবাতি লাগানোর কাজ শুরু করা হয়েছে। নবসম্পৃক্ত ওয়ার্ডের প্রতিটি ইউনিয়নে ২ জন করে পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মশক নিধনের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×