আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার রূপকার হতে চাই- এম নূরুল ইসলাম শাহেদ
jugantor
কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি: ডিএনসিসি ২৯ নম্বর ওয়ার্ড
আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার রূপকার হতে চাই- এম নূরুল ইসলাম শাহেদ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৬ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ডিএনসিসি ২৯ নম্বর ওয়ার্ড: আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার রূপকার হতে চাই

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম নূরুল ইসলাম শাহেদ (রেডিও) আধুনিক বাসযোগ্য ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, দেশ উন্নত হচ্ছে, দেশের মানুষ উন্নতির দিকে যাচ্ছে। তাই পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। বাসিন্দরা উন্নত রাস্তাঘাট, নিরাপদ বাসস্থান ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ চায়।

মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ চায়। উন্নয়নের নামে ক্ষমতার অপব্যবহারকারীদের থেকে রক্ষা পেতে চায়। সঠিক পরিকল্পনা, সবার জন্য সমবণ্টন ও সৎ সাহসিকতার একটি ওয়ার্ড গড়ার রূপকার হওয়া যায়, তাই প্রমাণ করতে চান শাহেদ।

ছোট বেলা থেকেই সাহিত্য, সংস্কৃতি, সংগঠন ও সমাজসেবা করে আসা শাহেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে দুবাইভিত্তিক বিমান পরিবহন সংস্থা এমিরেটাসের শীর্ষ পদে ২৫ বছর কাজ করেছেন।

নেতৃত্বশীল প্রতিভা, সৎ ও ক্লিন ইমেজের মানুষ হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। ব্যবসার পাশাপাশি এলাকার সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত।

স্থানীয় সমাজ উন্নয়নমূলক সংগঠন নবোদয়ের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন ২৬ বছর ধরে। তিনি বলেন, উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ও সামাজিক সেবাকে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দিতেই নির্বাচনের চিন্তা।

মোহাম্মদপুর থানাধীন এ ওয়ার্ডের প্রায় ৪২ হাজার ভোটার হলেও দুই লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। দুটি বিহারি ক্যাম্প, রাজধানীর সবচেয়ে বড় চালের বাজার কৃষি মার্কেটসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক স্থাপনা রয়েছে এ ওয়ার্ডে।

কাঁচাবাজার, বিহারি ক্যাম্প ও ঘনবসতি এ ওয়ার্ডে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্য যে কোনো ওয়ার্ডের তুলনায় কিছুটা বেগতির।

রয়েছে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, যৌন হয়রানিসহ নানা অপকর্ম রীতিমতো সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

বিভিন্ন স্থানে ইয়াবাসহ মাদকের ছড়াছড়ি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসনের অগোচরেই এসব চলছে বছরের পর বছর।

এসব অনাচার-অত্যাচার-অপকর্ম থেকে এ ওয়ার্ডবাসীর মুক্তি দিতেই দায়বদ্ধ মনে করছেন নূরুল ইসলাম শাহেদ। তিনি আরও বলেন, আমাদের এই ওয়ার্ডকে আমরাই সুস্থ, সামাজিক ও পরিচ্ছন্ন ওয়ার্ডে পরিণত করতে চাই।

এম. নূরুল ইসলাম শাহেদ বলেন, যুগ যুগ ধরে চলা নানা অপকর্ম ও অরাজকতা থেকে মুক্তি চায় ওয়ার্ডের দুই লাখ বাসিন্দা। সাধারণ মানুষরা অনেকটা অসহায়ের মতো নানা অরাজকতা হজম করছেন।

তারা এ অবস্থার পরিবর্তন চান। ভোটের মাধ্যমে তারা নীরব জবাব দেয়ার প্রতীক্ষায় আছেন। ২২ দফা প্রতিশ্রুতি দিয়ে শাহেদ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন।

নাগরিক দুর্ভোগ ও পরিকল্পনা নিয়ে ভোটারদের সঙ্গে দিন-রাত চলছে মতবিনিময়। রেডিও মার্কার এ প্রার্থীর উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে- আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদক নির্মূল, ছিনতাই বন্ধ, কিশোর গ্যাংয়ের ছেলেদের সুপথে সামাজিক পরিবেশ দেয়া।

সব ধরনের অপরাধ রুখতে ও ওয়ার্ডকে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো ওয়ার্ডকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা, প্রতিটি এলাকায় গেট, গার্ড ও কমিনিউটি পুলিশের মাধ্যমে অরাজকতামুক্ত ওয়ার্ড নির্মাণ।

ফুটপাত দখলমুক্ত ও হকারদের জন্য পৃথক মার্কেটের ব্যবস্থা ও হলিডে মার্কেট চালু করবেন তিনি। এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন বাস্তবায়ন কমিটি গঠনের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে চান তিনি।

শাহেদ বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, মেধাবীদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক বৃত্তি, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে এবং মসজিদ-মাদ্রাসার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান সব সমস্যাকে সমাধান ও উন্নয়ন করা হবে।

বেকার সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে যুব সমাজকে উন্নয়নের শামিল করা। সিটি কর্পোরেশনের বিদমান বাজেটে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব। আসুন আমরা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করি।

কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি: ডিএনসিসি ২৯ নম্বর ওয়ার্ড

আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার রূপকার হতে চাই- এম নূরুল ইসলাম শাহেদ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৬ জানুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ডিএনসিসি ২৯ নম্বর ওয়ার্ড: আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার রূপকার হতে চাই
এম নূরুল ইসলাম শাহেদ। ছবি: যুগান্তর

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম নূরুল ইসলাম শাহেদ (রেডিও) আধুনিক বাসযোগ্য ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, দেশ উন্নত হচ্ছে, দেশের মানুষ উন্নতির দিকে যাচ্ছে। তাই পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। বাসিন্দরা উন্নত রাস্তাঘাট, নিরাপদ বাসস্থান ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ চায়।

মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ চায়। উন্নয়নের নামে ক্ষমতার অপব্যবহারকারীদের থেকে রক্ষা পেতে চায়। সঠিক পরিকল্পনা, সবার জন্য সমবণ্টন ও সৎ সাহসিকতার একটি ওয়ার্ড গড়ার রূপকার হওয়া যায়, তাই প্রমাণ করতে চান শাহেদ।

ছোট বেলা থেকেই সাহিত্য, সংস্কৃতি, সংগঠন ও সমাজসেবা করে আসা শাহেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে দুবাইভিত্তিক বিমান পরিবহন সংস্থা এমিরেটাসের শীর্ষ পদে ২৫ বছর কাজ করেছেন।

নেতৃত্বশীল প্রতিভা, সৎ ও ক্লিন ইমেজের মানুষ হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। ব্যবসার পাশাপাশি এলাকার সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত।

স্থানীয় সমাজ উন্নয়নমূলক সংগঠন নবোদয়ের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন ২৬ বছর ধরে। তিনি বলেন, উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ও সামাজিক সেবাকে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দিতেই নির্বাচনের চিন্তা।

মোহাম্মদপুর থানাধীন এ ওয়ার্ডের প্রায় ৪২ হাজার ভোটার হলেও দুই লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। দুটি বিহারি ক্যাম্প, রাজধানীর সবচেয়ে বড় চালের বাজার কৃষি মার্কেটসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক স্থাপনা রয়েছে এ ওয়ার্ডে।

কাঁচাবাজার, বিহারি ক্যাম্প ও ঘনবসতি এ ওয়ার্ডে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্য যে কোনো ওয়ার্ডের তুলনায় কিছুটা বেগতির।

রয়েছে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, যৌন হয়রানিসহ নানা অপকর্ম রীতিমতো সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

বিভিন্ন স্থানে ইয়াবাসহ মাদকের ছড়াছড়ি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসনের অগোচরেই এসব চলছে বছরের পর বছর।

এসব অনাচার-অত্যাচার-অপকর্ম থেকে এ ওয়ার্ডবাসীর মুক্তি দিতেই দায়বদ্ধ মনে করছেন নূরুল ইসলাম শাহেদ। তিনি আরও বলেন, আমাদের এই ওয়ার্ডকে আমরাই সুস্থ, সামাজিক ও পরিচ্ছন্ন ওয়ার্ডে পরিণত করতে চাই।

এম. নূরুল ইসলাম শাহেদ বলেন, যুগ যুগ ধরে চলা নানা অপকর্ম ও অরাজকতা থেকে মুক্তি চায় ওয়ার্ডের দুই লাখ বাসিন্দা। সাধারণ মানুষরা অনেকটা অসহায়ের মতো নানা অরাজকতা হজম করছেন।

তারা এ অবস্থার পরিবর্তন চান। ভোটের মাধ্যমে তারা নীরব জবাব দেয়ার প্রতীক্ষায় আছেন। ২২ দফা প্রতিশ্রুতি দিয়ে শাহেদ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন।

নাগরিক দুর্ভোগ ও পরিকল্পনা নিয়ে ভোটারদের সঙ্গে দিন-রাত চলছে মতবিনিময়। রেডিও মার্কার এ প্রার্থীর উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে- আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদক নির্মূল, ছিনতাই বন্ধ, কিশোর গ্যাংয়ের ছেলেদের সুপথে সামাজিক পরিবেশ দেয়া।

সব ধরনের অপরাধ রুখতে ও ওয়ার্ডকে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো ওয়ার্ডকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা, প্রতিটি এলাকায় গেট, গার্ড ও কমিনিউটি পুলিশের মাধ্যমে অরাজকতামুক্ত ওয়ার্ড নির্মাণ।

ফুটপাত দখলমুক্ত ও হকারদের জন্য পৃথক মার্কেটের ব্যবস্থা ও হলিডে মার্কেট চালু করবেন তিনি। এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন বাস্তবায়ন কমিটি গঠনের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে চান তিনি।

শাহেদ বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, মেধাবীদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক বৃত্তি, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে এবং মসজিদ-মাদ্রাসার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান সব সমস্যাকে সমাধান ও উন্নয়ন করা হবে।

বেকার সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে যুব সমাজকে উন্নয়নের শামিল করা। সিটি কর্পোরেশনের বিদমান বাজেটে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব। আসুন আমরা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করি।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন

২১ জানুয়ারি, ২০২০