প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন

ঢাকায় প্রতিদিন ফেলা হচ্ছে দেড় কোটি পলিথিন ব্যাগ

  ঢাবি প্রতিনিধি ১১ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকায় প্রতিদিন ফেলা হচ্ছে দেড় কোটি পলিথিন ব্যাগ

ঢাকায় প্রতিদিন এক কোটি ৪০ লাখ (১৪ মিলিয়ন) পলিথিন ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। ড্রেন ও স্যুয়ারেজ লাইনে এগুলো চলে যাওয়ায় এবং আটকে পড়ায় বৃষ্টির সময় নগরীতে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করছে।

এর বাইরে শতভাগ উন্মুক্ত পরিবেশে প্লাস্টিকের বোতলসহ নানা পণ্য ফেলা হচ্ছে। এতে এলাকার সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। পলিথিন ও প্লাস্টিকের কারণে বিভিন্ন জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। বেসরকারি সংস্থা ‘আগ্রহ’ এ তথ্য জানায়।

‘ঢাকা আমাদের বাড়ি, নিজ বাড়িকে পরিষ্কার রাখি’ স্লোগানকে সামনে রেখে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন করেছে বেসরকারি সংস্থা ‘আগ্রহ’। শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য থেকে ক্যাম্পেইনটি শুরু হয়।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্ন অভিযান চালায় সংগঠনটি। বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পরিত্যক্ত প্লাস্টিক ও পলিথিনসহ পরিবেশ দূষণকারী বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ করে রিসাইক্লিংয়ের জন্য পাঠানো হয়।

এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষকরা, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী, আগ্রহ’র সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ছিন্নমূল মানুষ অংশ নেন। ক্যাম্পেইনটি টিএসসিতে গিয়ে শেষ হয়।

ক্যাম্পেইন থেকে বলা হয়, প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধের এখনই সময় এবং এটি আমাদের ব্যক্তি পর্যায় থেকে শুরু করতে হবে। ডাস্টবিনের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

ক্যাম্পেইন শেষে আগ্রহ’র চেয়ারপারসন ডালিয়া রহমান বলেন, ঢাকায় প্রতিদিন ১ কোটি ৪০ লাখ (১৪ মিলিয়ন) পলিথিন ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। যত্রতত্র আবর্জনা ফেলা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। শৈশব থেকে সন্তানদের যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকতে অভ্যস্ত করতে হবে। এ বিষয়ে ব্যাপক গণজাগরণ তৈরি করতে হবে। কারণ যত্রতত্র প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার কারণে রাস্তা-ঘাট নোংরা হচ্ছে। ময়লা-আবর্জনা পরিবেশ দূষিত করছে। ফলে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিসহ এলাকার সৌন্দর্যহানি ঘটছে। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ বলেন, যত্রতত্র প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলা থেকে আমাদের দায়িত্বশীল হতে হবে। তা না হলে খুব শিগগিরই দেশ এক মহাবিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। অধ্যাপক ড. তৈয়বুর রহমান বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×