৪৫ নম্বর ওয়ার্ড: আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার প্রতিশ্রুতি

  সৈয়দ আমানত আলী ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

৪৫ নম্বর ওয়ার্ড: আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার প্রতিশ্রুতি
ফাইল ছবি

আধুনিক ও পরিকল্পিত ওয়ার্ড গড়তে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) নবসম্পৃক্ত ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরা। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নাগরিক সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

সঠিক নেতৃত্বের অভাবে নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত এ ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। এলাকাটি ইউনিয়ন হওয়ায় তেমন কোনো বড় বাজেটের কাজ হয়নি এখানে। চায়ের দোকান ও অলিতে-গলিতে শুধু নির্বাচনী হাওয়া বইছে।

কে কোন প্রার্থীকে ভোট দেবেন, কে এলাকার উন্নয়ন করতে পারবেন- সে বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করছেন ভোটাররা। তবে তারা বলছেন, যোগ্য প্রার্থীকেই ভোট দেবেন। আশ্বাসে নয় কাজে বিশ্বাসীরা ভোট পাবেন। এই ওয়ার্ডটি উত্তরখান থানার আওতাভুক্ত।

এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরা হলেন- মাহমুদুল হাসান আলাল (টিফিন ক্যারিয়ার), মো. সেলিম রেজা (ঘুড়ি), আওয়ামী লীগের উত্তরখান থানার সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন (ঠেলাগাড়ি) ও আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের কার্যকরী সদস্য মো. আবদুল ওয়াছেক (লাটিম)।

সাবেক উত্তরখান ইউনিয়নকে ৩টি ওয়ার্ডে ভাগ করা হয়েছে। এই ওয়ার্ডটি উত্তরখানের দক্ষিণ ও উত্তর অংশ নিয়ে গঠিত। ১০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৪৫নং ওয়ার্ডের জনসংখ্যা ৭৫ হাজার। এলাকার ভোটার সংখ্যা ২৬ হাজার।

এই ওয়ার্ডে রয়েছে নানা সমস্যা। জলাবদ্ধতা আর খানাখন্দ এই ওয়ার্ডের একটি বড় সমস্যা। এলাকাটি আবাসিক হলেও গড়ে উঠেছে বিভিন্ন শিল্পকারখানা। সরু রাস্তায় মানুষের চলাচলে খুব সমস্যা হচ্ছে।

এত ঘিঞ্জি পরিবেশ যে, কোনো ধরনের দুর্ঘটনা হলে দ্রুত পৌঁছানো যায় না। সড়কে অবৈধভাবে চলাচল করছে ২ শতাধিক ব্যাটারিচালিত রিকশা ও আটোরিকশা। এদের কারণেই মূলত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, পুলিশকে দৈনিক চাঁদার মাধ্যমে ম্যানেজ করে দিনের পর দিন চলছে ব্যাটারিচালিত রিকশা-অটোরিকশা। সড়কে নেই সড়কবাতি। এতে সন্ধ্যা নামতেই চুরি-ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা ঘটে।

সারা বছরই রাস্তায় পানি জমে থাকে। ইট-পাথর আর কংক্রিট সড়কে উঠে আছে, যাতে সড়কে চলতে মানুষকে দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। এখানে নেই সরকারি-বেসরকারি কোনো হাসপাতাল। ড্রেনেজের ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। চারদিকে মাদকের ছড়াছড়ি। মাদক এখন জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে।

এসব সমস্যা সমাধান করতে চান কাউন্সিলর প্রার্থী মো. মাহমুদুল হাসান আলাল। তিনি যুগান্তরকে বলেন, আমি এই এলাকার একজন নির্বাচিত মেম্বার। আমি সব সময় এলাকার মানুষকে নিয়ে এলাকায় কাজ করেছি।

এলাকাটি আগে ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ছিল। এখন এটি ডিএনসিসির আওতাভুক্ত। আগে যে বাজেট পেতাম তাতে তেমন কোনো উন্নয়ন করা সম্ভব ছিল না। আমি যদি নির্বাচিত হই, তাহলে ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা, সড়ক প্রশস্তকরণ ও ড্রেনেজের ব্যবস্থা করব।

ড্রেনেজের স্থায়ী সমাধানের জন্য নদীর সঙ্গে সংযোগ করতে হবে। শিশু-কিশোরদের বিপথ থেকে রক্ষার জন্য এলাকায় খেলার মাঠ-পার্ক করা হবে। এলাকাটিতে পুলিশ প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করব।

পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নে সমস্যা চিহ্নিত করে কাজ করব। পরিকল্পিতভাবে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে।

আরেক কাউন্সিলর প্রার্থী মো. সেলিম রেজা বলেন, আমি একজন তরুণ। আমার মধ্যে তারুণ্যের উদ্যম আছে। আমাদের প্রথম কাজ সমস্যা চিহ্নিত করা।

এরপর সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে তার স্থায়ী সমাধান। আমি নির্বাচিত হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পরামর্শ করে মাদক প্রতিরোধ, সড়কবাতি ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা করব। জলাবদ্ধতা নিরসনে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করব।

ঘটনাপ্রবাহ : ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন

আরও
আরও পড়ুন
--
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×