আনন্দবন্যা রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৭ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

এ যেন বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। এসএসসির কাক্সিক্ষত ফল পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে কেউ কেউ উৎসবে মেতে উঠেছে। বাদ্যযন্ত্র নিয়ে হই-হুল্লোড় করতে থাকে। আবার কেউ অতি আনন্দে কেঁদে দিয়েছে। কম যাননি অভিভাবকরাও।

সন্তানের সঙ্গেও আনন্দে মেতে ওঠেন তারা। ফল ঘোষণার পর প্রিয়জনদের ফোন করে ফল জানাতে ব্যস্ত ছিলেন তারা। করিয়েছেন একে অন্যকে মিষ্টিমুখ। আর প্রিয় শিক্ষার্থীদের এমন আনন্দে উচ্ছ্বসিত শিক্ষকরাও। তবে কোনো কোনো শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্রও। ভালো ফল করতে না পেরে হতাশ তারা। কাউকে কাউকে কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা গেছে। সোমবার এসএসসির ফল প্রকাশের পর রাজধানীর কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমনই চিত্র দেখা গেছে।

ভিকারুননিসায় পাসের হার ৯৯.৮৪ : ‘ও বাবা আমি পাস করেছি, জিপিএ-৫ পেয়েছি।’ বলতে বলতে আনন্দে কাঁদছিল ফাবিয়া লামিসা রাঁখি। রাঁখি রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। সোমবার দুপুরে কলেজ মাঠে শুধু রাঁখি নয়, তার মতো অনেক শিক্ষার্থী অভিভাবক, স্বজনদের কাছে পরীক্ষার সুফল জানাতে গিয়ে আনন্দে কাঁদছিল। চোখের জল গাল বেড়ে পড়ছিল।

এবার প্রতিষ্ঠানটিতে পাসের হার ৯৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার ৮১ দশমিক ২৯ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফেরদৌসী বেগম জানান, ২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ১৮২৬ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৮২৩ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪৮২ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ আর জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার ৮১ দশমিক ২৯ শতাংশ। এবার মোট ৩ জন অকৃতকার্য হয়েছে। এর মধ্যে ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে দু’জন ও বিজ্ঞান শাখা থেকে ১ জন। অধ্যক্ষ জানান, গত বছর মোট ১৬১২ জন শিক্ষার্থী ছিল, পাসের হার ছিল ৯৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা ছিল ১৪৪১ জন যা ৮৯ দশমিক ৫ শতাংশ। ফারিয়া নামে এক শিক্ষার্থী গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবার গত বছরের তুলনায় কিছুটা খারাপ হয়েছে। তবে এটাকে আমরা ব্যর্থতা বলতে চাই না। সব মিলিয়ে আমরা ভালো করেছি। রাঁখি বলছিল, সে পাইল হবে। সিফাত আজিজ মিঠু বলল, সে জিপিএ-৫ গোল্ড পেয়েছে। পড়লে ভালো ফল আসবেই। এ কলেজ থেকে এবার বিজ্ঞান বিভাগের ১ হাজার ৬৮৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৪৪৪ জন। বাণিজ্য বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০ জন, এই বিভাগ থেকে পরীক্ষার্থী ছিল ১২৭ জন। মানবিক বিভাগের ১৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

সাফল্যধারা বজায় রেখেছে মাইলস্টোন কলেজ : চলতি বছর রাজধানীর উত্তরা মডেল টাউনে মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে ১৩৪১ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০১ জন এবং এ গ্রেড

পেয়েছে ১০২৬ জন। উভয় মাধ্যমে পাসের হার ৯৮ দশমিক ৯৬। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১১৪১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং পাসের হার ৯৯.৫৬। বাণিজ্য বিভাগে ২শ’ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৯১ জন। এ বিভাগে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০।

সোমবার দুপুরে কলেজে দেখা যায়, ফল পেয়ে শিক্ষার্থীরা বাদ্যযন্ত্র নিয়ে আনন্দে মেতে উঠেছে। শিক্ষার্থী রিয়াজুল করিম জানান, ভালো ফলের পেছনে আমাদের শিক্ষকদের ভূমিকা রয়েছে। কলেজের প্রশাসনিক ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) এম কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, সমন্বিত প্রচেষ্টায় সেরা ফল অর্জনে সক্ষম হয়েছি আমরা।

মিরপুরে মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে আনন্দের বন্যা : বিজ্ঞান বিভাগ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে আনন্দে আত্মহারা সাদিয়া অনামিকা মিম বান্ধবীদের জড়িয়ে ধরে। মিম জানায়, আমি বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চাই। দুপুরের পর থেকেই বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে নৃত্য, গান ও হই-হুল্লোড়ে শিক্ষার্থীরা মেতে ওঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন জানান, এ বছর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সব কটি শাখা মিলিয়ে ২ হাজার ৭১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৪১ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ১৯৫ জন। এ হার ৪৪ দশমিক ৩২ শতাংশ।

গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে জান্নাতুল নূর অবনি। সে জানায়, ‘আমি বড় হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই।’ গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়া আনিকা ইসলাম ও মাহবুবা জামান মিমও একই কথা বলে। অভিভাবক আমিনুল ইসলাম, সেলিনা আক্তার, মনিরুজ্জামান, মারুফা আক্তার ও সাহাদত হোসেন জানান, আমরা সব সময় তাদের পাশে থেকেছি। শিক্ষকরা খুব সহায়তা করেছেন।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস : নাচ-গান, হাসিকান্না আর আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে এসএসসির ফল উদ্যাপন করেছে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। তীব্র গরম উপেক্ষা করে গান আর বাদ্যের তালে নেচে-গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের। রাজধানীর উত্তরার ৬ নম্বর সেক্টরে সোমবার দুপুরে এ কলেজে গিয়ে দেখা যায়, সন্তানরা ভালো ফল করায় অভিভাবক এবং শিক্ষকরাও শরিক হন শিক্ষার্থীদের আনন্দে। শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ ‘ভি চিহ্ন’ দেখিয়ে আবার কেউ কেউ সেলফি তুলে আনন্দ করেছে। তবে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের ছোঁয়া লাগায় ভিড় ঠেলে নোটিশ বোর্ডে ফল দেখার চিরচেনা সেই চিত্র দেখা যায়নি। ইন্টারনেটে আগেই ফল জানলেও আনন্দ ভাগাভাগি করতে শিক্ষার্থীরা ছুটে আসে প্রিয় কলেজ ক্যাম্পাসে। এ কলেজ থেকে ৮৫৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। যার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৯৭ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬৫।

জিপিএ-৫ পেয়ে মাকে জড়িয়ে ধরে রাফিয়া ইয়াসমিন যুগান্তরকে বলে, ভালো ফলে মা-বাবার পাশাপাশি শিক্ষকদের ভূমিকা রয়েছে। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী লামিয়া, রোকসানা ও জিসান ঢোলের তালে তালে নেচে গান করছিল। লামিয়া জানায়, ভালো করতে হলে ফাঁকি দেয়া যাবে না।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে ৮৫৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফেল করেছে ৩ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬৫। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৯৭ জন। যার হার ৮১ দশমিক ২৪। বিজ্ঞান বিভাগের ৭০৯ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৫৯ জন, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৪৯ জনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮ জন। কলেজটির অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শওকত আলম জানান, আশা করছি, ভালো করা শিক্ষার্থীরা সুন্দর মানুষ হবে।

হলিক্রসে শতভাগ পাস : রাজধানীর অন্যতম নামকরা বিদ্যাপীঠ হলিক্রস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা শতভাগ পাস করেছে। চলতি বছর এসএসসিতে ২৩৮ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৬৫ জন জিপিএ-৫ অর্জন করে। বিজ্ঞান, ব্যবসা এবং মানবিক- এই তিন মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা অংশ নেয়। ফলাফল থেকে দেখা যায়, এ বছর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৫২, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৬৫ এবং মানবিক বিভাগ থেকে ২১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সোমবার ফল ঘোষণার পরপরই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীরা উল্লাসে মেতে ওঠে। একে ওপরকে জড়িয়ে ধরে তারা আনন্দ-উল্লাস করতে থাকে।

সরেজমিন দেখা যায়, সোমবার সকাল থেকে এসএসসির ফল উদ্যাপন করতে হলিক্রস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা বিদ্যালয়টির নিজস্ব পোশাক পরে আগে থেকে সেখানে অপেক্ষায় থাকে। ফল ঘোষণার পরপরই তারা মোবাইল এবং বিদ্যালয়ের বোর্ডে রেজাল্ট দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা তাদের কাক্সিক্ষত ফল পেয়ে আনন্দ-উল্লাস করতে থাকে। একে অপরকে জড়িয়ে ধরে আনন্দে মেতে ওঠে। ‘ভি চিহ্ন’ দেখিয়ে সেলফি এবং ছবি ওঠাতে থাকে। আবার সাউন্ড বক্সের গানের তালে তালে নেচে-গেয়ে এসএসসি ফল উদ্যাপন করে হলিক্রস উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। বিদ্যালয়টির বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে মালিহা মারজান। সে জানায়, আজকের এই দিনের জন্য টানা দু’বছর পরিশ্রম করতে হয়েছে। ছাত্রীদের এমন ফলে খুশি হলিক্রস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিস্টার রানী ক্যাথরিন গমেজ। তিনি বলেন, নিয়মানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা ও অধ্যবসায়ই হল সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৯৯ দশমিক ৪২ : রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে বালক ৯৪৭ ও বালিকা ৬৭০; ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে বালক ১৫৮ ও বালিকা ১৩০ জন। এর মধ্যে ৯৯ দশমিক ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২৪৮ শিক্ষার্থী। বিজ্ঞন বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২১৩ জন ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৫ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষার ফল প্রকাশ হওয়ার পর অন্যান্যবারের মতো এবারও আনন্দ-উৎসবে মেতে ওঠে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া আকাশ বলে, এ সফলতার জন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।

প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগম বলেন, প্রযুক্তির কারণে এসএমএস ও ইন্টারনেটে আগেই ফল জেনে যাচ্ছে পরীক্ষার্থীরা। এই ফলাফলকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক সবার একান্ত প্রচেষ্টার ফল বলে মনে করেন তিনি।

মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পাসের হার ৯৯ দশমিক ৭৫ : রাজধানীর মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৯৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ১ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৮ জন শিক্ষার্থী। ফল ঘোষণার পর ছাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ-উল্লাস করতে দেখা যায়। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক নাজমুন নাহার শাহীন বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের পাসের হার প্রায় শতভাগ। এমন সফলতা অর্জনে সবাইকে অভিনন্দন জানাই।

উদয়নে শতভাগ পাস : উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। এ বছর এসএসসিতে স্কুলটি থেকে ২১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এরমধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ১৭৯ জন এবং ব্যবসায় বিভাগের ৩৩ জন। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১২৬ জন এবং ব্যবসায় বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪ জন। ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষায় এই প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১৮৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ছিল ১৫১ জন এবং ব্যবসায় বিভাগের ছিল ৩২ জন। সেবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পায় ১৩৩ জন এবং ব্যবসায় বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পায় ৪ জন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×