আবিরে রঙিন হল দোল পূর্ণিমা

  যুগান্তর রিপোর্ট ২২ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব দোল পূর্ণিমা, হোলি দোল বা দোলযাত্রা। রং ছিটিয়ে, আবির মাখিয়ে, নেচে-গেয়ে আর মিষ্টিমুখ করিয়ে বৃহস্পতিবার উদযাপিত হয়েছে দিনটি। এ উপলক্ষে ঢাকাসহ সারা দেশে মন্দিরে মন্দিরে পূজা, হোমযজ্ঞ, প্রসাদ বিতরণসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে দোল উৎসব ও কীর্তনের আয়োজন করা হয়। পূজা ও কীর্তন শুরু হয় সকাল সাড়ে ৭টায়। প্রসাদ বিতরণ করা হয় দুপুর ১২টায়।

আবির খেলায় মেতে ওঠে পুরান ঢাকা। সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মের মানুষ যোগ দেয় এতে। তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, বাংলাবাজার ও শাঁখারীবাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই সব বয়সী মানুষ হোলি খেলায় মেতে উঠেছেন। গায়ে-মুখে রং লাগিয়ে দিচ্ছেন। বাটিতে রং নিয়ে গলির এমাথা ওমাথা ছোটাছুটি করতে দেখা যায় তরুণ-তরুণী ও ছোট ছেলেমেয়েদের। আবিরে রাঙা তরুণ-তরুণীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। সনাতন ধর্মের নারীরা মন্দিরে মন্দিরে গিয়ে পূজা করেন। দোকানে দোকানে এদিন বিশেষ মিষ্টান্ন ও পূজার জন্য বিশেষ ফুলের মালা বিক্রি হতে দেখা যায়। শাঁখারীবাজারের দোকানিরা বর্ণিল সব রঙের গুঁড়া ও পিচকারি (তরল রং ছিটানোর পাইপ) বিক্রিতে ছিলেন ব্যতিব্যস্ত। দোলযাত্রা হিন্দু বৈষ্ণবদের উৎসব। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী এদিন শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবনে রাধিকা ও তার সখীদের সঙ্গে আবির খেলেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি। এ কারণে দোলযাত্রার দিন এ মতের বিশ্বাসীরা রাধা-কৃষ্ণের বিগ্রহ আবিরে রাঙিয়ে দোলায় চড়িয়ে নগর কীর্তনে বের হন। এ সময় তারা রঙ খেলার আনন্দে মেতে ওঠেন। বিশ্বের অনেক স্থানে উৎসবটি দোলযাত্রা নামে পরিচিত হলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মাদ্রাজ, উড়িষ্যা প্রভৃতি স্থানে দোল উৎসব এবং উত্তর, পশ্চিম ও মধ্য ভারত এবং নেপালে ‘হোলি’ নামে পরিচিত। কোনো কোনো স্থানে এ উৎসবকে বসন্ত উৎসবও বলা হয়। দ্বাপর যুগ থেকে পুষ্পরেণু ছিটিয়ে রাধা-কৃষ্ণ দোল উৎসব করতেন। সময়ের বিবর্তনে পুষ্পরেণুর জায়গায় এসেছে আবির।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×