ডিএসসিসি কাউন্সিলর নির্বাচন ২০২০ : ৭ নম্বর ওয়ার্ড

সর্বোচ্চ নাগরিক সুবিধা দেয়ার অঙ্গীকার

  মো. বিল্লাল হোসেন ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ডিএসসিসি
ফাইল ছবি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা সর্বোচ্চ নাগরিক সুবিধা দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন। তারা এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও মাদক নির্মূল থেকে শুরু করে সড়কবাতি, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, সড়ক উন্নয়ন, বিনোদনকেন্দ্র স্থাপন, পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত আবাসন এবং প্রতিহিংসামুক্ত ওয়ার্ড গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

২ লাখ জনসংখ্যা ও ৩২ হাজার ভোটার অধ্যুষিত ডিএসসিসির ৭নং ওয়ার্ড। এখানে হোল্ডিং রয়েছে প্রায় ২৭শ’।

ডিএসসিসির ৭নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা হলেন, বর্তমান কাউন্সিলর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল বাসিত খান বাচ্চু, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম শরীফ, সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আহমেদ ইকবাল। মুগদা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সামছুল হুদা কাজল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মানিকনগর বিশ্বরোডের ঢাল ও বালুর মাঠ এলাকার রাস্তার অলিগলি দীর্ঘদিনেও তেমন সংস্কার হয়নি। বালুর মাঠ এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক সেবীদের আড্ডা। দীর্ঘদিন ধরে এ ওয়ার্ডে নেই কোনো স্থায়ী কাঁচাবাজার।

সড়কের বিভিন্ন জায়গায় দোকান বসিয়ে ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বালির ট্রাক থেকে নিয়মিত চাঁদা তোলার অভিযোগ রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। শিশু-কিশোরদের বিনোদনের জন্য নেই কোনো পার্ক। নেই পাঠাগার, শরীরচর্চা কেন্দ্র ও কমিনিউটি সেন্টার।

বর্তমান কাউন্সিলর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল বাসিত খান বাচ্চু বলেন, জনগণ অনেক আশা নিয়ে আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিল। আমি আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর হিসেবে ওয়ার্ডের গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে নব্বই শতাংশ সমস্যা সমাধান করতে পেরেছি।

আইনি ও জমিসংক্রান্ত জটিলতার কারণে কমিউনিটি সেন্টার ও বাজার নির্মাণ করতে পারিনি, পুনরায় নির্বাচিত হলে ছয় মাসের মধ্যে সব সমস্যার সমাধান হবে। তিনি বলেন, মাদক সন্ত্রাস চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে নেত্রী জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিয়েছে।

আমি মাদক ও চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করি। নিজে না পারলে পুলিশকে জানাই। বিশ বছর আগে এ এলাকাকে মাদকের এরিয়া বলেন চিনতো সবাই, এখন আশি শতাংশ কমে গেছে। দলমত নির্বিশেষে আমি সবার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।

বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সামছুল হুদা কাজল বলেন, আমার দল যদি নির্বাচনে যায় ও আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি নির্বাচন করব। আমি মনে করি বর্তমান কাউন্সিল এ ওয়ার্ডের মানুষের সামান্য উপকার করতে পারেনি। জলাবদ্ধতা থেকে শুরু করে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়নি। সব নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত মানুষ।

৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম শরীফ যুগান্তরকে বলেন, বর্তমান কাউন্সিলরের উন্নয়ন সম্পর্কে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তার মূল্যায়ন জনগণ করবে।

৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আহমেদ ইকবাল বলেন, দল থেকে যাকে মনোনয়ন দেবে আমি তার পক্ষে কাজ করব। আশা করি, দল আমাকে মনোনয়ন দিলে সবাই আমার পক্ষে কাজ করব।

আমি নির্বাচিত হলে সব প্রকার নাগরিক সুবিধাসহ প্রথমে বাজার ও কমিউনিটি সেন্টার করব। আমার প্রত্যাশা জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×