অনলাইন শপিংয়ের নামে প্রতারণা

রাজধানীতে চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতার

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৪ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নামিদামি ব্যান্ডসহ প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি কোম্পানির পণ্যের ছবি ও লোগো নকল করে ফেসবুক পেজে বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৪। বুধবার বিকাল থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে দারুসসালাম এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হল- সুজন মোল্লা (২৬), হাসিবুল হাসান (৩২), জারদিস হোসেন (২০), মেহেদী হাসান (২৩), নুর ইসলাম (১৯), পারভেজ মোল্লা (১৯) ও আবু তাহের (১৯)। তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটার, মোবাইল, রাউটার, অনলাইনে প্রদর্শিত মালামালের স্যাম্পল এবং নিম্নমানের পণ্য সামগ্রী জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির বলেন, চক্রটি বিভিন্নভাবে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। তারা বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের অনলাইনে দেয়া পণ্য সামগ্রীর ছবি ডাউনলোড করে নিজেদের পণ্য হিসেবে চালিয়ে ফেসবুক পেজে আপলোড করত। কিন্তু সেসব পণ্যের নির্ধারিত দামের চেয়ে কম দাম দেখে কেউ আকৃষ্ট হয়ে যোগাযোগ করলে চক্রটি প্রথমে সার্ভিস চার্জ গ্রহণ করত। এরপর হোম ডেলিভারির মাধ্যমে নিুমানের পণ্য পাঠিয়ে দিত। ক্রেতারা কোনো পণ্য অর্ডার করলে কখনও কখনও মূল্য পরিশোধ করতে বলা হতো। কিন্তু নির্ধারিত মূল্যবান পণ্যের পরিবর্তে সাবান, ভিমবার, আলু, পেঁয়াজ, পটোল প্যাকেট করে পাঠিয়ে দিত। কখনও কোনো পণ্য না পাঠিয়েই কিছু অর্থ আদায় করে পণ্য পাঠিয়েছে বলে দাবি করত। গ্রাহক পণ্য পায়নি দাবি করলে বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসে খোঁজ নিতে বলত এবং পণ্য না পৌঁছানোর জন্য সেসব কুরিয়ার সার্ভিসকে দায়ী করত প্রতারক চক্রের সদস্যরা।

র‌্যাব-৪ এর সিও বলেন, প্রতারকদের ব্যবহৃত ১৭টি পেজ জব্দ করা হয়েছে। সেগুলো হল- ইউনিক ফ্যাশন, রোস ফ্যাশন বিডি, লাইফস্টাইল.কম, গ্রিন এক্সপ্রেস.কম, জেন্টাল ফ্যাশন, জেন্টাল পয়েন্ট, ফ্যাশন পয়েন্ট, প্লাস পয়েন্ট, মোবাইল শপ টুয়েন্টিফোর, এমকিউবিভি জিএনজে, আরিফুল ইসলাম এরিয়ান, ডব্লিউজিএইচ জিভিএনজি, এমডি তাভির আবু তাহের, এডভান্স ইলেকট্রনিক্স, ড্রিম ফ্যাশন ও এক্সজিয়ান রায়হান।

র‌্যাব-৪ এর সিও মঞ্জুরুল কবির বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে চক্রটির ১৭টি পেজ পেয়েছি। আরও পেজ রয়েছে কিনা বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে। চক্রটি ২০১৩ সাল থেকে এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তারা প্রতি গ্রাহকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ না নিলেও বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের কাছ থেকে অল্প অল্প করে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিত।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×