চিকিৎসক নিয়োগের পরীক্ষা আগামী ১৫ মার্চ

বিএসএমএমইউতে দিনভর উত্তেজনা

উচ্চশিক্ষা যেভাবে আছে সেভাবেই চলবে : ভিসি

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

দুটি বিষয়কে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তেজনা বিরাজ করে। চিকিৎসা শিক্ষার উচ্চতর ডিগ্রিকে কেন্দ্র করে সকালে এবং চিকিৎসক নিয়োগকে কেন্দ্র করে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীদের সঙ্গে চাকরিপ্রত্যাশীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। পরে ভিসি ১৫ মার্চ চাকরিপ্রত্যাশীদের নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার অন্যতম এজেন্ডা ছিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে এফসিপিএস ডিগ্রি গ্রহণ অত্যাবশক কিনা। এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত যেন সভায় পাস করা না হয়, সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রিধারীরা সভা কক্ষের সামনে স্লোগান দিতে থাকেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাডেমিক কাউন্সিলের একজন সদস্য যুগান্তরকে বলেন, সভার গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সাব-স্পেশালিটিগুলোর (এমডি/এমএস/এমফিল) ডিগ্রি প্রদান করবে। এফসিপিএস ডিগ্রি লাভ করার পর কেউ এসব কোর্সে ভর্তি হতে চাইলে সরাসরি ফেইজ বি’তে ভর্তি হতে পারবে। সাব-স্পেশালিটি কোর্সগুলো আগের মতো ফেইজ-এ’তে ভর্তি বহাল থাকবে। বর্তমানে বিএসএমএমইউতে যে রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম বিদ্যমান রয়েছে তা জেনারেল সাবজেক্ট (ইন্টারনাল মেডিসিন, জেনারেল সার্জারি, অবস অ্যান্ড গাইনি, জেনারেল পিডিয়াট্রিক্স) ছাড়া যথানিয়মে চলমান থাকবে। বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) জেনারেল সাবজেক্টগুলোর এফসিপিএস ডিগ্রি প্রদান করবে। কোনো সাব-স্পেশালিটিতে বিসিপিএস ডিগ্রি প্রদান করা যাবে না। একাডেমিক কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিসিপিএস প্রদত্ত ফেলোশিপধারী (এফসিপিএস/এমসিপিএস) চিকিৎসকরা ভিসির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এসব সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার দাবি জানান।

এ প্রসঙ্গে ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়–য়া বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিলম্বের কারণে চাকরিপ্রত্যাশী চিকিৎসকরা কিছুটা উত্তেজিত ছিল। তবে আগামী ১৫ মার্চ তাদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্তে তারা নমনীয় হয়েছেন। আর হাতাহাতির বিষয়টিও দেখা হচ্ছে।