পুরান ঢাকার খাবার আমার খুব প্রিয়

ভালোবাসার মানুষের হাত ধরে ৮ বছর আগে বাংলাদেশে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির নাগরিক জেসিকা ইভা সালাজার। দুই সন্তান ও স্বামীকে নিয়ে সুখে আছেন তিনি। বর্তমানে তিনি ইউল্যাব ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স ইন কমিউনিকেশন বিভাগে পড়াশোনা করছেন। নিউজার্সি ও বাংলাদেশের নানা বিষয়ে যুগান্তরের পক্ষ থেকে জেসিকা ইভা সালাজারের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। তার সাক্ষাৎকার নেন প্রদায়ক (কন্ট্রিবিউটর)

  খাদিজা আক্তার মুন্নী ২১ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

যুগান্তর : কেমন আছেন আমাদের ঢাকা মহানগরে?

জেসিকা : খুব ভালো আছি।

যুগান্তর : আপনার দেশের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির সঙ্গে ঢাকার কোনো মিল খুঁজে পান?

জেসিকা : ওয়াশিংটন ডিসি সম্পর্কে আমার তেমন ধারণা নেই।

যুগান্তর : বসবাসে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হন কি?

জেসিকা : না, তেমন কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি।

যুগান্তর : ঢাকা ও নিউজার্সির আবহাওয়াগত পার্থক্য আছে কি?

জেসিকা : হ্যাঁ, অবশ্যই আছে। নিউজার্সি চার ঋতুর দেশ। কিন্তু বাংলাদেশ ছয় ঋতুর দেশ। তবে এ দেশের আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কোনো অসুবিধা হয়নি।

যুগান্তর : আমাদের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে পুলিশ আছেন। তাদের সম্পর্কে কিছু বলুন।

জেসিকা : আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো মতামত দিতে পারছি না।

যুগান্তর : রাস্তায় চলাচলে কোনো অসুবিধা হয় কি?

জেসিকা : না কাছাকাছি কোথাও গেলে যেমন, বসুন্ধরা যেতে কোনো অসুবিধা হয় না। তবে দূরে কোথাও গেলে অনেক যানজটে পরতে হয়।

যুগান্তর : যানজট নিরসনে আপনার মতামত কী?

জেসিকা : আমার মতে সবাই যদি ট্রাফিক আইন মেনে চলত তাহলেই যানজট নিরসন হতো।

যুগান্তর : নিউজার্সিতে পড়াশোনা না করে বাংলাদেশ কেন বেছে নিলেন?

জেসিকা : আসলে, আমি একজন বাঙালি ছেলেকে বিয়ে করে এদেশে চলে এসেছি। এ আট বছর ধরে এ দেশেই আছি। তাই এ দেশে পড়াশোনা করছি।

যুগান্তর : কোথায় পড়াশোনা করছেন?

জেসিকা : আমি বর্তমানে ইউল্যাব ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স ইন কমিউনিকেশনে ১ম বর্ষে পড়াশোনা করছি।

যুগান্তর : আপনার কাছে ঢাকার কোন সেবাটি ভালো লাগে?

জেসিকা : আমার কাছে অকুপেশনাল থেরাপি, স্পিচ থেরাপি, এবিএ থেরাপি- এসব সেবা অনেক ভালো লাগে।

যুগান্তর : নিউজার্সির চিকিৎসাসেবা ও ঢাকার চিকিৎসাসেবার মধ্যে কতটুকু পার্থক্য খুঁজে পান?

জেসিকা : নিউজার্সিতে প্রতিটা বিভাগের ডাক্তার ২৪ ঘণ্টা সেবা দিয়ে থাকেন। ডাক্তারের সঙ্গে রোগীর পরিবারে খুব ভালো সম্পর্ক থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে দেখা যায়, জরুরি বিভাগেও সবসময় ডাক্তার পাওয়া যায় না। অনেক রোগীই মারা যায়। আর বাংলাদেশি ডাক্তারদের সঙ্গে রোগী কিংবা তাদের পরিবারের সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না।

যুগান্তর : ঢাকায় আপনি পরিবার নিয়ে থাকেন, নিউজার্সিতে যান কি?

জেসিকা : ঢাকায় আমার দুই সন্তান ও স্বামীকে (ওয়াফি) নিয়ে থাকি। আমার বড় ছেলে ওয়ালিফ (৭) ও ছোট ছেলে উইলান (৮ মাস)। তবে বাংলাদেশে আসার পর আমি একবার গিয়েছিলাম নিউজার্সিতে। সামনে যাওয়ার ইচ্ছা আছে।

যুগান্তর : বাংলাদেশে নিউজার্সির খাবার পেতে কোনো অসুবিধা হয়?

জেসিকা: না, কোনো সমস্যা হয় না। তবে বাংলাদেশের খাবার আমার খুব পছন্দ, যেমন- মাছ, ভাত, ডাল, মিষ্টিকুমড়া, করলা আর সবচেয়ে বেশি পছন্দ পুরান ঢাকার খাবার।

যুগান্তর : যুগান্তরকে সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

জেসিকা : যুগান্তরকেও অনেক ধন্যবাদ।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×