ডিএনসিসি কাউন্সিলর নির্বাচন : ৪ নম্বর ওয়ার্ড

মাদক-চাঁদাবাজি নির্মূল করার প্রতিশ্রুতি

  আফজাল হোসেন ০৯ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মাদক-চাঁদাবাজি নির্মূল করার প্রতিশ্রুতি
ফাইল ছবি

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৪নং ওয়ার্ডে শতভাগ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে চান আসন্ন নির্বাচনে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা। এ ওয়ার্ডের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, অবৈধ দখল, সন্ত্রাস-মাদক ও চাঁদাবাজি নির্মূল করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তারা।

পাশাপাশি অন্যান্য সমস্যা দূর করে একটি আদর্শ ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয়ে মাঠে নেমেছেন বলে জানিয়েছেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা।

ডিএনসিসির ৪নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা হলেন- বর্তমান কাউন্সিলর ও কাফরুল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জামাল মোস্তফা, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মোফাজ্জল হোসেন, কাফরুল থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান শিপন, ৪নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আহেদ আলী দেওয়ান, গত নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ছিল সাব্বির দেওয়ান জনি, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি গোলাম মাওলা রতন, মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, কাফরুল থানা স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সভাপতি নুর মোহাম্মদ দেওয়ান, কাফরুল থানা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রিয়াজ।

ওয়ার্ড পরিচিতি : মিরপুর ১৩, মিরপুর ১৪ ও বাইশটেকি এলাকা নিয়ে ডিএনসিসির ৪নং ওয়ার্ড গঠিত। ঢাকা ১৫ আসনের অন্তর্ভুক্ত এ ওয়ার্ডের জনসংখ্যা প্রায় ২ লাখ ও ভোটার সংখ্যা ৭৩ হাজার।

জলাবদ্ধতা ও মাদকে নাকাল এ ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। বাইশটেকি খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা ও বহুতল ভবন করা হয়েছে।

এতে সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে বাইশটেকি, মিরপুর ১৩, ১৪সহ আশপাশের এলাকা। ওয়ার্ডের মূল সড়কসহ বড় কয়েকটি সড়কে দোকানপাট, বাজারসহ ভ্রাম্যমাণ চিকেন মার্কেট গড়ে উঠেছে।

১৩ নম্বর হারমানমেইনার স্কুল সড়ক ও মন্দির সড়ক দখল করে দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চিকেন মার্কেট বসে। ওয়ার্ডের একমাত্র কমিউনিটি সেন্টার বেশ কয়েক বছর বেহাল রয়েছে।

টাকার বিনিময়ে এর চারপাশে শতাধিক যানবাহন পার্কিং করে রাখা হয়। নজরদারি না থাকায় সেন্টারের নিচতলায় সকাল-সন্ধ্যা মাদকের রমরমা ব্যবসা হয় বলে জানান স্থানীয়রা। এছাড়া ভাঙাচোরা সড়ক, খেলার মাঠ ও পার্ক সংস্কার না হওয়ায় বাসিন্দারা বিনোদন বঞ্চিত হচ্ছেন।

ডিএনসিসি ৪নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর জামাল মোস্তফা বলেন, আমার ওয়ার্ডে কোনো সমস্যা নেই। সব কাজই সম্পন্ন করা হয়েছে। আগের তুলনায় মাদক ৯৫ ভাগ কমেছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে ওয়াসাকে দায়িত্ব নিতে হবে। আগামীতে নির্বাচিত হলে অসমাপ্ত কাজ শেষ করে মডেল ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করব।

ডিএনসিসি ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মোফাজ্জল হোসেন বলেন, দল থেকে যদি মনোনয়ন পাই এবং এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন থাকে তাহলেই আমি নির্বাচন করব।

আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থেকে সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচিত হলে রাস্তাঘাটের উন্নয়নসহ অবৈধ দখল, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি শক্তহাতে দমন করব। এছাড়া এলাকার জলাবদ্ধতা দূর করার পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তারে কাজ করব। এ ওয়ার্ডকে সর্বাধুনিক করে সাজানোর ব্যবস্থা করব।

কাফরুল থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান শিপন বলেন, যদি দল আমাকে সুযোগ দেয়, তাহলে নির্বাচন করব। আমার স্বপ্ন এ ওয়ার্ডটি হবে গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন।

আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে উন্নয়নের রূপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখব।

ওয়ার্ডের প্রতিটি অলিগলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার, কবরস্থান, সিসি ক্যামরা স্থাপন, ফ্রি ওয়াইফাই জোন ও মাদক নির্মূল করব।

ডিএনসিসি ৪নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আহেদ আলী দেওয়ান বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। ছাত্রলীগের রাজনীতি করার মধ্য দিয়েই বঙ্গবন্ধুর চেতনা বুকে ধারণ করেছি।

রাজনীতি করার পাশাপাশি সামাজিকভাবেও চেষ্টা করেছি এলাকাবাসীর বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার। এ ওয়ার্ডে অনেক সমস্যা।

যদি কাউন্সিলর নির্বাচিত হই কমিউনিটি সেন্টার, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ডিজিটাল লাইব্রেরি, কবরস্থান, আধুনিক খেলার মাঠ, পার্ক, জলাবদ্ধতা নিরসন ও দখলমুক্ত একটি আদর্শ ওয়ার্ড উপহার দেব।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×