‘যে সময়কে ধরতে চেয়েছি’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

  সাংস্কৃতিক রিপোর্টার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ছোট মেয়ে মাহজাবিন আহমদ মিমি রচিত নিবন্ধ গ্রন্থ ‘যে সময়কে ধরতে চেয়েছি’ প্রকাশিত হল। একই আয়োজনে লেখকের দুটি পুনঃমুদ্রিত কাব্যগ্রন্থ এবং সম্পাদিত ‘অন্য আলোয় তাজউদ্দীন আহমদ’ শীর্ষক স্মৃতিচারণমূলক সংকলন গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। শনিবার বিকালে ফার্মগেটের খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনের থ্রি-ডি সেমিনার হলে এ প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জনপ্রিয় লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং শহীদকন্যা ডা. নুজহাত চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন মাহজাবিন আহমদ মিমি। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শহীদকন্যা শমী কায়সার ও সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এ আরাফাত। প্রধান অতিথির বক্তব্যে গ্রন্থটি সম্পর্কে আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, বইটির শিরোনাম যথার্থ হয়েছে। কারণ এ সময়টি খুব কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত হারিয়ে যায় বর্তমান, থাকে শুধু অতীত ও অনাগত ভবিষ্যৎ। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, ‘তার (মিমি) কবিতা পড়লে মনে হয় বুঝেছি কিনা জানি না, তবে অনেক আনন্দ হয়। সভাপতি শামসুজ্জামান খানের বক্তব্যে উঠে আসে তাজউদ্দীন আহমদের কথা। তিনি বলেন, তাজউদ্দীন এক মহান নেতা ছিলেন। তিনি ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের স্থপতি। তিনি যদি ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব না দিতেন, ডায়েরি না লিখতেন তাহলে ভাষা আন্দোলনের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস লেখা সম্ভব হতো না। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাজউদ্দীনের সম্পর্ক তুলে ধরে বলেন, একে অন্যের সম্পূরক ও পরিপূরক ছিলেন তাজউদ্দীন ও বঙ্গবন্ধু।

শাস্ত্রীয় সঙ্গীত ও নৃত্য উৎসব শুরু : উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের নবজাগরণ ঘটে যাওয়ার সাক্ষ্যবহ এক আয়োজন অনুষ্ঠিত হল শনিবার। কখনও সুরের মোহময়তায় নিমজ্জিত হলেন শ্রোতারা; কখনও বা মুদ্রার সঙ্গে অভিব্যক্তির সমন্বিত নাচের নান্দনিকতায় মুগ্ধ হলেন দর্শকরা। নবীণ-প্রবীণ শিল্পীদের অংশগ্রহণে শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত তিন দিনের উৎসবটি শুরু হয় শনিবার সন্ধ্যায়। একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় উৎসব উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি সচিব ইব্রাহীম হোসেন খান উদ্বোধনী আলোচনা শেষে ছিল শাস্ত্রীয় আঙ্গিকের নৃত্য-গীতে সজ্জিত প্রথম দিনের পরিবেশনা। শুরুতেই ভরতনাট্যম নাচের সৌন্দর্যে শ্রোতা-দর্শকের নয়ন রাঙিয়েছেন শুক্লা সরকার। এরপর সেতারের সুমধুর সুরে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন রিনাত ফৌজিয়া। ধ্রুপদ রাগের আশ্রয়ে কণ্ঠসঙ্গীত পরিবেশন করেন অসিত রায়। নৃত্যাঞ্চলের শিল্পীদের পরিবেশিত কত্থকনৃত্য নয়ন জুড়িয়েছে দর্শকের। সমবেতভাবে তবলার লহরা শুনিয়েছেন জাকির হোসেন ও সবুজ আহমেদ। সারেঙ্গীর বাদন শুনিয়েছেন মতিয়ার রহমান। ধ্রুপদ রাগে কণ্ঠসঙ্গীত পরিবেশন করেন সৌমিতা বোস। গৌড়ীয় নৃত্যের সৌন্দর্যে দর্শককে আলোড়িত করেছেন র‌্যাচেল প্রিয়াঙ্কা প্যারিস। সুর, তাল ও লয়ের বৈভবে সম্মেলক কণ্ঠে খেয়াল ও মালকোষ পরিবেশন করে সরকারি সঙ্গীত মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সেতারের সুমধুর সুরে উৎসব রাঙিয়েছেন ফিরোজ খান। প্রিয়াংকা গোপ ও সানী জুবায়ের পরিবেশন করেছেন ঠুমরি। রাগাশ্রয়ী সুরের আশ্রয়ে বাঁশিতে পরিবেশনা উপস্থাপন করেন বংশীবাদক মো. মনিরুজ্জামান। কত্থকনৃত্য পরিবেশন করেন ফিফা চাকমা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় ও আতিয়া খান কেয়া।

আরও পড়ুন
pran
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
bestelectronics

 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter