জার্মান ব্যান্ড রাগাবুন্ডের সুরের মূর্ছনা

  সাংস্কৃতিক রিপোর্টার ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সুরের মূর্ছনা

‘রেগে’ গানের সুরে মাতল সবাই। ভাষাটা জার্মান হলেও সুরের দোলায় দুলেছে পুরো মিলনায়তন। সোমবার শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে জার্মান-সুইস ব্যান্ডদল রাগাবুন্ড প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে সঙ্গীত পরিবেশন করে।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও নেপালে পরিবেশনা শেষে তারা এসেছেন এ দেশে। প্রথম পরিবেশনায় নৃত্য-গীতে মাতিয়ে তোলেন মিলনায়তনভর্তি দর্শকদের। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জার্মান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও গ্যোটে ইন্সটিটিউট।

আয়োজনের শুরুতেই এর উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন গ্যোটে ইন্সটিটিউটের পরিচালক ড. কিরস্টেন হাকেনব্রোক ও জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অফ মিশন মিশেল শুলথাইস।

আয়োজকরা জানান, গ্যোটে ইন্সটিটিউটের জার্মান ভাষা শিক্ষার প্রোগ্রাম পার্টনার্স স্কুল প্রোগ্রাম-পাশ’র দর্শকপূর্তি উপলক্ষে এ কনসার্টের আয়োজন করা হয়। যাতে অংশ নেয় পাশ নেটওয়ার্কের অংশীদার অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড স্কুল, সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ম্যাপেল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও চট্টগ্রামের মাস্টারমাইন্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

পাঁচ সদস্যের দল ‘রাগাবুন্ড’। দলটির সদস্যরা হলেন কুর্ট আন্দ্রেয়াস গুস্তাভো লেসকে, লুকা বুচিসিও, মিসেল বুচিসিও ও নীল ফ্রান্জ লেসকে। জার্মান, সুইস ও ল্যাটিন ভাষায় সঙ্গীত পরিবেশন করে। দলটি একে একে গেয়ে শোনায় গাঞ্জাথেরাপি, বেবিগার্ল, উ ডেন, নুর লিবে, আইএম রেডিও, চিলিং, বিউটিফুল ডে, নাজিমান, সরি মামা, কিউরো বাইলার, বেলিইভ নিচট স্থেন, ফাস্কো ফাঙ্কসহ নিজেদের জনপ্রিয় সব গান।

শিল্পকলায় উদীচীর ‘বৌ-বসন্তী’ : সোমবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে মঞ্চস্থ হয়েছে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় নাটক বিভাগের প্রযোজনা ‘বৌ-বসন্তী’।

অধ্যাপক রতন সিদ্দিকী রচিত ও নাট্যজন আজাদ আবুল কালাম নির্দেশিত নাটকটির সময়কাল ১৯৭১ সাল, যে সময়টায় পূর্ব পাকিস্তানে নাটকের আরম্ভ আর বাংলাদেশে এসে সমাপ্তি। যখন পূর্ব পাকিস্তান ছিল তখনও স্বাধিকার প্রমত্ত বাঙালি ছিল। আর যখন বাংলাদেশ তখনও বাঙালির মধ্যে লুকিয়ে আছে কতিপয় স্বাধীনতাবিরোধী।

এ রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে কোনো এক গ্রামীণ জনপদের জীবন বৈচিত্র্য প্রকাশ পেয়েছে ‘বৌ-বসন্তী’ নাটকে। নাটকটির গল্প ঘুরপাক খায় গ্রামের চোর বদর ও মনুর জীবনের নানা কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে। বদর একই গ্রামের ভিক্ষুকের মেয়েকে ভালোবাসলেও তাতে প্রত্যাখ্যাত হয়।

পরে সালিশে গ্রামছাড়া হয়ে গঞ্জে গিয়ে আরেকজনকে বিয়ে করলেও নতুন বউয়ের নানা বায়না মেটাতে হিমশিম খায় সে। একপর্যায়ে তার সেই স্ত্রীও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মদদকারী ধূর্ত প্রতারক মঈনের হাত ধরে পালিয়ে যায়।

এই সম্পর্কের টানাপোড়েনের পাশাপাশি নাটকটিতে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নানা ঘটনাচিত্র খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় শহর ছেড়ে মানুষের গ্রামে ছুটে চলা, বাজারে নিত্যপণ্যের হাহাকার, রাজাকারদের নানা কর্মকাণ্ড ফুটিয়ে তোলা ছাড়াও দেখানো হয়েছে কীভাবে গ্রামের সহজ-সরল মানুষকে নানা কূটকৌশলে বিভ্রান্ত করা হতো।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter