কামরাঙ্গীরচরে ছুরিকাঘাতে রিকশাচালক খুন

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আরেকজনের মৃত্যু

প্রকাশ : ২৬ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

নগরীর কামরাঙ্গীরচর থানাধীন বড়গ্রাম এলাকায় এক রিকশাচালকের উপর্যুপরি চুরিকাঘাতে আরেক রিকশাচালক নিহত হয়েছেন।

সোমবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রিকশাচালকের নাম কায়সার। তাকে ছুরিকাঘাত করে রনি নামে আরেক রিকশাচালক। এদিকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল কাউন্সিল রোডে সোমবার দুপুরে রবিউল ইসলাম রুবেল নামে এক রিকশাচালকের মৃত্যু হয়েছে। কায়সার ও রুবেলের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি শাহীন ফকির যুগান্তরকে বলেন, রনি তার ভাড়া বাসায় ডেকে এনে তাকে খুন করেছে। তারা একই এলাকায় রিকশা চালাত। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে নেশা অথবা পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। ওসি বলেন, হত্যার ঘটনায় কায়সারের মা কুলসুম বেগম বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানায়, একই এলাকায় রিকশা চালানোর কারণে তারা পূর্বপরিচিত ছিল। রনি কিছুদিন আগে তার স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে। তারপর মাঝেমধ্যে কায়সারকে ডেকে বাসায় নিয়ে আসত। প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত তিন দিন আগেও ওই বাসায় কায়সারকে ডেকে আনে রনি। তবে কী কারণে রনি কায়সারকে হত্যা করেছে, সেটা নিশ্চিত নন প্রতিবেশী ভাড়াটিয়ারা। ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে চলে গেছে রনি।

এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল ক্যাম্পের পুলিশ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, রুবেল চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানার পশ্চিম চণ্ডিপুর গ্রামের মৃত মো. নুরুল ইসলাম মিরুর ছেলে।

মো. বাচ্চু মিয়া জানান, অচেতন অবস্থায় বিকাল পৌনে ৪টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুবেলকে মৃত ঘোষণা করেন। রুবেলের স্ত্রী রওশন আরা বেগম জানান, ভাড়া বাসার টিনশেড রুমের আর্থিং পরীক্ষা করতে আগে টানানো রডে হাত দেয়ায় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। রুবেল মাতুয়াইল কাউন্সিল রোডে সিরাজের বাড়ির টিনশেড বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে ভাড়া থাকতেন। তাদের এক সন্তান রয়েছে।