পুনর্বাসন ছাড়া বস্তিবাসীকে উচ্ছেদ বন্ধ করুন
jugantor
আলোচনা সভায় বক্তারা
পুনর্বাসন ছাড়া বস্তিবাসীকে উচ্ছেদ বন্ধ করুন

  সাংস্কৃতিক রিপোর্টার  

২০ জুন ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পুনর্বাসন ছাড়া বস্তিবাসীকে উচ্ছেদ বন্ধ করুন

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, ‘পুনর্বাসন ছাড়া বস্তি উচ্ছেদ করা যাবে না’ হাইকোর্টের এ রায় থাকার পরও বস্তি উচ্ছেদ করা অমানবিক ও আইনের লঙ্ঘন। ঢাকা ধনী-দরিদ্র সবার। পরিবহন শ্রমিক, গার্মেন্ট কর্মী, হকার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, নিু আয়ের মানুষরা উন্নয়নের চালিকা শক্তি।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘বস্তি উচ্ছেদ ও নগর দরিদ্রদের বসতির অধিকার : বর্তমান পরিস্থিতি ও বাজেটে পুনর্বাসনের অন্তর্ভুক্তি’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নগর গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, বসতির অধিকার মানবাধিকার, সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা, সাংবিধানিক অধিকারের আলোকে স্বল্প আয়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বসতির অধিকার বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, বস্তি উচ্ছেদ না করা ও বাজেটে পুনর্বাসন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সেমিনারে (কোয়ালিশন ফর দ্য আরবার পুওর) কাপ-এর চেয়ারপারসন ডা. দিবালোক সিংহের সভাপতিত্বে অবস্থানপত্র পাঠ করেন মো. আখতারুজ্জামান। অবস্থানপত্রে বলা হয়, এসডিজি বাস্তবায়নে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অবদান রয়েছে। সমাজের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে প্রান্তসীমায় রেখে দেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করা যাবে না।

শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠী অর্থ উপার্জন করে নিজে চলে ও সেই অর্থ গ্রামে পাঠায়। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিও চাঙা হচ্ছে। স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য উন্নত জীবন ব্যবস্থা শীর্ষক অন্য একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসএএম ফজলুল কবীর। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল ইসলাম।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক এমএম আকাশ, ব্যারিস্টার সারাহ হোসেন, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম নাজিম, খন্দকার রেবেকা সান-ইয়াত, আশিকুর রহমান, লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, মোস্তফা কাইয়ুম খান, স্থপতি সাদিয়া শারমিন, ফাতেমা আক্তার প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক শ্যামল দত্ত।

বস্তি উচ্ছেদের বর্তমান পরিস্থিতির ডকুমেন্ট সেমিনারে প্রদর্শন করা হয়। সরকারি কর্তৃপক্ষ, গবেষক, প্রাজ্ঞজন, আইনবিদ, সাংবাদিক, বেসরকারি সংস্থা ও তৃণমূল প্রতিনিধিরা সেমিনারে অংশ গ্রহণ করেন।

প্রসঙ্গত, কাপ নগর দরিদ্রদের উন্নয়নে কর্মরত ৬৮টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওদের একটি নেটওয়ার্কিং টিম প্রতিষ্ঠান।

আলোচনা সভায় বক্তারা

পুনর্বাসন ছাড়া বস্তিবাসীকে উচ্ছেদ বন্ধ করুন

 সাংস্কৃতিক রিপোর্টার 
২০ জুন ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
পুনর্বাসন ছাড়া বস্তিবাসীকে উচ্ছেদ বন্ধ করুন
ফাইল ছবি

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, ‘পুনর্বাসন ছাড়া বস্তি উচ্ছেদ করা যাবে না’ হাইকোর্টের এ রায় থাকার পরও বস্তি উচ্ছেদ করা অমানবিক ও আইনের লঙ্ঘন। ঢাকা ধনী-দরিদ্র সবার। পরিবহন শ্রমিক, গার্মেন্ট কর্মী, হকার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, নিু আয়ের মানুষরা উন্নয়নের চালিকা শক্তি।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘বস্তি উচ্ছেদ ও নগর দরিদ্রদের বসতির অধিকার : বর্তমান পরিস্থিতি ও বাজেটে পুনর্বাসনের অন্তর্ভুক্তি’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নগর গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, বসতির অধিকার মানবাধিকার, সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা, সাংবিধানিক অধিকারের আলোকে স্বল্প আয়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বসতির অধিকার বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, বস্তি উচ্ছেদ না করা ও বাজেটে পুনর্বাসন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সেমিনারে (কোয়ালিশন ফর দ্য আরবার পুওর) কাপ-এর চেয়ারপারসন ডা. দিবালোক সিংহের সভাপতিত্বে অবস্থানপত্র পাঠ করেন মো. আখতারুজ্জামান। অবস্থানপত্রে বলা হয়, এসডিজি বাস্তবায়নে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অবদান রয়েছে। সমাজের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে প্রান্তসীমায় রেখে দেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করা যাবে না।

শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠী অর্থ উপার্জন করে নিজে চলে ও সেই অর্থ গ্রামে পাঠায়। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিও চাঙা হচ্ছে। স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য উন্নত জীবন ব্যবস্থা শীর্ষক অন্য একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসএএম ফজলুল কবীর। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল ইসলাম।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক এমএম আকাশ, ব্যারিস্টার সারাহ হোসেন, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম নাজিম, খন্দকার রেবেকা সান-ইয়াত, আশিকুর রহমান, লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, মোস্তফা কাইয়ুম খান, স্থপতি সাদিয়া শারমিন, ফাতেমা আক্তার প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক শ্যামল দত্ত।

বস্তি উচ্ছেদের বর্তমান পরিস্থিতির ডকুমেন্ট সেমিনারে প্রদর্শন করা হয়। সরকারি কর্তৃপক্ষ, গবেষক, প্রাজ্ঞজন, আইনবিদ, সাংবাদিক, বেসরকারি সংস্থা ও তৃণমূল প্রতিনিধিরা সেমিনারে অংশ গ্রহণ করেন।

প্রসঙ্গত, কাপ নগর দরিদ্রদের উন্নয়নে কর্মরত ৬৮টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওদের একটি নেটওয়ার্কিং টিম প্রতিষ্ঠান।