বুড়িগঙ্গা তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ এক বছরেও শুরু হয়নি

  কাওসার মাহমুদ ৩০ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বুড়িগঙ্গা তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ এক বছরেও শুরু হয়নি

নগরীর চারপাশে নদীর তীরে সৌন্দর্যবর্ধন ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন হওয়ার এক বছর পেরিয়ে গেলেও নির্মাণকাজ শুরু করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট সংস্থা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রক্ষা পাবে নগরীর চারপাশের নদীগুলো। নদীগুলো স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত হবে ও নতুনভাবে দখলের কোনো সুযোগ থাকবে না। এছাড়া নাগরিক জীবনে বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, নগরীর চারপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বর ও শীতলক্ষ্যা নদী স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত এবং নাগরিক জীবনে বিনোদনের ব্যবস্থা করতে ২০১৮ সালের জুলাই মাসে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ৮৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নদীর তীরে ২২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদন করে।

বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য মেয়াদ ধরা হয় ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত।

প্রকল্পটি অনুমোদনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এখনও কাজ শুরু করতে পারেনি। এক বছরে প্রথম ফেজে সাড়ে তিন কিলোমিটার কাজের টেন্ডার আহ্বান করে বিআইডব্লিউটিএ। ওই টেন্ডার যাচাই-বাছাই শেষে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কার্যাদেশ দিতে আরও এক মাস সময় লাগবে।

কাজ শুরু করতে আরও দুই মাস সময় লেগে যাবে। চলতি ফেজে লালবাগ থেকে কামরাঙ্গীরচর পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। এর সঙ্গে নদী শাসনের কাজও করা হবে। প্রকল্পটিতে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রক্কলন ধরা হয়েছে।

এভাবে ১২টি ফেজে মোট ২২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৫৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, কামরাঙ্গীরচর এলাকার খোলামোড়া থেকে মাদবর বাজার পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধন করার কথা শুনেছি।

এটি নির্মাণ হলে নদী যেমন রক্ষা হবে ও মানুষের বিনোদনের ব্যবস্থাও হবে। তবে নদীর সীমানা ছেড়ে দিয়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণের দাবি জানান তিনি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নির্বাহী প্রকৌশলী ও নদীর তীর নির্মাণ প্রকল্পের ডিপিডি এসএম আশরাফ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, আমরা ঢাকার চার পাশের নদীগুলোর পাড়ে ১২ ফেজে ২২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করব।

এর মধ্যে বুড়িগঙ্গার পাড়ে প্রথম ফেজে ৫০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণকাজ করা হবে। ইতিমধ্যে সাড়ে ৩ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। ওই দরপত্র এখনও যাচাই-বাছাই চলছে। এরপরই যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×