রবিঠাকুরের গানে মুগ্ধতা ছড়ালেন দুই দেশের শিল্পীরা

  সাংস্কৃতিক রিপোর্টার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রবিঠাকুরের গানে মুগ্ধতা ছড়ালেন দুই দেশের শিল্পীরা
ফাইল ছবি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান ও কবিতার অনন্য সন্ধ্যা। শিল্পীরা গানের সুরে আর বাচিক শিল্পীরা তাদের কণ্ঠে ও বাণীতে মুগ্ধতা ছড়ালেন দর্শক-শ্রোতাদের মাঝে। আর সেগুলো পরিবেশন করলেন বাংলাদেশ ও ভারতের শিল্পীরা।

শনিবার ‘হিরণ কিরণ ছবিখানি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মুক্তক পদাবলী আবৃত্তি একাডেমি। শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে রবীন্দ্রনাথকে নিবেদিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি নির্মলেন্দু গুণ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য কবি ড. মুহাম্মদ সামাদ।

সভাপতিত্ব করেন মুক্তক পদাবলী আবৃত্তি একাডেমির সভাপতি প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী লায়লা আফরোজ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনার পাশাপাশি ধারা বর্ণনা করেন দেওয়ান সাইদুল হাসান।

মানবিক সমাজ বিনির্মাণে বাঙালি জাতিসত্তার কাছে রবীন্দ্রনাথের প্রাসঙ্গিকতা উঠে আসে অতিথিদের কথনে।

আলোচনা শেষে শুরু হয় গান ও কবিতার পরিবেশনা পর্ব। বাংলাদেশের ফাহিম হোসেনের সঙ্গে রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করেন ভারতের শিল্পী জয়ন্তী সোরেন।

বাচিকশিল্পী মো. আহকাম উল্লাহ্, রাশেদ হাসান ও লায়লা আফরোজের সঙ্গে কবিতার শিল্পিত উচ্চারণ উপস্থাপন করেন ভারতের আবৃত্তিশিল্পী মলি দেবনাথ।

রবীন্দ্র-সুরের দোলায় ফাহিম হোসেন চৌধুরী গেয়ে শোনান ‘জীবনে আমার যত আনন্দ’, ‘আজি প্রণমি তোমারে’, ‘সেই ভালো ভালো’, ‘আমার খেলা যখন ছিল তোমার সনে’।

জয়ন্তী সোরেন গেয়ে শোনান ‘চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে’, ‘ওগো নদী আপন বেগে পাগলপারা’, ‘মধুর মধুর ধ্বনি বাজে হৃদয় কমলবন মাঝে’, ‘ছায়া ঘটনাইছে বনে বনে গগনে গগনে’ শিরোনামের একগুচ্ছ গান।

রাশেদ হাসান পাঠ করেন ‘সন্ধ্যা ও প্রভাত’, ‘ছিন্নপত্র’, ‘আমি’, ‘দুঃসময়’ ও ‘আফ্রিকা’ শিরোনামের কবিতাগুলো। আহ্কাম উল্লাহ্ কণ্ঠে তুলে নেন ‘পরিচয়’, ‘ঝুলন’, ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’, ‘হঠাৎ দেখা’ ও ‘প্রশ্ন শিরোনামের’ কবিতাগুলো।

মলি দেবনাথ পাঠ করেন ‘সাধারণ মেয়ে’, ‘মানবপুত্র’, ‘কৃতঘ্ন’, ‘হঠাৎ দেখা’ ও ‘মৃত্যুঞ্জয়’ শীর্ষক কবিতাগুলো।

লায়লা আফরোজ আবৃত্তি করেন ‘কাশের বনে শূন্য নদীর তীরে’, ‘শেষ খেয়া’, ‘যখন আকাশ কাঁদে’, ‘বর্ষামঙ্গল ও মেঘদূত শিরোনামের কবিতা।

ওস্তাদ মোমতাজ আলী খানকে স্মরণ : কথামালা ও গানে স্মরণ করা হলো ওস্তাদ মোমতাজ আলী খানকে।

গতকাল শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত আবৃত্তি ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে শনিবার ওস্তাদ মোমতাজ আলী খান সঙ্গীত একাডেমির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ। বক্তব্য দেন সিজ্জিল আলাভী শামিম। সভাপতিত্ব করেন একাডেমির অধ্যক্ষ রূপু খান।

অনুষ্ঠানে ওস্তাদ মোমতাজ আলী খান পদক প্রদান করা হয়। প্রদকপ্রাপ্তরা হলেন সৈয়দ গোলাম আম্বিয়া, শিল্পী কানন বালা সরকার ও শিল্পী দিল আফরোজ রেবা।

গোলাম কুদ্দুছ বলেন, বাংলার লোকসঙ্গীত ও বাউল সঙ্গীতে ওস্তাদ মোমতাজ আলী খানের অসামান্য অবদান রয়েছে। সেই পাকিস্তান আমলেই বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান লিখেছিলেন। মহান মক্তিযুদ্ধেও তার অবদান অপরিসীম। তিনি ওস্তাদ মোমতাজ আলী খানকে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানের আহ্বান জানান।

দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠানে সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করেন একাডেমির শিল্পীরা। একক গান করেন তামান্না নিগার, শান্তা সরকার, শিপ্রা ভৌমিক, নাসরিন ফেরদৌসি চমন, রাজা হাসান, জোয়াদ বাউল, ফরিদুল হক, মো. ইলিয়াস, সমীরণ চক্রবর্তী প্রমুখ।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×