নগরীতে শীতের পরশ
jugantor
নগরীতে শীতের পরশ
গরম পোশাকের দোকানে ভিড়

  মুসতাক আহমদ  

০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ষড়ঋতুর হিসাবে শীতকাল শুরু হতে বাকি আরও ৯ দিন। কিন্তু এরই মধ্যে শীতের অনুভূতি বেশ শুরু হয়েছে। শিশিরে সিক্ত হচ্ছে আলপথের পল্লীর মাঠঘাট। হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা, আবার কোথাও ঘন কুয়াশার চাদর দেখা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে পড়ছে শীত। বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চলজুড়ে রাতের বেলায় শীত জেঁকে বসতে শুরু করেছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও সিলেট অঞ্চলেও আংশিকভাবে শীত অনুভূত হচ্ছে। রাজধানীবাসীও শীতের পরশ পেতে শুরু করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে ঠাণ্ডা-কাশিসহ শীতজনিত রোগবালাইয়ের প্রকোপ বেড়েছে। কেউ কেউ কোল্ড ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন।

শীতের আগমনীতে চঞ্চল হয়ে উঠছে রাজধানীসহ সারাদেশের গরম পোশাকের বাজার। গত কয়েকদিন ধরে নগরবাসীর ভিড় দেখা যাচ্ছে বঙ্গবাজার, নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড। যমুনা ফিউচারসহ রাজধানীর অভিজাত শপিংমলেও ভিড় বাড়ছে। ঢাকার বাইরে থেকেও গরম পোশাক বেচাবিক্রি বেড়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার যমুনা ফিউচার পার্কে সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, শীতের পোশাক বিক্রির ধুম পড়েছে। বায়তুল মোকাররম, গুলিস্তানসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ফুটপাতে দেখা গেছে, স্বল্প আয়ের মানুষ শীতবস্ত্রের দরদাম করছেন। অনেকেই কিনছেন গরম পোশাক। এ সময় কয়েকজন ক্রেতা জানান, শীতের পোশাকের দাম বাড়তির দিকে। আহসান হাবীব নামে একজন মুসল্লি বায়তুল মোকাররম দক্ষিণ গেট এলাকায় শীতের পোশাক কেনার সময়ে বলছিলেন, যতই শীত বাড়ছে, ততই যেন শীত বস্ত্রের দাম পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।

শীতের প্রকোপ সম্পর্কে আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, সাধারণত দিনের ব্যাপ্তিকাল হ্রাস পেলে এবং রাত বড় হলে শীতের প্রভাব বাড়তে থাকে। এর কারণ হচ্ছে, এ সময়ে দিনে ধরণীকে সূর্য আর তেমন উষ্ণ করতে পারে না। গত ১ ডিসেম্বর আবহাওয়া অধিদফতর (বিএমডি) এক মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস জারি করে। তাতে বলা হয়, মাসের প্রথমার্ধে রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি থাকতে পারে। কিন্তু মাসের শেষার্ধে তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা কম থাকতে পারে। ডিসেম্বরের শেষের দিকে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ১-২টি মৃদু বা মাঝারি আকারের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রিতে নেমে আসলে সেটাকে মৃদু এবং ৬ থেকে ৮ ডিগ্রিতে নেমে এলে তা মাঝারি আকারের শৈত্যপ্রবাহে পরিণত হয়। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সর্ব-উত্তরের জনপদ তেঁতুলিয়ায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই স্থানে গত শনিবার তাপমাত্রা ছিল ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমালয়ের কাছাকাছি এই জেলায় সব সময়ই শীত আগে চলে আসে।

নগরীতে শীতের পরশ

গরম পোশাকের দোকানে ভিড়
 মুসতাক আহমদ 
০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ষড়ঋতুর হিসাবে শীতকাল শুরু হতে বাকি আরও ৯ দিন। কিন্তু এরই মধ্যে শীতের অনুভূতি বেশ শুরু হয়েছে। শিশিরে সিক্ত হচ্ছে আলপথের পল্লীর মাঠঘাট। হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা, আবার কোথাও ঘন কুয়াশার চাদর দেখা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে পড়ছে শীত। বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চলজুড়ে রাতের বেলায় শীত জেঁকে বসতে শুরু করেছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও সিলেট অঞ্চলেও আংশিকভাবে শীত অনুভূত হচ্ছে। রাজধানীবাসীও শীতের পরশ পেতে শুরু করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে ঠাণ্ডা-কাশিসহ শীতজনিত রোগবালাইয়ের প্রকোপ বেড়েছে। কেউ কেউ কোল্ড ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন।

শীতের আগমনীতে চঞ্চল হয়ে উঠছে রাজধানীসহ সারাদেশের গরম পোশাকের বাজার। গত কয়েকদিন ধরে নগরবাসীর ভিড় দেখা যাচ্ছে বঙ্গবাজার, নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড। যমুনা ফিউচারসহ রাজধানীর অভিজাত শপিংমলেও ভিড় বাড়ছে। ঢাকার বাইরে থেকেও গরম পোশাক বেচাবিক্রি বেড়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার যমুনা ফিউচার পার্কে সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, শীতের পোশাক বিক্রির ধুম পড়েছে। বায়তুল মোকাররম, গুলিস্তানসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ফুটপাতে দেখা গেছে, স্বল্প আয়ের মানুষ শীতবস্ত্রের দরদাম করছেন। অনেকেই কিনছেন গরম পোশাক। এ সময় কয়েকজন ক্রেতা জানান, শীতের পোশাকের দাম বাড়তির দিকে। আহসান হাবীব নামে একজন মুসল্লি বায়তুল মোকাররম দক্ষিণ গেট এলাকায় শীতের পোশাক কেনার সময়ে বলছিলেন, যতই শীত বাড়ছে, ততই যেন শীত বস্ত্রের দাম পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।

শীতের প্রকোপ সম্পর্কে আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, সাধারণত দিনের ব্যাপ্তিকাল হ্রাস পেলে এবং রাত বড় হলে শীতের প্রভাব বাড়তে থাকে। এর কারণ হচ্ছে, এ সময়ে দিনে ধরণীকে সূর্য আর তেমন উষ্ণ করতে পারে না। গত ১ ডিসেম্বর আবহাওয়া অধিদফতর (বিএমডি) এক মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস জারি করে। তাতে বলা হয়, মাসের প্রথমার্ধে রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি থাকতে পারে। কিন্তু মাসের শেষার্ধে তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা কম থাকতে পারে। ডিসেম্বরের শেষের দিকে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ১-২টি মৃদু বা মাঝারি আকারের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রিতে নেমে আসলে সেটাকে মৃদু এবং ৬ থেকে ৮ ডিগ্রিতে নেমে এলে তা মাঝারি আকারের শৈত্যপ্রবাহে পরিণত হয়। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সর্ব-উত্তরের জনপদ তেঁতুলিয়ায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই স্থানে গত শনিবার তাপমাত্রা ছিল ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমালয়ের কাছাকাছি এই জেলায় সব সময়ই শীত আগে চলে আসে।