নিষিদ্ধ শিশুখাদ্য বিক্রি, দুই ফার্মেসিকে জরিমানা
jugantor
নিষিদ্ধ শিশুখাদ্য বিক্রি, দুই ফার্মেসিকে জরিমানা

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিষিদ্ধ শিশুখাদ্য বিক্রি, দুই ফার্মেসিকে জরিমানা

আইনগত বিধিনিষেধ থাকার পরেও ফার্মেসিতে প্রকাশ্যে মাতৃদুগ্ধ বিকল্প শিশুখাদ্য বিক্রি করায় দুটি ফার্মেসিকে জরিমানা করা হয়েছে।

জরিমানা করা প্রতিষ্ঠান দুটি হল লাজ ফার্মা ও চয়নিকা ফার্মেসি। অভিযানে লাজ ফার্মাকে ১০ হাজার টাকা এবং চয়নিকা ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সম্প্রতি খুলনা বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. রাশেদা সুলতানার নির্দেশনায় এবং জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. খলীলুর রহমানের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশন ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান।

জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. খলীলুর রহমান বলেন, ফার্মেসি থেকে শুরু করে কনফেকশনারি ও বেকারি দোকানগুলোতে হাত বাড়ালেই মিলছে নিষিদ্ধ কৌটাজাত শিশুখাদ্য। আইনে উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও কোনো পণ্যের নেই জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত রেজিস্ট্রেশন।

এছাড়াও আইনে উল্লেখ রয়েছে, ওষুধ বিক্রয় কেন্দ্রে এসব পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ। কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টির অভাবে লঙ্ঘন হচ্ছে মাতৃদুগ্ধ বিকল্প শিশুখাদ্য ও এর ব্যবহার সংক্রান্ত আইন।

প্রসঙ্গত, মাতৃদুগ্ধ বিকল্প, শিশুখাদ্য, বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুত করা শিশুর বাড়তি খাদ্য ও ইহা ব্যবহারের সরঞ্জামাদি (বিপণন-নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ অনুযায়ী বিভিন্ন কোম্পানি উৎপাদিত কৌটাজাত শিশুখাদ্য প্রকাশে বিক্রি এবং প্রদর্শন আইনত দণ্ডনীয়।

এমনকি কোনো চিকিৎসক অকারণে মাতৃদুগ্ধ বিকল্প ও সব শিশুখাদ্য রোগী বা তার স্বজনদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্রে লিখতে পারবে না। যদিও বিশেষ ক্ষেত্রে লেখার অনুমতি থাকলেও ব্যবস্থাপত্রে এর কারণ অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে।

এটি শুধু সরকারি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়, বেসরকারি ক্লিনিক বা প্রাইভেট চেম্বারে একই আইন প্রয়োগ করতে হবে। এর বাইরে স্টেশনারি দোকানে এসব পণ্য বিক্রির সুযোগ থাকলেও তা প্রদর্শন না করে বিক্রি করতে হবে।

এ বিষয়ে ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার খাদিজাতুল কুবরা বলেন, আইন বাস্তবায়নের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগসহ স্থানীয় প্রশাসন কাজ করবে।

তারই অংশ হিসেবে খুলনা নগরীর বেশ কয়েকটি ফার্মেসিতে অভিযান চালানো হয়েছে। শুরু হওয়া এ অভিযান সারা দেশে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

নিষিদ্ধ শিশুখাদ্য বিক্রি, দুই ফার্মেসিকে জরিমানা

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ অক্টোবর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
নিষিদ্ধ শিশুখাদ্য বিক্রি, দুই ফার্মেসিকে জরিমানা
ফাইল ছবি

আইনগত বিধিনিষেধ থাকার পরেও ফার্মেসিতে প্রকাশ্যে মাতৃদুগ্ধ বিকল্প শিশুখাদ্য বিক্রি করায় দুটি ফার্মেসিকে জরিমানা করা হয়েছে।

জরিমানা করা প্রতিষ্ঠান দুটি হল লাজ ফার্মা ও চয়নিকা ফার্মেসি। অভিযানে লাজ ফার্মাকে ১০ হাজার টাকা এবং চয়নিকা ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সম্প্রতি খুলনা বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. রাশেদা সুলতানার নির্দেশনায় এবং জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. খলীলুর রহমানের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশন ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান।

জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. খলীলুর রহমান বলেন, ফার্মেসি থেকে শুরু করে কনফেকশনারি ও বেকারি দোকানগুলোতে হাত বাড়ালেই মিলছে নিষিদ্ধ কৌটাজাত শিশুখাদ্য। আইনে উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও কোনো পণ্যের নেই জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত রেজিস্ট্রেশন।

এছাড়াও আইনে উল্লেখ রয়েছে, ওষুধ বিক্রয় কেন্দ্রে এসব পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ। কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টির অভাবে লঙ্ঘন হচ্ছে মাতৃদুগ্ধ বিকল্প শিশুখাদ্য ও এর ব্যবহার সংক্রান্ত আইন।

প্রসঙ্গত, মাতৃদুগ্ধ বিকল্প, শিশুখাদ্য, বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুত করা শিশুর বাড়তি খাদ্য ও ইহা ব্যবহারের সরঞ্জামাদি (বিপণন-নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ অনুযায়ী বিভিন্ন কোম্পানি উৎপাদিত কৌটাজাত শিশুখাদ্য প্রকাশে বিক্রি এবং প্রদর্শন আইনত দণ্ডনীয়।

এমনকি কোনো চিকিৎসক অকারণে মাতৃদুগ্ধ বিকল্প ও সব শিশুখাদ্য রোগী বা তার স্বজনদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্রে লিখতে পারবে না। যদিও বিশেষ ক্ষেত্রে লেখার অনুমতি থাকলেও ব্যবস্থাপত্রে এর কারণ অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে।

এটি শুধু সরকারি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়, বেসরকারি ক্লিনিক বা প্রাইভেট চেম্বারে একই আইন প্রয়োগ করতে হবে। এর বাইরে স্টেশনারি দোকানে এসব পণ্য বিক্রির সুযোগ থাকলেও তা প্রদর্শন না করে বিক্রি করতে হবে।

এ বিষয়ে ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার খাদিজাতুল কুবরা বলেন, আইন বাস্তবায়নের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগসহ স্থানীয় প্রশাসন কাজ করবে।

তারই অংশ হিসেবে খুলনা নগরীর বেশ কয়েকটি ফার্মেসিতে অভিযান চালানো হয়েছে। শুরু হওয়া এ অভিযান সারা দেশে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন