নগর নিয়ে বিদেশির ভাবন

ঢাকার রাস্তায় যানজট বেশি ভোগায়

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করছেন সোমালিয়ার নাগরিক আসিয়া আবদিলাদিফ আলী। বাংলাদেশের গরুর মাংস তার খুব প্রিয়। তিনি বলেন, ঢাকার যানজট তাকে বেশি ভোগায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যুগান্তরের পক্ষ থেকে তার সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। সাক্ষাৎকার নেন কন্ট্রিবিউটর -

  খাদিজা আক্তার মুন্নী ২০ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার রাস্তায় যানজট বেশি ভোগায়
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ছাত্রী সোমালিয়ার নাগরিক আসিয়া আবদিলাদিফ আলী। ছবি: যুগান্তর

যুগান্তর : কেমন আছেন আমাদের ঢাকা মহানগরে?

আসিয়া : ঢাকাতে বেশ ভালো আছি।

যুগান্তর : আপনার দেশের রাজধানী মোগাদিসুর সঙ্গে ঢাকার কোনো মিল খুঁজে পান?

আসিয়া : না। তেমন কোনো মিল খুঁজে পাই না। ঢাকার সঙ্গে মোগাদিসুর আবহাওয়া ও জনসংখ্যার অনেক অমিল। তাছাড়া ঢাকাতে অনেক যানজট।

যুগান্তর : বসবাসে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হন কি?

আসিয়া : না, তেমন কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি।

যুগান্তর : ঢাকা ও সোমালিয়ার আবহাওয়াগত পার্থক্য আছে কি?

আসিয়া : হ্যাঁ, অবশ্যই আছে। বাংলাদেশ ছয় ঋতুর দেশ। তাই এ দেশের আবহাওয়ায় আমাদের একটু অসুবিধা হয় মানিয়ে নিতে।

যুগান্তর : আমাদের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে পুলিশ আছেন। তাদের সম্পর্কে কিছু বলুন।

আসিয়া : আমার মনে হয় বাংলাদেশের পুলিশ ভালো।

যুগান্তর : রাস্তায় চলাচলে কোনো অসুবিধা হয় কি?

আসিয়া : রাস্তায় অনেক যানজট। এটাই আমার সবচেয়ে বেশি অসুবিধার কারণ।

যুগান্তর : যানজট নিরসনে আপনার মতামত কি?

আসিয়া : এ বিষয়টি সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। তাই কিছু বলতে পারছি না।

যুগান্তর : সোমালিয়াতে পড়াশোনা না করে বাংলাদেশ কেন বেছে নিলেন?

আসিয়া : আমার কাছে মনে হয়েছে আমাদের দেশ থেকে বাংলাদেশের পড়াশোনার মান অনেক ভালো। তাই এ দেশকে বেছে নিয়েছি।

যুগান্তর : কোথায় পড়াশোনা করছেন?

আসিয়া : স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে ২য় বর্ষে পড়াশোনা করছি।

যুগান্তর : কতদিন বাংলাদেশে আছেন, আর কতদিন থাকতে চান?

আসিয়া : আমি বাংলাদেশে আছি ২ বছর ধরে। পড়াশোনা শেষে নিজ দেশে ফিরে যাব।

যুগান্তর : আপনার কাছে ঢাকার কোন সেবাটি ভালো লাগে?

আসিয়া : আমার কাছে বাংলাদেশের শিক্ষা সেবা ভালো লাগে।

যুগান্তর : সোমালিয়ার চিকিৎসাসেবা ও ঢাকার চিকিৎসাসেবার মধ্যে কতটুকু পার্থক্য খুঁজে পান?

আসিয়া : আমার কাছে বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবা সোমালিয়ার চিকিৎসা সেবা থেকে বেশি ভালো মনে হয়।

যুগান্তর : ঢাকায় আপনি কার সঙ্গে থাকেন, সোমালিয়াতে যান কি?

আসিয়া : ঢাকায় আমি আমার বোনের সঙ্গে থাকি। সোমালিয়াতে যাওয়া হয় না।

যুগান্তর : বাংলাদেশে সোমালিয়ার খাবার পেতে কোনো অসুবিধা হয়?

আসিয়া : কোনো সমস্যা হয় না। কারণ বাংলাদেশে সোমালিয়ার খাবার প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। তবে বাংলাদেশের শর্মা, বার্গার এবং গরুর মাংস আমার খুব প্রিয়।

যুগান্তর : যুগান্তরকে সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আসিয়া : যুগান্তরকেও অনেক ধন্যবাদ।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×