মৈত্রীর বন্ধনে শুরু হচ্ছে গঙ্গা যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব

  সাংস্কৃতিক রিপোর্টার ১০ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মৈত্রীর বন্ধনে শুরু হচ্ছে গঙ্গা যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব

ভারতের ৪টি দল, ঢাকা ও ঢাকার বাইরের ৩৬টি নাট্যদলসহ আবৃত্তি, সঙ্গীত, নৃত্য, পথনাটকের ১২১টি সংগঠন। আগামী দশ দিন তারা মাতিয়ে রাখবে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন।

শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তন, পরীক্ষণ থিয়েটার হল, স্টুডিও থিয়েটার হল, সঙ্গীত আবৃত্তি ও নৃত্য মিলনায়তন এবং বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে তারা পরিবেশন করবে মঞ্চনাটক, পথনাটক, আবৃত্তি, সঙ্গীত, নৃত্য, মূকাভিনয়।

উন্মুক্ত মঞ্চের সাংস্কৃতিক পর্ব প্রতিদিন সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এবং মঞ্চনাটক প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে। আর সাংস্কৃতিক আয়োজনের এ মহাযজ্ঞ শুরু হচ্ছে আগামীকাল।

বাংলাদেশ ও ভারতের মৈত্রী এবং সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয়ে শুক্রবার থেকে গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব-২০১৯ চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। অষ্টমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে উৎসবটি।

আগামীকাল ১১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ১০ দিনব্যাপী ‘গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব-২০১৯’-এর উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ ও ভারতের বিশিষ্ট নাট্যজন আসাদুজ্জামান নূর এমপি ও শ্রী মেঘনাদ ভট্টাচার্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ।

এছাড়া উদ্বোধনী পর্বে সম্মানিত অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক নাট্যজন লিয়াকত আলী লাকী, ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক ড. নিপা চৌধুরী, বাংলাদেশ পথনাটক পরিষদের সভাপতি নাট্যজন মান্নান হীরা এবং বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল নাট্যজন কামাল বায়েজীদ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালন করবেন বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আহকাম উল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন উৎসব পর্ষদের সদস্য সচিব আকতারুজ্জামান এবং সভাপতিত্ব করবেন উৎসব পর্ষদের আহ্বায়ক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গোলাম কুদ্দুছ। উদ্বোধনী আয়োজনে নৃত্য পরিবেশন করবে স্পন্দন। পরিচালনায় অনিক বসু।

শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে বুধবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই আয়োজনের বিস্তারিত জানানো হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন পর্ষদের আহ্বায়ক গোলাম কুদ্দুছ।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আকতারুজ্জামান। আরও উপস্থিত ছিলেন গণসঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীর, বাচিকশিল্পী আহকাম উল্লাহ, নাট্যজন মিজানুর রহমান ও আহমদ গিয়াস। সঞ্চালনা করেন নাট্যজন মীর জাহিদ হাসান।

গোলাম কুদ্দুছ বলেন, গঙ্গা-যমুনা উৎসবটি এখন দেশের সর্ববৃহৎ একটি সাংস্কৃতিক উৎসব। আগামী কয়েকদিনে প্রতিদিন কয়েক হাজার শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মী এখানে সমবেত হবেন নানা পরিবেশনা নিয়ে।

এটি শিল্পীদের মধ্যে শিল্পভাবনার বিনিময়ে একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। সেটা ভারত ও দেশের শিল্পীদের মধ্যেও। আর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংস্কৃতি অন্যতম হাতিয়ার। আমরা যত বেশি সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে যাব তত বেশি সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাব।

সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এবং ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ‘গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব-২০১৯’ উদযাপিত হবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×