জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী আজ

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়া জেলার গাবতলীতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। দিবসটি পালনে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয়ভাবে দু’দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। প্রতিবছর এদিন সকালে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে নেতাকর্মীদের নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে দোয়া মাহফিলে অংশ নেন তার স্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। কিন্তু বিএনপির চেয়ারপারসন কারাগারে থাকায় এ বছর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে নেতাকর্মীদের নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন দলটির শীর্ষ নেতারা। আজ শনিবার সকালে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা দলের প্রতিষ্ঠাতার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার দলের পক্ষ থেকে ঢাকা সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আজ সকাল ৬টায় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকালে জিয়ার মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ ছাড়া সেখানে মিলাদ মাহফিল ও বিনা মূল্যে রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ড্যাবের উদ্যোগে সকাল থেকে শুরু হবে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনা মূল্যে ওষুধ বিতরণ। বিভিন্ন গণমাধ্যমে ক্রোড়পত্র প্রকাশের পাশাপাশি বিভিন্ন পোস্টার ও ব্যানার ছাপানো হয়েছে। জিয়াউর রহমানের ডাক নাম কমল। ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ১৯৭৫ সালে ‘সিপাহি-জনতার বিপ্লবে’র মাধ্যমে ফের আলোচনায় আসেন জিয়াউর রহমান। নানা পটপরিবর্তনের একপর্যায়ে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী খালেদা জিয়া দলের হাল ধরেন।

জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বাণীতে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেছেন, দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য নেতৃত্বহীন জাতির দিশারি হয়ে শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেন এবং যুদ্ধে অসীম বীরত্বের পরিচয় দেন। স্বাধীনতা-উত্তর দুঃসহ স্বৈরাচারী দুঃশাসনে চরম হতাশায় দেশ যখন নিপতিত, জাতি হিসেবে আমাদের এগিয়ে যাওয়া যখন বাধাগ্রস্ত হয় ঠিক সেই সংকটের একপর্যায়ে জিয়াউর রহমান জনগণের নেতৃত্বভার গ্রহণ করেন। ক্ষমতায় এসেই মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন, নিশ্চিত করেন বিচার বিভাগ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার জন্মদিনে তার প্রদর্শিত পথেই আমরা আধিপত্যবাদের থাবা থেকে মুক্ত হব ও গণতন্ত্র ফিরে পাব। আর এর জন্য সর্বশক্তি দিয়ে ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে স্বৈরাচারের কারাগার থেকে মুক্ত করতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×