আলোকচিত্রে ফরাসি প্রকৃতি

  সাংস্কৃতিক রিপোর্টার ০৯ অগাস্ট ২০১৯, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ফ্রান্স শুধু শিল্প-সাহিত্যের দেশই নয়, প্রকৃতির অপার লীলাভূমিও। বৃক্ষ, ফুল, লতাপাতা, গহীন অরণ্য, সমুদ্রতট থেকে পাহাড়ি ঝরনা সবই সেখানে একটু ভিন্ন। সুন্দর সেই দেশটির গ্রাম থেকে শহর চষে বেড়িয়েছেন শিবলী সিরাজ।

প্রকৃতিকে অবলোকনের পাশাপাশি সেই সৌন্দর্যকে ক্যামেরা বন্দি করেছেন এই আলোকচিত্রী। সে সব ছবি নিয়ে ধানমণ্ডির ফরাসি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র অলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার লা গ্যালারিতে সাজানো হয় ‘ফ্রান্স, নৈসর্গিক ও অনন্ত : এক আলোকচিত্রীর অভিযাত্রা’ শীর্ষক প্রদর্শনী। এ বছরের মার্চ মাসে শিবলী সিরাজ তিন সপ্তাহব্যাপী এক অভিযাত্রায় ফ্রান্স ভ্রমণ করেন। ভ্রবণের সুবিধার্থে তিনি ভাড়া করে নেন একটি গাড়ি। সেই বাহনে চড়ে শিবলী ছুটে বেড়িয়েছেন মহাসড়ক এবং গ্রামাঞ্চলের পথেঘাটে। ফ্রান্সজুড়ে তার এই ভ্রমণ- উত্তরের বেলাভূমি থেকে দক্ষিণে এবং সমুদ্র থেকে পাহাড়ে বিশাল প্রকৃতির ছবি তিনি তুলেছেন। পাহাড়ি ঝরনায় ছুটে চলা, এডোয়ার্ড মানের গ্রামের বাড়ি শিবলীকে মোহাবিষ্ট করেছে এবং তিনি তাকে দেখতে চেয়েছেন তার পারিপার্শ্বিক প্রকৃতি সমন্বিত করে। সিরাজ বিশ্বাস করেন- মানবের অস্তিত্বের গহীনে প্রকৃতির বসবাস অত্যাবশ্যকীয়। এই মন্ত্রই অনুসরণ করে সজ্জিত হয়েছে প্রদর্শনীটি। প্রদর্শনী প্রসঙ্গে শিবলী সিরাজ বলেন, ক্যামেরার চোখ সেই দৃশ্যকে ধারণ করতে পারে-যা অনেক সময়ই আমাদের সাদা চোখে ধরা পড়ে না।

তাই ক্যামেরায় কারও হাতযশ নির্ভর করে অপসৃয়মান দৃশ্যের কতটা তিনি তার ক্যামেরার ফ্রেমে ধরে রাখতে পারছেন তার ওপর। আমি সবসময়ই অনুপ্রাণিত হয়েছি আমার চিত্রগ্রহণ প্রয়াসে নতুনতর মাত্রা যোগ করতে। সেটা করতে গিয়েই আমাকে সবচেয়ে বেশি যা আকৃষ্ট করেছে তা হল নিসর্গ। এ অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যই শুধু নয় বরং প্রতি মুহূর্তে তার সতত-পরিবর্তমান লীলা আর মানুষের মনের গহীনে তার ব্যঞ্জনা তার প্রভাব আমাকে তাড়িত করে। আমরা সবাই নিসর্গ ভালোবাসি, কিন্তু নিসর্গও যে কখনও কখনও আমাদের সৃষ্টি করে তোলে তা প্রায়শই ভুলে যাই। প্রকৃতির সৌন্দর্য সব চিত্রকরকে আকর্ষণ করে বিশেষত ফরাসি ইম্প্রেশনিস্ট বা অভিব্যক্তিবাদীদের, যারা একটি নতুনতর পন্থা- বলা উচিত একটি নতুন মাত্রা খুঁজে পেয়েছিলেন প্রকৃতিকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে।

২৬ জুলাই প্রধান অতিথি হিসেবে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইন্সটিটিউটের (আইটিআই) সম্মানীত সভাপতি রামেন্দু মজুমদার। দুই সপ্তাহব্যাপী এ প্রদর্শনীর শেষ দিন ছিল বৃহস্পতিবার।

 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত