কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি

  ২৯ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ডিএসসিসি ১২ নম্বর ওয়ার্ড

মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করব

-মামুন রশিদ শুভ্র

যুগান্তর রির্পোট

ওয়ার্ডের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করে প্রতিহিংসামুক্ত ওয়ার্ড গড়তে চান ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সভাপতি ও সদ্যবিদায়ী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মামুন রশিদ শুভ্র (লাটিম)। যুগান্তরকে তিনি বলেন, ৫ বছরে এলাকায় উন্নয়নের কোনো ছোঁয়াই লাগেনি। অনুন্নত রাস্তাঘাট, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে। এই এলাকার অনুন্নত রাস্তাঘাট অপরিচ্ছন্ন ড্রেনেজ ব্যবস্থা, স্যুয়ারেজ লাইনসহ নানা ধরনের ভোগান্তি এলাকার মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী। এলাকাবাসী এবার দেখতে চায় নতুন মুখ। আমার প্রতি ঈর্শান্বিত হয়ে দলের প্রতিপক্ষ গ্রুপ আমাকে বিদ্রোহী প্রার্থী বানানোর চক্রান্ত করছে। তিনি নির্বাচিত হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ডিজিটাল ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। ভোটারদের সুখে দুঃখে পাশে থাকবেন বলে কথা দেন মামুন রশিদ। এ ছাড়াও দল-মত নির্বিশেষে উন্নয়নের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করা হবে বলেও জানান তিনি।

ডিএসসিসি ২০ নম্বর ওয়ার্ড

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই

-ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন

মো. বিল্লাল হোসেন

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ২০নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন (ঠেলাগাড়ি)।

তিনি বলেন, আমি কাউন্সিলর থাকা অবস্থায় এই ওয়ার্ডে যে উন্নয়ন করেছি তার প্রতিদান হিসেবে জনগণ এখন আমার পক্ষে। এই এলাকাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজমুক্ত করতে পেরেছি। প্রত্যেকটি গলিতে নিরাপত্তার জন্য গেট ও সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়ে দিয়েছি। রাস্তা সংস্কার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন, অসামাজিক কার্যকালাপ নির্মূল করেছি। আমি এই ওয়ার্ডের জনগণের জন্য একটি আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার তৈরি করব।

চাঁদাবাজি যাতে আবার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে দিকে লক্ষ্য রাখব। আমার এলাকায় কোনো দখলদার নেই এটা আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া যে ওয়ার্ডটি দখলদারমুক্ত করতে পেরেছি। আমি এলাকার স্বামী পরিত্যক্তা নারী, প্রতিবন্ধীদের জন্য শতভাগ ভাতার ব্যবস্থা করেছি। সব প্রকার ভাতা নির্দিষ্ট সময়ে সবার কাছে পৌঁছে দিয়েছি।

ডিএনসিসি ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড

সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করব

-মো. জাহিদুল হাসান

মো. পলাশ প্রধান

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বত্র সিসি ক্যামেরা বসিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চান কাউন্সিলর প্রার্থী মো. জাহিদুল হাসান। সব রকমের ভোগান্তি অবসানে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি। এছাড়া, সর্বাধুনিক মডেল ওয়ার্ড গড়ার পাশাপাশি বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে এলাকাটিকে গ্রিন জোন হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি। তবে এলাকাবাসী বলছেন, এলাকার অন্যতম প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। পাশাপাশি ভাঙাচোরা আর খানাখন্দে ভরা রাস্তাঘাটে এলাকাবাসীকে পথ চলতে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পরতে হয়। গত এক দশকে ওই এলাকায় দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি বলেও অভিযোগ বাসিন্দাদের। ডিএনসিসিতে যুক্ত নতুন ৫৪নং ওয়ার্ডটি সাবেক হরিরামপুর ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের রোশাদিয়া, কালিয়ারটেক, খায়েরটেক, কামারপাড়া, ভাটুলিয়া, নয়ানীচালা, রাজাবাড়ী, ধউর, আশুতিয়া, ভাটুলিয়া রানাভোলা নিয়ে গঠিত। এ ওয়ার্ডে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ বসবাস করে। এলাকার মোট ভোটারের সংখ্যা ২৪ হাজার।

ডিএসসিসির ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড

জলাবদ্ধতামুক্ত ওয়ার্ড উপহার দেব

-সমিন রায়

মো. খোরশেদ আলম শিকদার

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের স্বতন্ত্র কাউন্সিলর প্রার্থী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সমিন রায় মিষ্টি কুমড়া প্রতীকে নির্বাচন করছেন। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে আমি রাজনৈতিক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থেকে ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎসহ নাগরিক সুবিধা পেতে কাজ করেছি। এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করেছি। বাসিন্দাদের আরও কাছে গিয়ে সেবা দিতে আমি কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। আমি আশাবাদী, আমার বিগত দিনের ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও সেবামূলক কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন। আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে বাসিন্দাদের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা নিরসন ও যানজটমুক্ত এবং ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে একটি আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে কাজ করব। বেকারদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা ও মেধা বিকাশে খেলার মাঠ করব।

 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত